[ঢাকা, ১১ জুন ২০২৬] ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) তাদের গৌরবময় ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার একটি হোটেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়িক সম্প্রদায়, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর প্রদর্শিত হয় আইবিএফবি -এর দুই দশকের পথচলা ও সাফল্যের ওপর একটি বিশেষ প্রামাণ্য উপস্থাপনা, যেখানে গবেষণা, নীতিনির্ধারণী সংলাপ এবং অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে সংগঠনটির অবদান তুলে ধরা হয়।
স্বাগত বক্তব্যে আইবিএফবি -এর সভাপতি লুতফুন নিসা সৌদিয়া খান গত ২০ বছরে সংগঠনটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অর্জন ও কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে আইবিএফবি -এর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং বেসরকারি খাতনির্ভর উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আরও বিস্তত সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি দ্বিপাক্ষিক
অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্ক, নেপাল, ওমান, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার ও অন্যান্য বন্ধুপ্রতিম দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ, সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, ব্রুনাই দারুসসালাম ও মালদ্বীপের হাইকমিশনার, জাপান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (IRI)-এর প্রতিনিধিসহ দেশের ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারণী মহলের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর মাননীয় প্রশাসক আবদুর রহিম খান, আইবিএফবি -এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান খান এবং সাবেক সভাপতি হুমায়ুন রশিদ।
কেক কাটার আয়োজন, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দলীয় আলোকচিত্র গ্রহণ এবং নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। উপস্থিত অতিথিরা বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে একটি নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আইবিএফবি -এর দীর্ঘদিনের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও সংগঠনটির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।








