স্কুলে এক শিফটের পক্ষে সরকার, অবকাঠামো না থাকায় সীমাবদ্ধতা: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : দেশের স্কুলগুলোতে এক শিফট চালুর পক্ষে সরকার, তবে বর্তমানে পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় তা বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

শনিবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

‘সরকার কতখানি এগোলো? প্রাথমিক শিক্ষার ওপর আলোকপাত’ শীর্ষক এই সংলাপ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

এক শিফট ও দুই শিফটের স্কুলের মধ্যে বৈষম্য দূর করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, এনসিটিবিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন দুই শিফট ও এক শিফটের স্কুলের মধ্যে কোনো বৈষম্য না থাকে এবং পাঠদানের সময়সীমা বাস্তবসম্মত হয়।

শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা একদিনে, এক রাতে বা ছয় মাসে বিশাল পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এর প্রভাব দেখা যাবে দুই, তিন, পাঁচ বা ১০ বছর পর। আপনারা এখন যা দেখবেন, তাহলো সেই পরিবর্তনের কাজগুলো সঠিকভাবে হচ্ছে কি না।

শিক্ষক নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন শিক্ষক পলিসি তৈরি করতে ডিরেক্টর জেনারেলের (ডিজি) অধীনে কাজ চলছে, যা অক্টোবর মাসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ, ক্যারিয়ার, অ্যাসেসমেন্ট ও ট্রেনিং সম্পর্কিত সবকিছু বাস্তবসম্মতভাবে সাজানো হচ্ছে।

স্কুলে মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা আগামী বছর থেকে সব স্কুলে মিড-ডে মিল পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। পার্বত্য অঞ্চলেও এ ব্যবস্থা চালু করা হবে। আগামী বছরের মধ্যে রান্না করা খাবারের একটি ছোট পাইলট প্রকল্প শুরুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো যথেষ্ট নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু বেতন বাড়ালেই শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত হয় না। জিপিএস স্কুলে শিক্ষকরা যে বেতন পান, তার অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ বেতনে প্রাইভেট স্কুলে এর চেয়ে ভালো মানের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তাই বেতন একমাত্র বিষয় নয়।

দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তদারকির বিষয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের মাটিতে থাকা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মনিটরিং করবে সরকার। ২০২৮ সালের মধ্যে বাংলা মাধ্যম, ইংলিশ মিডিয়ামসহ বেসরকারি সব সংস্থাকে নতুন কারিকুলাম ও মনিটরিংয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসাকেও নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে আনার কথা জানান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» পরমাণু অস্ত্র নিয়ে আইএইএ’র প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান উত্তর কোরিয়ার

» রাজধানীর ২ শতাধিক চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার

» স্কুলে এক শিফটের পক্ষে সরকার, অবকাঠামো না থাকায় সীমাবদ্ধতা: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

» গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল : এ পর্যন্ত গ্রেফতার ১৭৯

» নেত্রকোনায় প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ অনুষ্ঠিত

» গত ১৭ বছর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী

» ডাকাতি মামলায় পরোয়ানাভুক্ত তিন আসামি গ্রেপ্তার

» নারী ক্রিকেটের নেতৃত্বের দৌড়ে নাহিদা-সোবহানা

» বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার

» সিপিএল রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ হেরে মিরাজের দল গায়ানার বিদায়

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

স্কুলে এক শিফটের পক্ষে সরকার, অবকাঠামো না থাকায় সীমাবদ্ধতা: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : দেশের স্কুলগুলোতে এক শিফট চালুর পক্ষে সরকার, তবে বর্তমানে পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় তা বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

শনিবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

‘সরকার কতখানি এগোলো? প্রাথমিক শিক্ষার ওপর আলোকপাত’ শীর্ষক এই সংলাপ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

এক শিফট ও দুই শিফটের স্কুলের মধ্যে বৈষম্য দূর করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, এনসিটিবিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন দুই শিফট ও এক শিফটের স্কুলের মধ্যে কোনো বৈষম্য না থাকে এবং পাঠদানের সময়সীমা বাস্তবসম্মত হয়।

শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা একদিনে, এক রাতে বা ছয় মাসে বিশাল পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এর প্রভাব দেখা যাবে দুই, তিন, পাঁচ বা ১০ বছর পর। আপনারা এখন যা দেখবেন, তাহলো সেই পরিবর্তনের কাজগুলো সঠিকভাবে হচ্ছে কি না।

শিক্ষক নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন শিক্ষক পলিসি তৈরি করতে ডিরেক্টর জেনারেলের (ডিজি) অধীনে কাজ চলছে, যা অক্টোবর মাসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ, ক্যারিয়ার, অ্যাসেসমেন্ট ও ট্রেনিং সম্পর্কিত সবকিছু বাস্তবসম্মতভাবে সাজানো হচ্ছে।

স্কুলে মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা আগামী বছর থেকে সব স্কুলে মিড-ডে মিল পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। পার্বত্য অঞ্চলেও এ ব্যবস্থা চালু করা হবে। আগামী বছরের মধ্যে রান্না করা খাবারের একটি ছোট পাইলট প্রকল্প শুরুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো যথেষ্ট নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু বেতন বাড়ালেই শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত হয় না। জিপিএস স্কুলে শিক্ষকরা যে বেতন পান, তার অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ বেতনে প্রাইভেট স্কুলে এর চেয়ে ভালো মানের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তাই বেতন একমাত্র বিষয় নয়।

দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তদারকির বিষয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের মাটিতে থাকা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মনিটরিং করবে সরকার। ২০২৮ সালের মধ্যে বাংলা মাধ্যম, ইংলিশ মিডিয়ামসহ বেসরকারি সব সংস্থাকে নতুন কারিকুলাম ও মনিটরিংয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসাকেও নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে আনার কথা জানান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com