ব্যস্ত কর্মজীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনবে আল্ট্রা ওয়াইড ওডিসি মনিটর

[ঢাকা, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬] কাজের চাহিদা ও ধরন বদলানোর সাথে সাথে বর্তমানে একইসাথে অনেকগুলো কাজ করা নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। কম্পিউটারের মনিটরের এক কোণায় স্প্রেডশিট খোলা, তো আরেক পাশে ক্লায়েন্টের মেইল; জুমে মিটিং করতে করতেই কিছুক্ষণ পরপর ইনবক্স চেক করা, জরুরি কোন ইমেল আসল কি-ই না। এর সাথে আছে ব্রাউজারে খোলা অসংখ্য ট্যাব, যার অর্ধেকের বেশিই কেন খোলা হয়েছিল, সেটার হদিস নেই।

সময়ের সাথে সাথে কাজের ধরণ বদলেছে ঠিকই, তবে এর সাথে তাল মিলিয়ে এখনো বদলায়নি অনেকের কম্পিউটারের স্ক্রিন। এখন যেভাবে দ্রুত ও একসাথে অনেক কাজ সামলাতে হয়, তা আদতে পুরোনো বা ২৪ ইঞ্চির ছোট মনিটরে করা সম্ভব নয়। পুরোনো মনিটরে মানিয়ে নিতে হয়তো প্রত্যেকটি কাজের জন্য আলাদা উইন্ডো বেছে নিতে হবে, অথবা সব একসঙ্গে দেখতে উইন্ডোগুলো এতটাই ছোট করতে হবে যে পড়তে গেলে চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়বে। পাশাপাশি, বারবার উইন্ডো ও ট্যাব বদলানোর কারণে কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।

তবে, এখন সময় বদলেছে; বদলেছে মনিটরের পরিসরও। নতুন প্রযুক্তির মনিটরগুলো যেমন প্রশস্ত, তেমনই টেকসই, যা বদলে দিতে পারে কাজের অভিজ্ঞতা। বড় মনিটরগুলোতে বারবার ট্যাব পরিবর্তনের ঝামেলা নেই, তিন-চারটি উইন্ডোতে অনায়াসেই কাজ করা যায়। হাতের কাজগুলো সব একসাথে সামনে থাকলে কমে মানসিক চাপও।

তবে, একইসাথে, একাধিক কাজ করার সুবিধা শুধুমাত্র মনিটরের আকারের ওপরেই নির্ভর করে না; অন্যান্য ফিচারও গুরুত্বপূর্ণ। ছবির ক্লারিটি, রঙের নির্ভুলতা, রেজ্যুলেশন; সবকিছুই কাজের অভিজ্ঞতায় প্রভাব ফেলে। পেশাজীবীদের দিনের দীর্ঘ একটি সময় কাটে স্ক্রিনের সামনে। তাই, চোখের ওপর চাপ কমানো, কম নীল আলো নিঃসরণ এবং ফ্লিকার-ফ্রি প্রযুক্তির মত সুবিধাসহ মনিটর থাকা এখন কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই তৈরি হচ্ছে আধুনিক মনিটর। উদাহরণ হিসেবে স্যামসাংয়ের নতুন ‘ওডিসি নিও জি৯’ -এর কথা বলা যায়। ৫৭ ইঞ্চি আকারের এই মনিটরটি বর্তমানে বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে বড় মনিটর। এর বড়, বাঁকানো পর্দায় একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিসর তৈরি করে পাশাপাশি বিভিন্ন কাজ করা সম্ভব।

অন্যদিকে, যাদের কাজ তুলনামূলকভাবে বেশি ভ্যিজুয়াল নির্ভর, যেমন গ্রাফিক ডিজাইন বা ভিডিও সম্পাদনা, তাদের জন্য রয়েছে ৪৯ ইঞ্চির ‘ওডিসি ওএলইডি জি৯’। আল্ট্রাওয়াইড স্ক্রিনের সাথে মনিটরটিতে রয়েছে ওএলইডি প্রযুক্তি, যা উজ্জ্বল রঙ ও তীক্ষ্ণ কন্ট্রাস্টর জন্যে সুপরিচিত। আর গেম খেলার ক্ষেত্রে আলাদা ভাবে নজর কাড়ে স্যামসাংয়ের ‘ওডিসি জি৬’। এটি বিশ্বের প্রথম ৫০০ হার্টজ ওএলইডি মনিটর, যা দ্রুতগতির দৃশ্যেও ল্যাগ কমিয়ে মসৃণ গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখে।

বিশেষ সুবিধার কথা মাথায় রেখে তৈরি আধুনিক এ মনিটরগুলো আমাদের প্রাত্যহিক কাজকে আরও সহজ করে দিতে পারে। কম্পিউটার যেহেতু দিনের বড় একটি সময় আমরা ব্যবহার করি, তাই নতুন হার্ডওয়্যারে বিনিয়োগ করা কে নিছক খরচ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কাজের সময় স্ক্রিনে যদি পর্যাপ্ত জায়গা, ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য এবং চোখের স্বস্তি থাকে, তাহলে হাজারটা ট্যাব বা উইন্ডো সামলানো নিয়ে আর ভাবতে হয় না, কাজ শেষ করা যায় স্বস্তিতে, কোন ঝামেলা ছাড়াই।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» নেপালে বন্যা-ভূমিধস: ১০ লাখ ডলার সহায়তা দিলো বাংলাদেশ

» র‌্যাব বিলুপ্তিতে একমত: নতুন বাহিনী নিয়ে সংসদে ‘বাহাস’

» র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে উত্থাপন

» জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দ্রুত বিল আনা হবে, সংসদে ওয়াদা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

