ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্যামল উদ্দিন মাঝির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে শ্যামলের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে শ্যামল উদ্দিনসহ আরও নয় বাংলাদেশির মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর নিহতের স্বজনদের কাছে সে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। নিহত শ্যামল উদ্দিন রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার ঝিকড়া ইউনিয়নের মরুগ্রামের বাসিন্দা মরদেহে দেশে আশায় বিমানবন্দরে নিতে গিয়েছিলেন মৃতের জামাতা মিজানুর রহমান।
মিজানুর রহমান জানান, বেলা ১১ টার দিকে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজনরা ছাড়াও আশেপাশের এলাকার মানুষ অংশ নেয়। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা হয়েছে।
প্রিয়জনকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠে চারপাশ।
বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম আহমেদ বলেন, ‘নিহতের খবর শোনার পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা ও শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া তারা বিমানবন্দরে ৩৫ হাজার টাকা পেয়েছে। যেহেতু নিহতের তিন মেয়ে। আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বলেছি তাদের দেখে রাখতে। যেহেতু তারা পড়াশোনা করেন, আমরা তাদের সহযোগিতা করব।’
উল্লেখ্য, ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৩টায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মানফুয়া সানাইয়া এলাকার একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাসিন্দা।








