ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক : নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিতে শেরপুরে যাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে শ্রীবরদীতে নিহত জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত এবং পরে শেরপুর শহরে জাতীয় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে শ্রীবরদী উপজেলার ঝিনাইগাতী এলাকায় পৌঁছাবেন তিনি। এরপর বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত করবেন। নিহত রেজাউল করিম জামায়াতের শ্রীবরদী থানার সেক্রেটারি ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় শেরপুর শহরের শহীদ দারোগা আলী পৌর পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তিনি। জনসভায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনাও দেবেন বলে জানা গেছে।
জামায়াত আমিরের সফরকে কেন্দ্র করে শেরপুর জেলাজুড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। শহীদ দারোগা আলী পৌর পার্ক মাঠে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার সকাল থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ভিপি।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর উন্নয়নে জামায়াতে ইসলামী অগ্রাধিকার দেবে। জামায়াত আমিরের এই জনসভা সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জনসভায় জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের একাধিক নেতা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ময়মনসিংহ জেলা আমির আব্দুল করিম, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান, কেন্দ্রীয় কলেজ সম্পাদক ইউসুফ ইসলাহী, ডাকসুর সাবেক জিএস এসএম ফরহাদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. ছামিউল হক ফারুকীসহ অন্য নেতারা।
এদিকে জনসভাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও নিরাপত্তা দায়িত্বে রয়েছেন।








