ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে কঠোর বার্তা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ‘বাস্তব ও কার্যকর চুক্তি’ সম্পূর্ণরূপে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের আশেপাশে অবস্থান করবে। বৃহস্পতিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বার্তা দেন।
পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান , ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি শুধু প্রতীকী নয় বরং তা হবে পূর্ণমাত্রার প্রস্তুতি। এই মোতায়েনের আওতায় থাকবে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং সশস্ত্র সেনা ইউনিট। পরিস্থিতি অনুযায়ী উন্নত অস্ত্র, অতিরিক্ত গোলাবারুদ এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
ইরানকে ‘দুর্বল হয়ে পড়া প্রতিপক্ষ’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, কোনো চুক্তি লঙ্ঘিত হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর জবাব দেবে। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে শত্রুকে সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় করতে যা যা করা দরকার, তা করতে পিছপা হবে না ওয়াশিংটন।
চুক্তির শর্ত নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সব সময় নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এই ঘোষণা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এদিকে লেবাননে আবারও ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর ভয়াবহ হামলায় নারী ও শিশুসহ ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি।
অন্যদিকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে কেবল ‘আংশিকভাবে’ সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পথটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও ইরানের শত্রুদেশগুলোর কোনো জাহাজ এখান দিয়ে চলাচল করতে পারবে না। সূত্র : আল জাজিরা








