ব্রিটিশ কাউন্সিলের উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড গ্র্যান্ট বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

[ঢাকা, ০৭ মার্চ, ২০২৬] নারী সমতা ও সামাজিক পরিবর্তনে শিল্পকলার ভূমিকা তুলে ধরতে উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (ওয়াও) বাংলাদেশ ২০২৫-২৬’ এর আওতায় ১৩টি অনুদান প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। এ অনুদানের মাধ্যমে দেশে আঞ্চলিক পর্যায়ে তিনটি ওয়াও চ্যাপ্টারের প্রকল্প ও দশটি শিল্পীদের দ্বারা পরিচালিত প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রকল্পগুলো মূলত লিঙ্গ সমতা, জলবায়ু ন্যায়বিচার, প্রযুক্তি ও ঐতিহ্যসহ অন্যান্য সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করবে।

বৈশ্বিক ধারা হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে লৈঙ্গিক সমতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে ‘উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ (ওয়াও)। ২০১৭ সালে বাংলাদেশে বিভাগীয় পর্যায়ে যাত্রা শুরুর পরে ২০১৯ সালে ঢাকায় আয়োজন করা হয় ‘ওয়াও’ জাতীয় উৎসব। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জুড কেলির হাত ধরে যুক্তরাজ্যে এই উৎসবের সূচনা হয়েছিল। এবং, ২০১৬ সাল থেকে ব্রিটিশ কাউন্সিল ‘ওয়াও ফাউন্ডেশন’ -এর সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে লৈঙ্গিক সমতা, নারীর সক্ষমতা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি।

উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড- এর ২০২৫-২৬ পর্যায়ের জন্য জন্য বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থিত শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবনার জন্যে দু’টি ‘ওপেন কল’ আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়ার পর ১৩টি উদ্ভাবনী প্রকল্পকে এই অনুদান প্রদান করা হয়, যা বছরজুড়ে বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য হলো সমকালীন সমাজ ও স্থানীয় বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে লিঙ্গ সংশ্লিষ্ট আলোচনাকে অর্থবহভাবে উপস্থাপন করা।

প্রকল্পটি নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন “এই বছরের
সকল ‘ওয়াও’ গ্র্যান্ট বিজয়ীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। শিল্প, সংস্কৃতি ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্ভাবন কীভাবে লৈঙ্গিক সমতা, জলবায়ু ন্যায়বিচার ও আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে অনুপ্রাণিত করে, তা তারা মেধা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। ওয়াও ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত হয়ে আমরা এই সকল শিল্পীদের ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। তারা প্রচলিত ধারাকে চ্যালেঞ্জ করছেন, প্রতিনিধিহীন মানুষদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরছেন এবং বাংলাদেশের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাপূর্ণ ভবিষ্যতের পথ সুগম করে তুলতে ভূমিকা রেখেছেন।”

এবারের ওয়াও বাংলাদেশের অনুদান বিজয়ীরা তাদের প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে নারীবাদি অভিব্যক্তির নতুন রূপরেখা তৈরি করছেন। অনুদানপ্রাপ্ত ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টার প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ‘সাধনা’ ও ‘নৃত্যশিল্পী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ,’ যারা নারীবাদি সাহিত্যকে নাটকের মঞ্চে তুলে ধরবে। অন্যদিকে ‘কোটেক’ -এর ইকোফেমিনিস্ট উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নের সাথে জলবায়ু সহনশীলতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোগ নিয়ে কাজ করবে। আর বান্দরবানের তরুণদের নিয়ে সৃজনশীল নৃতাত্ত্বিক উৎসব পরিচালনা করছে ‘গ্রীন মিলিউ।’

