ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে পাঁচ বছরের মেয়াদে মানুষের পাশে থেকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নতুন করে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।
রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন আব্দুল্লাহ আল জাবের
শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার দ্রুত বিচার, গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কর্মসূচির পঞ্চম দিনে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা থেকে দিনাজপুর সদর উপজেলা পর্যন্ত পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া সরকারকে অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষমতা হারানোর পরিস্থিতিতে পড়ুক, এমনটা তারা চান না। বরং জনগণের দেওয়া পাঁচ বছরের মেয়াদে সরকারকে মানুষের পাশে থেকে ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষায় সরকারকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব কোনো বিদেশি শক্তির কাছে সমর্পণ করা যাবে না।
আব্দুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে দেশের ওপর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা হয়েছে। তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণ সবসময় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশে যেন নতুন করে কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের তিন দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। দাবিগুলো হলো—শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচার।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব দাবিতে আগামী ১৮ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।








