ইরানের খার্গ দ্বীপ কেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তবে তিনি আরও বলেছেন, সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনও ক্ষতি করা হয়নি।

বিবিসির মাইকি কে’র ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই দ্বীপটি থেকেই ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রফতানি হয় এবং এটাকে তেহরানের অর্থনীতির লাইফলাইন বলা হয়।

এর আগে দু’জন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে একটি মেরিন ইউনিট এবং আরও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

এই মেরিন ইউনিটটি সমুদ্রপথে আক্রমণ চালাতে সক্ষম এবং সাধারণত এটি কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে থাকা সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার মেরিন ও নাবিক নিয়ে গঠিত হয়। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিবিসি মার্কিন সেনাবাহিনী এবং পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

খার্গ দ্বীপ কেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপের ‌‌‌‘সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ বোমা হামলা চালিয়েছে। এটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত প্রায় ৫ মাইল লম্বা একটি ছোট দ্বীপ। এই দ্বীপকে ইরানের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দ্বীপটিতে অল্প কিছু মানুষ বসবাস করে। বরং ইরানের রফতানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে যায়।

বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রথমে এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে তারপর সেখান থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। এর অন্যতম হলো চীন। দেশটি ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।

যদি দ্বীপটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে এটি ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দেবে।

এই মাসের শুরুতে, মার্কিন নিউজ আউটলেট ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, ট্রাম্প দ্বীপটি দখলের জন্য বিশেষ বাহিনী পাঠানোর কথা ভাবছেন। সূত্র: বিবিসি

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» আগামী পাঁচ দিন দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

» কারওয়ান বাজার পুলিশ ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন করলেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার

» ডিপিএলে ড্রেসিংরুমে মোবাইল নিষিদ্ধ, থাকছে স্বাস্থ্যকর খাবার ও আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স

» অবাধ তথ্য প্রবাহ সভ্যতার জন্য অক্সিজেনের মতো : তথ্যমন্ত্রী

» নতুন কুঁড়ির মধ্যে দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পাব : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

» স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি : তথ্যমন্ত্রী

» ‘দেশের দায়িত্ব তোমাদেরকেই নিতে হবে, কারণ তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ’ : প্রধানমন্ত্রী

» কাল থেকে ডিসি সম্মেলন, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

» বাংলাদেশে নতুন করে ১৪ টি বিমান ক্রয়ের চুক্তি হয়েছে- জামালপুরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

» তিরিক্ত টোল আদায়ের সংবাদ  সংগ্রহে গিয়ে বিএনপি নেতার হাতে ২ সাংবাদিক লাঞ্ছিত

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ইরানের খার্গ দ্বীপ কেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তবে তিনি আরও বলেছেন, সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনও ক্ষতি করা হয়নি।

বিবিসির মাইকি কে’র ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই দ্বীপটি থেকেই ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রফতানি হয় এবং এটাকে তেহরানের অর্থনীতির লাইফলাইন বলা হয়।

এর আগে দু’জন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে একটি মেরিন ইউনিট এবং আরও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

এই মেরিন ইউনিটটি সমুদ্রপথে আক্রমণ চালাতে সক্ষম এবং সাধারণত এটি কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে থাকা সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার মেরিন ও নাবিক নিয়ে গঠিত হয়। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিবিসি মার্কিন সেনাবাহিনী এবং পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

খার্গ দ্বীপ কেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপের ‌‌‌‘সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ বোমা হামলা চালিয়েছে। এটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত প্রায় ৫ মাইল লম্বা একটি ছোট দ্বীপ। এই দ্বীপকে ইরানের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দ্বীপটিতে অল্প কিছু মানুষ বসবাস করে। বরং ইরানের রফতানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে যায়।

বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রথমে এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে তারপর সেখান থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। এর অন্যতম হলো চীন। দেশটি ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।

যদি দ্বীপটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে এটি ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দেবে।

এই মাসের শুরুতে, মার্কিন নিউজ আউটলেট ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, ট্রাম্প দ্বীপটি দখলের জন্য বিশেষ বাহিনী পাঠানোর কথা ভাবছেন। সূত্র: বিবিসি

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com