ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার চাপ সামলাতে ট্রাইব্যুনালের পাশাপাশি প্রসিকিউশনের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (২০ জুন) সকালে ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বর্তমানে আমাদের দুটি ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ চলছে। এরই মধ্যে প্রায় ৩০টি মামলা বিচারাধীন। আরও নতুন মামলা আসছে। তবে একটি মামলা নিষ্পত্তি করতে কমপক্ষে তিন থেকে চার মাস লাগতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে আরও কম-বেশি সময়ও লাগে। স্বাভাবিক গতিতে যেভাবে বিচারকার্য চলার, ঠিক সেভাবেই করছি। যদিও মামলার সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। প্রতিবেদনও দাখিল হচ্ছে। তাই এই দুইটি ট্রাইব্যুনালের পক্ষে একটা সময় এসব অতিরিক্ত চাপ পড়ে যাবে। এজন্য ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউশন টিম বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। বাড়ানো হতে পারে তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তাও।
দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি মামলা পুনঃতদন্তে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা অত্যন্ত সততা এবং নিরপেক্ষতার সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য পরিচালনা করার চেষ্টা করছি। গতি আরও বাড়ানোর চেষ্টা করবো আমরা। তবে চিফ প্রসিকিউটরের দায়িত্ব নেওয়ার পর পাঁচ থেকে ছয়টি মামলা আমি পুনঃতদন্তে পাঠিয়েছি। কিছু কিছু পুনঃতদন্ত হয়ে পুনরায় প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেকটি মামলা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চেষ্টা করছি যেন সঠিক প্রতিবেদন আসে। আমার হাত দিয়ে কোনো নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন। আবার কোনো দোষীও যেন রেহাই না পান। আমি চেষ্টা করব যে একটি অভিযোগও যেন প্রতিহিংসামূলক বা ভুয়া না হয়। অর্থাৎ এসবে যেন বিতর্কের জন্ম না দেয়। অতএব আমাদের এই বিচার কখনও যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়- সেভাবেই আমরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।
সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিমের সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনিরসহ আরও অনেকে।








