ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : ক্রমাগত নিরাপত্তাহীনতা, হুমকি ও হয়রানির মুখে পড়ে ঢাকা–৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মেঘনা আলম নির্বাচনি প্রচারণায় সাময়িক বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
মেঘনা আলম বলেন, সরকার বারবার এমপি প্রার্থীদের জন্য গানম্যানসহ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও ঢাকা–৮ আসনের একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে তিনি এখনো কোনো সরকারি নিরাপত্তা পাননি। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাঁর প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং নারী কর্মীদের লক্ষ্য করে লেজার লাইট ব্যবহার করে অপমান ও ভয়ভীতি তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত কোনো গানম্যান বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। বরং দপ্তরগুলোর মধ্যে দায় চাপাচাপির কারণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হুমকি দিচ্ছেন। বিষয়টি দায়িত্বশীল নেতাদের নজরে আনলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে এআই নির্ভর অশ্লীল ও মানহানিকর ভিডিও ছড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।
মেঘনা আলম বলেন, মিস বাংলাদেশ হিসেবে চাইলে তিনি গ্ল্যামার জগতে স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন বেছে নিতে পারতেন। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সার্টিফায়েড রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হিসেবে রাষ্ট্র ও সমাজ সংস্কারের দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, তাঁকে কোনো ধরনের নিরাপত্তা না দিয়ে কার্যত একটি হিংস্র পরিবেশের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এই বৈষম্যমূলক আচরণ শুধু একজন নারী প্রার্থীর বিরুদ্ধে নয়, বরং নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং একটি স্বাধীন, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতিও গুরুতর হুমকি বলে তিনি মনে করেন।