‘ওয়াও বাংলাদেশ কমিশনস’ বিভাগে ‘সোয়িং সিডস’ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ের সমাধান নিয়ে কাজ করবেন অ্যালেশা চৌধুরী। এছাড়াও, পরীক্ষামূলক নাটক এবং মাল্টিমিডিয়া আর্ট ইনস্টলেশনের মাধ্যমে লিঙ্গ, সমাজ ও আত্মপরিচয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবে ‘স্পর্ধা ইন্ডিপেন্ডেন্ট থিয়েটার কালেকটিভ,’ ‘হারস্টোরি ফাউন্ডেশন,’ এবং পলাশ ভট্টাচার্য্য ও সায়কা শবনম চৌধুরী । জেনিফার রিড তার ‘দ্য উইমেন’স বায়োস্কোপ’ প্রকল্পের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী বায়োস্কোপকে বাস্তুচ্যুত নারীদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার একটি মাধ্যম হিসেবে নতুনভাবে উপস্থাপন করবেন। পাশাপাশি, ‘নিনাদ’ তুলে ধরবে কীভাবে হয়রানি এবং নীরবতা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনকে প্রভাবিত করে। তারা নারী
সাক্ষ্য ও পুরুষের বিশ্লেষণধর্মী ভাবনার মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা নিয়ে ঘাটতিগুলো সবার সামনে তুলে ধরবেন।

পাশাপাশি, মহাকাশ বিজ্ঞানে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে আট মাসব্যাপী একটি কর্মসূচি পরিচালনা করবে

Press
Release

সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাং লাদেশ; যেখানে থাকবে নারীদের নেতৃত্বে নিরাপদ ‘মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প।’ এছাড়াও, সবার জন্য সমান সুযোগসম্পন্ন নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবেন সায়কা ইকবাল মেঘনা ও শুভ্র শোভন চৌধুরী  ।

এর পাশাপাশি, নিজ কিউরেটোরিয়াল প্রকল্পের মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যবস্থায় বদলে যাওয়া আত্মপরিচয়ের রূপগুলো পরীক্ষা করবেন শার্মিলি রহমান  । একসাথে এই কাজগুলো ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নারীবাদী সৃজনশীলতার প্রয়োজনীয়তা এবং সমাজ পরিবর্তনের এক অপার সম্ভাবনাকে তুলে ধরবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» সরকারকে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজতে হবে: জামায়াত আমির

» মুক্তিযুদ্ধের নামে আ.লীগকে পুনর্বাসন করা যাবে না: নাহিদ ইসলাম

» উত্তরায় অসহায়দের জন্য জামায়াতের ‘ইচ্ছেপূরণ’ কর্মসূচি

» জুলুমতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে বদরযুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস: চরমোনাই পীর

» মাটির নিচ থেকে পানির ট্যাঙ্কি ভর্তি ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

» ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

» আলেম-ওলামা ও এতিমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার

» যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

» ছুটির দিনেও কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেন প্রধানমন্ত্রী

» যারা নির্ধারিত সময়ে দায়িত্ব পালন করবে না, তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ব্রিটিশ কাউন্সিলের উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড গ্র্যান্ট বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

[ঢাকা, ০৭ মার্চ, ২০২৬] নারী সমতা ও সামাজিক পরিবর্তনে শিল্পকলার ভূমিকা তুলে ধরতে উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (ওয়াও) বাংলাদেশ ২০২৫-২৬’ এর আওতায় ১৩টি অনুদান প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। এ অনুদানের মাধ্যমে দেশে আঞ্চলিক পর্যায়ে তিনটি ওয়াও চ্যাপ্টারের প্রকল্প ও দশটি শিল্পীদের দ্বারা পরিচালিত প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রকল্পগুলো মূলত লিঙ্গ সমতা, জলবায়ু ন্যায়বিচার, প্রযুক্তি ও ঐতিহ্যসহ অন্যান্য সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করবে।

বৈশ্বিক ধারা হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে লৈঙ্গিক সমতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে ‘উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ (ওয়াও)। ২০১৭ সালে বাংলাদেশে বিভাগীয় পর্যায়ে যাত্রা শুরুর পরে ২০১৯ সালে ঢাকায় আয়োজন করা হয় ‘ওয়াও’ জাতীয় উৎসব। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জুড কেলির হাত ধরে যুক্তরাজ্যে এই উৎসবের সূচনা হয়েছিল। এবং, ২০১৬ সাল থেকে ব্রিটিশ কাউন্সিল ‘ওয়াও ফাউন্ডেশন’ -এর সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে লৈঙ্গিক সমতা, নারীর সক্ষমতা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি।

উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড- এর ২০২৫-২৬ পর্যায়ের জন্য জন্য বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থিত শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবনার জন্যে দু’টি ‘ওপেন কল’ আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়ার পর ১৩টি উদ্ভাবনী প্রকল্পকে এই অনুদান প্রদান করা হয়, যা বছরজুড়ে বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য হলো সমকালীন সমাজ ও স্থানীয় বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে লিঙ্গ সংশ্লিষ্ট আলোচনাকে অর্থবহভাবে উপস্থাপন করা।

প্রকল্পটি নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন “এই বছরের
সকল ‘ওয়াও’ গ্র্যান্ট বিজয়ীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। শিল্প, সংস্কৃতি ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্ভাবন কীভাবে লৈঙ্গিক সমতা, জলবায়ু ন্যায়বিচার ও আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে অনুপ্রাণিত করে, তা তারা মেধা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। ওয়াও ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত হয়ে আমরা এই সকল শিল্পীদের ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। তারা প্রচলিত ধারাকে চ্যালেঞ্জ করছেন, প্রতিনিধিহীন মানুষদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরছেন এবং বাংলাদেশের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাপূর্ণ ভবিষ্যতের পথ সুগম করে তুলতে ভূমিকা রেখেছেন।”

এবারের ওয়াও বাংলাদেশের অনুদান বিজয়ীরা তাদের প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে নারীবাদি অভিব্যক্তির নতুন রূপরেখা তৈরি করছেন। অনুদানপ্রাপ্ত ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টার প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ‘সাধনা’ ও ‘নৃত্যশিল্পী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ,’ যারা নারীবাদি সাহিত্যকে নাটকের মঞ্চে তুলে ধরবে। অন্যদিকে ‘কোটেক’ -এর ইকোফেমিনিস্ট উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নের সাথে জলবায়ু সহনশীলতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোগ নিয়ে কাজ করবে। আর বান্দরবানের তরুণদের নিয়ে সৃজনশীল নৃতাত্ত্বিক উৎসব পরিচালনা করছে ‘গ্রীন মিলিউ।’

‘ওয়াও বাংলাদেশ কমিশনস’ বিভাগে ‘সোয়িং সিডস’ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ের সমাধান নিয়ে কাজ করবেন অ্যালেশা চৌধুরী। এছাড়াও, পরীক্ষামূলক নাটক এবং মাল্টিমিডিয়া আর্ট ইনস্টলেশনের মাধ্যমে লিঙ্গ, সমাজ ও আত্মপরিচয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবে ‘স্পর্ধা ইন্ডিপেন্ডেন্ট থিয়েটার কালেকটিভ,’ ‘হারস্টোরি ফাউন্ডেশন,’ এবং পলাশ ভট্টাচার্য্য ও সায়কা শবনম চৌধুরী । জেনিফার রিড তার ‘দ্য উইমেন’স বায়োস্কোপ’ প্রকল্পের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী বায়োস্কোপকে বাস্তুচ্যুত নারীদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার একটি মাধ্যম হিসেবে নতুনভাবে উপস্থাপন করবেন। পাশাপাশি, ‘নিনাদ’ তুলে ধরবে কীভাবে হয়রানি এবং নীরবতা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনকে প্রভাবিত করে। তারা নারী
সাক্ষ্য ও পুরুষের বিশ্লেষণধর্মী ভাবনার মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা নিয়ে ঘাটতিগুলো সবার সামনে তুলে ধরবেন।

পাশাপাশি, মহাকাশ বিজ্ঞানে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে আট মাসব্যাপী একটি কর্মসূচি পরিচালনা করবে

Press
Release

সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাং লাদেশ; যেখানে থাকবে নারীদের নেতৃত্বে নিরাপদ ‘মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প।’ এছাড়াও, সবার জন্য সমান সুযোগসম্পন্ন নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবেন সায়কা ইকবাল মেঘনা ও শুভ্র শোভন চৌধুরী  ।

এর পাশাপাশি, নিজ কিউরেটোরিয়াল প্রকল্পের মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যবস্থায় বদলে যাওয়া আত্মপরিচয়ের রূপগুলো পরীক্ষা করবেন শার্মিলি রহমান  । একসাথে এই কাজগুলো ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নারীবাদী সৃজনশীলতার প্রয়োজনীয়তা এবং সমাজ পরিবর্তনের এক অপার সম্ভাবনাকে তুলে ধরবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com