ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বারির মহাপরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের অংশগ্রহণে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বারির পরিচালক ড. রেশমা সুলতানা, পরিচালক ড. ফারুক আহমেদ, পরিচালক ড. কাওছার উদ্দিন আহাম্মদ, পরিচালক ড. নির্মল কুমার দত্ত, পরিচালক ড. হাবিব মোহাম্মদ নাসের, পরিচালক ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বারি দেশের সর্ববৃহৎ বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দেশের সার্বিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন, কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। এখানে বিভিন্ন প্রকার দানা জাতীয় শস্য, কন্দাল ফসল, ডাল, তেল ফসল, সবজি, ফল, ফুলসহ প্রায় ২১২টি ফসলের ওপর গবেষণা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
বারির বিজ্ঞানীরা এ পর্যন্ত বিভিন্ন ফসলের ৬৮১টি উচ্চ ফলনশীল (হাইব্রিডসহ), রোগ প্রতিরোধ সক্ষম ও বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশে চাষোপযোগী জাত এবং ৬৯২টি অন্যান্য উৎপাদন প্রযুক্তিসহ ১ হাজার ৩৭৩টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। এসব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে দেশে তেলবীজ, ডালশস্য, আলু, সবজি, মশলা এবং ফলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষি খাতে এই রূপান্তরের পেছনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানেরও অবদান রয়েছে। তিনি ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট বারি-কে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে কৃষি গবেষণার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি মজবুত করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা অত্যন্ত জরুরি। কৃষি গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা দিয়ে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন স্বাধীনভাবে বিকশিত করার পরিবেশ তৈরি করেছিল তার সরকার। বারির ৫০ বছরের পথচলা দেখিয়েছে দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিবেদিতপ্রাণ বিজ্ঞানী এবং সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।








