মার্কিন সিনেটর জন করনিনও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার মেয়াদকে যুগান্তকারী বলে অভিহিত করেছেন। করনিন লিখেছেন, ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন। টানা তিনটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ম্যান্ডেটের মাধ্যমে ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের আস্থা অর্জন করে তিনি চার হাজার ৩৯৯ দিনের এই নেতৃত্বের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা থেকে শুরু করে ভারতকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত করা পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনামল ছিল সত্যিই রূপান্তরধর্মী। যুক্তরাষ্ট্র-ভারত অংশীদারিত্বও এর আগে কখনও এত শক্তিশালী ছিল না।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এই ঐতিহাসিক অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই অর্জন ভারতের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে তার দীর্ঘদিনের নিবেদিত জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রমাণ।
তিনি জানান, মালয়েশিয়া ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো জোরদার করার প্রত্যাশা করে। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির অব্যাহত সাফল্য এবং ভারতের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী মোদির এই নতুন রেকর্ড উপলক্ষে প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা থেকেও শুভেচ্ছাবার্তা এসেছে। অনুরা কুমারা দিসানায়েকে এক্সে লিখেছেন- ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। শ্রীলঙ্কা আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বকে মূল্য দেয় এবং দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকা শুধু রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং একটি দেশের নীতি-নির্ধারণ ও উন্নয়ন ধারায় স্থিতিশীলতারও প্রতিফলন। মোদির এই রেকর্ড সেই ধারাবাহিকতারই নতুন এক উদাহরণ হয়ে থাকল। তথ্য সূত্র- এনডিটিভি।








