ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বালু নদীর ওপর নির্মাণাধীন ইছাপুরা সেতু এবং দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা নগরপাড়া-কায়েতপাড়া সেতুর নির্মাণকাজ আগামী এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্মাণাধীন দুই সেতু পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, নৌ পরিবহন ও সেতু বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ এসব অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। তবে বর্তমান সরকার উন্নয়নমুখী এবং জনগণের স্বার্থে সব অসমাপ্ত প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ও ধীরগতিতে থাকা সেতু দুটির নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করে আগামী এক বছরের মধ্যে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সেতু দুটি চালু হলে রাজধানীর খিলক্ষেত ও খিলগাঁও এলাকার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এর ফলে রূপগঞ্জের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, সরকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণের লক্ষ্যে কাজ করছে। আজ থেকে এক বছর পর এই সেতু দিয়ে মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নগরপাড়া-কায়েতপাড়া সেতুর নির্মাণকাজ ২০০৩ সালে প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে শুরু হয়। এক বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২৩ বছর পরও প্রকল্পটি সম্পন্ন হয়নি।
অন্যদিকে, ২০১৮ সালে পুরোনো ইছাপুরা বেইলি সেতুর পরিবর্তে ৩২০ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে কাজ পিছিয়ে যায়। বর্তমানে সেতুটির নির্মাণ অগ্রগতি প্রায় ৭৫ শতাংশ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টরা জানান, সেতু দুটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে রূপগঞ্জের উত্তরাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।








