কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড : ৬ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে আজ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : কলকাতার নিউমার্কেটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ আজ শনিবার দেশে আনা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলসীমান্ত দিয়ে এবং বাকি পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হবে।

শনিবার সকালে কলকাতার পার্ক সার্কাসে অবস্থিত পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৬টার পর অ্যাম্বুলেন্সটি কলকাতা ছাড়ে। সকাল ১০টার দিকে মরদেহটি ভোমরা স্থলসীমান্তে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, বাকি পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সও স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা। সড়কপথে বেনাপোল স্থলসীমান্ত দিয়ে মরদেহগুলো দেশে ফেরত আনা হবে।

তারা হলেন- কুষ্টিয়ার বাসিন্দা দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণশীষ দত্ত, তার শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবু।

এর আগে, শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে সাতক্ষীরার বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ। ফলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফিরছে, আর একজনের সৎকার কলকাতাতেই সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার শিখা ইন নামের ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহত দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন ঝাড়খণ্ডের সন্দীপ পাশওয়ান ও শিলিগুড়ির যোগ নারায়ণ আগরওয়াল।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। তাকে ধরতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হলেও এখনো তার সন্ধান মেলেনি। ঘটনার পরদিন থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর ধর্মতলা, মার্কুইস স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট ও এসএন ব্যানার্জি রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল, লজ ও অতিথিশালাসহ প্রায় ৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ময়মনসিংহে কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, ভোগান্তি

» এক ধাক্কায় ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ৫৪৮২ টাকা

» মিরপুরে মব করে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা: তদন্তের নির্দেশ

» বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান পদে আসছে নতুন মুখ

» গরু চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক

» স্মিথকে ফেরালেন শরিফুল, লিড অর্ধশতক ছাড়িয়েছে

» কানাডার ক্যালগেরিতে দর্শক মাতালেন অর্ণব ও সুনিধি

» কারিনা কাপুরের অন্তঃসত্ত্বার গুঞ্জন

» ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা

» মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮২ জন গ্রেফতার

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড : ৬ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে আজ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : কলকাতার নিউমার্কেটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ আজ শনিবার দেশে আনা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলসীমান্ত দিয়ে এবং বাকি পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হবে।

শনিবার সকালে কলকাতার পার্ক সার্কাসে অবস্থিত পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৬টার পর অ্যাম্বুলেন্সটি কলকাতা ছাড়ে। সকাল ১০টার দিকে মরদেহটি ভোমরা স্থলসীমান্তে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, বাকি পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সও স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা। সড়কপথে বেনাপোল স্থলসীমান্ত দিয়ে মরদেহগুলো দেশে ফেরত আনা হবে।

তারা হলেন- কুষ্টিয়ার বাসিন্দা দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণশীষ দত্ত, তার শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবু।

এর আগে, শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে সাতক্ষীরার বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ। ফলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফিরছে, আর একজনের সৎকার কলকাতাতেই সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার শিখা ইন নামের ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহত দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন ঝাড়খণ্ডের সন্দীপ পাশওয়ান ও শিলিগুড়ির যোগ নারায়ণ আগরওয়াল।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। তাকে ধরতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হলেও এখনো তার সন্ধান মেলেনি। ঘটনার পরদিন থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর ধর্মতলা, মার্কুইস স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট ও এসএন ব্যানার্জি রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল, লজ ও অতিথিশালাসহ প্রায় ৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com