নজরদারি বিল নিয়ে চাপের মুখে কানাডা সরকার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : নজরদারি বিল নিয়ে চাপের মুখে রয়েছে কানাডা সরকার। এছাড়াও গোপনীয়তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। কানাডার বিতর্কিত “ল’ফুল অ্যাকসেস” বিল নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকায় রক্ষণাত্মক অবস্থানে গেছে দেশটির ফেডারেল সরকার। নতুন এই আইন পাস না হলে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছে (সিএসআইএস) কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস।

সিবিসি জানায়, প্রস্তাবিত বিল-২২ অনুযায়ী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্তের সময় প্রযুক্তি ও যোগাযোগ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে দ্রুত তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাবে।

সিএসআইএসের নীতি ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিভাগের উপপরিচালক নিকোল গিলস বলেন, কানাডা এখন ফাইভ আইস জোটের একমাত্র দেশ, যেখানে কার্যকর ‘ল’ফুল অ্যাকসেস’ ব্যবস্থা নেই। তার মতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত পরিবেশে হুমকির “পরিমাণ, গতি ও বৈচিত্র্য” মোকাবিলায় এটি জরুরি।

এই ইস্যুতে পাবলিক সেফটি কানাডা এবং রয়েল কেনেডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ- এর কর্মকর্তারাও গণমাধ্যমে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।

তবে বিলটির দ্বিতীয় অংশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এতে টেলিকম, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোকে এমন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে, যাতে আদালতের অনুমতি থাকলে আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সহজে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

সমালোচকদের আশঙ্কা, এই ব্যবস্থা কার্যত এনক্রিপশন দুর্বল করে দিতে পারে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা, এ্যপেল এবং মেসেজিং সেবা সিগন্যাল সতর্ক করেছে, এতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, হ্যাকার ও বিদেশি প্রতিপক্ষও নিরাপত্তা দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

মাইকেল জিসট, ইউনিভার্সিটি অফ অটোয়া এর ইন্টারনেট ও ই-কমার্স আইনবিষয়ক গবেষক বলেন, যদি এনক্রিপশন দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে খারাপ পক্ষগুলোর প্রবেশ ঠেকানো কঠিন হয়ে যায়।

নাগরিক অধিকার সংগঠন, প্রযুক্তি কোম্পানি ও গোপনীয়তা অধিকারকর্মীদের বিরোধিতার মুখে বিলটি নিয়ে রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নামে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।  সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» স্থানীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: মীর শাহে আলম

» জনগণের রায় মেনে রাজনীতি থেকে বিদায় নিন: নেতানিয়াহুকে আইজেনকোট

» বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

» বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

» মুচলেকার নামে নেওয়া হয় সই, পরীক্ষা ছাড়াই মাদক গ্রহণের দায়ে দেওয়া হয় ৮৫ জনকে সাজা

» আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

» আজ বুধবার রাজধানীর যেসব দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ

» দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আইজিপির বক্তব্য আতঙ্কজনক : মামুনুল হক

» ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট

» দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

নজরদারি বিল নিয়ে চাপের মুখে কানাডা সরকার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : নজরদারি বিল নিয়ে চাপের মুখে রয়েছে কানাডা সরকার। এছাড়াও গোপনীয়তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। কানাডার বিতর্কিত “ল’ফুল অ্যাকসেস” বিল নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকায় রক্ষণাত্মক অবস্থানে গেছে দেশটির ফেডারেল সরকার। নতুন এই আইন পাস না হলে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছে (সিএসআইএস) কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস।

সিবিসি জানায়, প্রস্তাবিত বিল-২২ অনুযায়ী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্তের সময় প্রযুক্তি ও যোগাযোগ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে দ্রুত তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাবে।

সিএসআইএসের নীতি ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিভাগের উপপরিচালক নিকোল গিলস বলেন, কানাডা এখন ফাইভ আইস জোটের একমাত্র দেশ, যেখানে কার্যকর ‘ল’ফুল অ্যাকসেস’ ব্যবস্থা নেই। তার মতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত পরিবেশে হুমকির “পরিমাণ, গতি ও বৈচিত্র্য” মোকাবিলায় এটি জরুরি।

এই ইস্যুতে পাবলিক সেফটি কানাডা এবং রয়েল কেনেডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ- এর কর্মকর্তারাও গণমাধ্যমে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।

তবে বিলটির দ্বিতীয় অংশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এতে টেলিকম, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোকে এমন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে, যাতে আদালতের অনুমতি থাকলে আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সহজে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

সমালোচকদের আশঙ্কা, এই ব্যবস্থা কার্যত এনক্রিপশন দুর্বল করে দিতে পারে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা, এ্যপেল এবং মেসেজিং সেবা সিগন্যাল সতর্ক করেছে, এতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, হ্যাকার ও বিদেশি প্রতিপক্ষও নিরাপত্তা দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

মাইকেল জিসট, ইউনিভার্সিটি অফ অটোয়া এর ইন্টারনেট ও ই-কমার্স আইনবিষয়ক গবেষক বলেন, যদি এনক্রিপশন দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে খারাপ পক্ষগুলোর প্রবেশ ঠেকানো কঠিন হয়ে যায়।

নাগরিক অধিকার সংগঠন, প্রযুক্তি কোম্পানি ও গোপনীয়তা অধিকারকর্মীদের বিরোধিতার মুখে বিলটি নিয়ে রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নামে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।  সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com