ইরানের বিরুদ্ধে একাট্টা হচ্ছে সৌদিসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে একাট্টা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কাতার এবং কুয়েত। গতকাল এই ছয় দেশের জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) বৈঠকে এর আভাস পাওয়া গেছে।

গতকাল ১ মার্চ জিসিসি জোটের দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে অনলাইন বৈঠক হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ বিন রাশিদ আল জায়ানি। বৈঠকে যোগ দেয় মধ্যপ্রাচ্যের অপর দেশ জর্ডানও। যদিও জর্ডান জিসিসির সদস্য নয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মধ্যে দিয়ে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের প্রথম ও দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ২৮টি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের সেনাবাহিনী। এসব ঘাঁটির বেশিরভাগই উপসাগরীয় অঞ্চলের এই ছয় দেশে অবস্থিত। ইরানের হামলায় এই দেশগুলোতে কয়েকজন নিহত এবং আহতও হয়েছেন।

গতকালের বৈঠকে জিসিসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, সামরিক স্থাপনা ও সেনাদের পাশাপাশি বেসামরিক বিভিন্ন স্থাপনা এবং লোকজনও ইরানের হামলার শিকার হয়েছেন এবং এসব হামলার মাধ্যমে তেহরান জিসিসি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন, এবং ভালো প্রতিবেশীসুলভ নীতির গুরুতর লঙ্ঘন করেছে।

বৈঠকে জিসিসি জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পরস্পরের প্রতি সংহতি জানান এবং এসব হামলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে একমত হন। প্রসঙ্গত, জিসিসি সনদ এবং যৌধ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে জিসিসির কোনো সদস্যরাষ্ট্র যদি হামলার শিকার হয়— তাহলে তা পুরো জিসিসির ওপর হামলা বলে বিবেচনা করা হবে এবং সেক্ষেত্রে হামলাকারীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে জিসিসি।

রবিবারের বৈঠকে উপসাগরীয় অঞ্চলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই মর্মে একমত হন যে ভবিষ্যতে ইরান থেকে এমন আগ্রাসী হামলা অব্যাহত থাকলে জিসিসির সনদ ও যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে এই ৬ সদস্যরাষ্ট্র। সূত্র : আরব নিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» আগামী ছয় মাসে কী করবো জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

» ঢাবিতে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপন

» শাহজালালে তিন দিনে ১০২ ফ্লাইট বাতিল

» হত্যা মামলার চার আসামি গ্রেফতার

» শিল্প বর্জ্য দূর করতে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

» নবনির্বাচিত সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» জাতীয় পতাকা জাতির পরিচয় ও ঐক্যের প্রতীক: ঢাবি উপাচার্য

» ৬ মাসের মধ্যে নারীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস নামাবে সরকার

» নোয়াখালীতে স্বল্পমূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু

» সৌদির আরামকো তেল শোধানাগারে হামলা, কার্যক্রম স্থগিত

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ইরানের বিরুদ্ধে একাট্টা হচ্ছে সৌদিসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে একাট্টা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কাতার এবং কুয়েত। গতকাল এই ছয় দেশের জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) বৈঠকে এর আভাস পাওয়া গেছে।

গতকাল ১ মার্চ জিসিসি জোটের দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে অনলাইন বৈঠক হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ বিন রাশিদ আল জায়ানি। বৈঠকে যোগ দেয় মধ্যপ্রাচ্যের অপর দেশ জর্ডানও। যদিও জর্ডান জিসিসির সদস্য নয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মধ্যে দিয়ে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের প্রথম ও দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ২৮টি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের সেনাবাহিনী। এসব ঘাঁটির বেশিরভাগই উপসাগরীয় অঞ্চলের এই ছয় দেশে অবস্থিত। ইরানের হামলায় এই দেশগুলোতে কয়েকজন নিহত এবং আহতও হয়েছেন।

গতকালের বৈঠকে জিসিসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, সামরিক স্থাপনা ও সেনাদের পাশাপাশি বেসামরিক বিভিন্ন স্থাপনা এবং লোকজনও ইরানের হামলার শিকার হয়েছেন এবং এসব হামলার মাধ্যমে তেহরান জিসিসি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন, এবং ভালো প্রতিবেশীসুলভ নীতির গুরুতর লঙ্ঘন করেছে।

বৈঠকে জিসিসি জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পরস্পরের প্রতি সংহতি জানান এবং এসব হামলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে একমত হন। প্রসঙ্গত, জিসিসি সনদ এবং যৌধ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে জিসিসির কোনো সদস্যরাষ্ট্র যদি হামলার শিকার হয়— তাহলে তা পুরো জিসিসির ওপর হামলা বলে বিবেচনা করা হবে এবং সেক্ষেত্রে হামলাকারীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে জিসিসি।

রবিবারের বৈঠকে উপসাগরীয় অঞ্চলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই মর্মে একমত হন যে ভবিষ্যতে ইরান থেকে এমন আগ্রাসী হামলা অব্যাহত থাকলে জিসিসির সনদ ও যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে এই ৬ সদস্যরাষ্ট্র। সূত্র : আরব নিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

Design & Developed BY ThemesBazar.Com