» সংসদে আবেগঘন বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মির্জা আব্বাসের সাক্ষাৎ

» গ্যাসের অভাবে শিল্পোৎপাদন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে: সংসদে জামায়াত এমপি

» জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা

» স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা এনসিপির

» দুদকের অনুসন্ধানে সমস্যা নেই, তবে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন: আসিফ মাহমুদ

» এবার বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক ইসলামী আন্দোলনের

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ব্যস্ত কর্মজীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনবে আল্ট্রা ওয়াইড ওডিসি মনিটর

[ঢাকা, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬] কাজের চাহিদা ও ধরন বদলানোর সাথে সাথে বর্তমানে একইসাথে অনেকগুলো কাজ করা নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। কম্পিউটারের মনিটরের এক কোণায় স্প্রেডশিট খোলা, তো আরেক পাশে ক্লায়েন্টের মেইল; জুমে মিটিং করতে করতেই কিছুক্ষণ পরপর ইনবক্স চেক করা, জরুরি কোন ইমেল আসল কি-ই না। এর সাথে আছে ব্রাউজারে খোলা অসংখ্য ট্যাব, যার অর্ধেকের বেশিই কেন খোলা হয়েছিল, সেটার হদিস নেই।

সময়ের সাথে সাথে কাজের ধরণ বদলেছে ঠিকই, তবে এর সাথে তাল মিলিয়ে এখনো বদলায়নি অনেকের কম্পিউটারের স্ক্রিন। এখন যেভাবে দ্রুত ও একসাথে অনেক কাজ সামলাতে হয়, তা আদতে পুরোনো বা ২৪ ইঞ্চির ছোট মনিটরে করা সম্ভব নয়। পুরোনো মনিটরে মানিয়ে নিতে হয়তো প্রত্যেকটি কাজের জন্য আলাদা উইন্ডো বেছে নিতে হবে, অথবা সব একসঙ্গে দেখতে উইন্ডোগুলো এতটাই ছোট করতে হবে যে পড়তে গেলে চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়বে। পাশাপাশি, বারবার উইন্ডো ও ট্যাব বদলানোর কারণে কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।

তবে, এখন সময় বদলেছে; বদলেছে মনিটরের পরিসরও। নতুন প্রযুক্তির মনিটরগুলো যেমন প্রশস্ত, তেমনই টেকসই, যা বদলে দিতে পারে কাজের অভিজ্ঞতা। বড় মনিটরগুলোতে বারবার ট্যাব পরিবর্তনের ঝামেলা নেই, তিন-চারটি উইন্ডোতে অনায়াসেই কাজ করা যায়। হাতের কাজগুলো সব একসাথে সামনে থাকলে কমে মানসিক চাপও।

তবে, একইসাথে, একাধিক কাজ করার সুবিধা শুধুমাত্র মনিটরের আকারের ওপরেই নির্ভর করে না; অন্যান্য ফিচারও গুরুত্বপূর্ণ। ছবির ক্লারিটি, রঙের নির্ভুলতা, রেজ্যুলেশন; সবকিছুই কাজের অভিজ্ঞতায় প্রভাব ফেলে। পেশাজীবীদের দিনের দীর্ঘ একটি সময় কাটে স্ক্রিনের সামনে। তাই, চোখের ওপর চাপ কমানো, কম নীল আলো নিঃসরণ এবং ফ্লিকার-ফ্রি প্রযুক্তির মত সুবিধাসহ মনিটর থাকা এখন কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই তৈরি হচ্ছে আধুনিক মনিটর। উদাহরণ হিসেবে স্যামসাংয়ের নতুন ‘ওডিসি নিও জি৯’ -এর কথা বলা যায়। ৫৭ ইঞ্চি আকারের এই মনিটরটি বর্তমানে বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে বড় মনিটর। এর বড়, বাঁকানো পর্দায় একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিসর তৈরি করে পাশাপাশি বিভিন্ন কাজ করা সম্ভব।

অন্যদিকে, যাদের কাজ তুলনামূলকভাবে বেশি ভ্যিজুয়াল নির্ভর, যেমন গ্রাফিক ডিজাইন বা ভিডিও সম্পাদনা, তাদের জন্য রয়েছে ৪৯ ইঞ্চির ‘ওডিসি ওএলইডি জি৯’। আল্ট্রাওয়াইড স্ক্রিনের সাথে মনিটরটিতে রয়েছে ওএলইডি প্রযুক্তি, যা উজ্জ্বল রঙ ও তীক্ষ্ণ কন্ট্রাস্টর জন্যে সুপরিচিত। আর গেম খেলার ক্ষেত্রে আলাদা ভাবে নজর কাড়ে স্যামসাংয়ের ‘ওডিসি জি৬’। এটি বিশ্বের প্রথম ৫০০ হার্টজ ওএলইডি মনিটর, যা দ্রুতগতির দৃশ্যেও ল্যাগ কমিয়ে মসৃণ গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখে।

বিশেষ সুবিধার কথা মাথায় রেখে তৈরি আধুনিক এ মনিটরগুলো আমাদের প্রাত্যহিক কাজকে আরও সহজ করে দিতে পারে। কম্পিউটার যেহেতু দিনের বড় একটি সময় আমরা ব্যবহার করি, তাই নতুন হার্ডওয়্যারে বিনিয়োগ করা কে নিছক খরচ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কাজের সময় স্ক্রিনে যদি পর্যাপ্ত জায়গা, ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য এবং চোখের স্বস্তি থাকে, তাহলে হাজারটা ট্যাব বা উইন্ডো সামলানো নিয়ে আর ভাবতে হয় না, কাজ শেষ করা যায় স্বস্তিতে, কোন ঝামেলা ছাড়াই।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com