ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর মানবিক বিবেচনায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়া বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম আজ দুপুর দুইটার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন। কারাগার প্রশাসন ও সাদ্দামের পরিবারের সদস্যরা কঠোর গোপনীয়তার মাধ্যমে সাংবাদিকদের দৃষ্টি এড়িয়ে কারাগার থেকে বের করে নিয়ে যায় তাকে।
যশোরের সাংবাদিকরা সারাদিন কারাগারের প্রধান ফটকে অবস্থান করে থাকলেও তারা বিষয়টি জানতেও পারেনি। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে জেলার সারাদিন সাংবাদিকদের ফোন ধরেননি। পরে সন্ধ্যায় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসিফ উদ্দীন সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুপুরের দিকে সাদ্দামের জামিন আদেশ যশোর কারাগারে পৌঁছানোর পর বেলা দুইটার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গত সোমবার হাইকোর্টের একটি ডিভিশন ফৌজদারি বেঞ্চ বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দামের ছয় মাসের জামির আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। গত শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি বিকেলে বাগেরহাটের বেজেডাঙ্গা গ্রামের সাদ্দামের নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, সন্তানকে হত্যার পর তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেন। এরপর স্বজনরা স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ যশোর কারাগারে এনে শেষবারের মতো সাদ্দামকে দেখান। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে মানিবক বিবেচনায় উচ্চ আদালত গত সোমবার সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দেন।
সন্ধ্যায় সাদ্দামের ভাই শহিদুল ইসলাম মোবাইলফোনে জানান, গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলতে প্রশাসন থেকে নিষেধ করা হয়েছিল। তিনি জানান, সন্ধ্যায় বাড়ি পৌঁছানোর পর সাদ্দাম তার স্ত্রী ও সন্তানের কবর জিয়ারত করেন।








