[ঢাকা, জুন ১১, ২০২৬] শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে রানার গ্রুপের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)। কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ গ্র্যাজুয়েট গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় রানার গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি সই হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত এবং রানার গ্রুপের গ্রুপ চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার কাজী মোহাম্মদ জাফর সাদেক।
অনুষ্ঠানে এসটিএস গ্রুপের করপোরেট রিলেশনস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার শাহ ইউশা আহমদ, রানার গ্রুপের এইচআর বিজনেস পার্টনার মালবিকা মাহফুজসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই অংশীদারিত্বের ফলে ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ, চাকরির সুযোগ, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং খাত–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জ্ঞান বিনিময়মূলক সেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি যানবাহন শিল্প ও ব্যবসা খাতের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে জানার সুযোগও তৈরি হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের
অভিজ্ঞতার সংযোগ তৈরি করতে সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে তাঁরা পেশাজীবীদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাবেন এবং কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই কর্মক্ষেত্রের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন।
ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত বলেন, “দিনশেষে, পাঠ্যপুস্তক আপনাকে কেবল একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্তই নিয়ে যেতে পারে। ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়াকে একসাথে যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের প্রকৃত অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছি, যাতে তারা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের কর্মক্ষেত্রে পদার্পণ করতে পারে।”
রানার গ্রুপের গ্রুপ চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার কাজী মোহাম্মদ জাফর সাদেক বলেন, “এই অংশীদারিত্ব শুধু শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি মূলত এই খাতের টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা। এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ তাত্ত্বিক শিক্ষা ও বাস্তবায়নের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে সাহায্য করবে, যা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত করে তুলবে।”
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ
কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরির সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে বিভিন্ন যৌথ উদ্যোগও নেওয়া হবে।
****








