অপরাধ করলে বিচার করেন, জামিন দিচ্ছেন না কেন?- খালেদ মুহিউদ্দীন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক ঠিকানার সিইও সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, ‘কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হোক কিন্তু বছরের পর বছর জামিন না দিয়ে খুনের মামলায় আসামি করে রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। কারো বিরুদ্ধে অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে বিচার করুন। কিন্তু দুই বছর ধরে জামিন না দিয়ে খুনের মামলার আসামি বানিয়ে রাখা এটা কী ধরনের ন্যায়বিচার?’

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘উচিত কথা’য় খালেদ মুহিউদ্দীন এসব কথা বলেছেন।

খালেদ মুহিউদ্দীন উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার আমলে প্রেস কনফারেন্সে এমন অনেকেই যেতেন, যারা প্রশ্ন করার বদলে প্রশংসা করতেন।

তার মতে, কেউ যদি তখন প্রশংসা করে থাকেন বা সুবিধা নিয়ে থাকেন, সেটার আলাদা বিচার হতে পারে। কিন্তু তাই বলে তাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দেওয়া যায়?
ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সরকারের সময়ের প্রসঙ্গ টেনে খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, আমি তাদের মুক্তি চাই— মানে এই যে, অভিযোগ থাকলে বিচার করুন। কিন্তু বছরের পর বছর জামিন না দিয়ে খুনের আসামি করে রাখা অন্যায়।’

তিনি আরো বলেছেন, কারো বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অপরাধ থাকলে তার দায় নির্ধারণ করতে হবে।

যদি শেখ হাসিনা কোনো হত্যার নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেটি তার ব্যক্তিগত অপরাধ। সাংবাদিকরা শুধু প্রশংসা করেছেন এই অভিযোগে তাদের জেলে রাখা কি ন্যায্য?
খালেদ মুহিউদ্দীন অভিযোগ করেন, অনেকেই বছরের পর বছর কারাগারে আছেন, জামিন পাচ্ছেন না। অন্তর্বর্তী সরকারকে একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও এ বিষয়ে পরিবর্তন আসেনি। বর্তমান সরকারের প্রতিও তিনি আহ্বান জানাচ্ছি- মামলার পর মামলা দিয়ে আটকে রাখার কৌশল বন্ধ করুন।

আমরা ন্যায়বিচার আশা করি।’
খালেদ মুহিউদ্দীন আরো বলেছেন, ড. ইউনূস একসময় বলেছিলেন মন খুলে সমালোচনা করতে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সেই সমালোচনার পরিণতি কী? আনিস আলমগীর এখনো জেলে কেন? এর জবাব তো কাউকে দিতে হবে।

নিজের অবস্থান নিয়ে খালেদ মহিউদ্দিন বলেছেন, গত সতেরো মাস আমি নাকি ড. ইউনূসের সমালোচনা করেননি এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আমি সমালোচনা শুরু করেছি তখন থেকেই, যখন দেখেছি সমালোচনার মতো কাজ হচ্ছে অর্থাৎ তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্য থেকেই।

এ জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। নিউ ইয়র্কে অন্তত দুটি পত্রিকায় আমাকে বর্জনের আহ্বান জানিয়ে লিড স্টোরি হয়েছে।
তিনি আরো বলেছেন, আমি শুধু বলেছিলাম নোবেল শান্তি পুরস্কার আর শান্তি এক জিনিস নয়। আর ড. ইউনূসের কাছেও কোনো জাদুর কাঠি নেই যে তিনি এক দিনে সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবেন।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» যতই থাক আঘাত ,সময়ের প্রতিঘাত

» খামেনি হত্যা ও ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বার্তা ‘অত্যন্ত নতজানু’: নাহিদ ইসলাম

» আমরা মানবদরদী সমাজ গড়তে চাই: জামায়াত আমির

» মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

» ‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখের বড় চমক

» ইসরায়েলি হামলায় মারা গেছেন খামেনির স্ত্রীও: ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম

» জাতীয় সংসদের হুইপ হলেন যারা

» প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব হলেন নাজমুল হক

» চাঁদাবাজি-ছিনতাই বন্ধে পুলিশকে কঠোর হতে বললেন আইজিপি

» প্রধানমন্ত্রীর ৩ উপ-প্রেস সচিব নিয়োগ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

অপরাধ করলে বিচার করেন, জামিন দিচ্ছেন না কেন?- খালেদ মুহিউদ্দীন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক ঠিকানার সিইও সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, ‘কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হোক কিন্তু বছরের পর বছর জামিন না দিয়ে খুনের মামলায় আসামি করে রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। কারো বিরুদ্ধে অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে বিচার করুন। কিন্তু দুই বছর ধরে জামিন না দিয়ে খুনের মামলার আসামি বানিয়ে রাখা এটা কী ধরনের ন্যায়বিচার?’

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘উচিত কথা’য় খালেদ মুহিউদ্দীন এসব কথা বলেছেন।

খালেদ মুহিউদ্দীন উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার আমলে প্রেস কনফারেন্সে এমন অনেকেই যেতেন, যারা প্রশ্ন করার বদলে প্রশংসা করতেন।

তার মতে, কেউ যদি তখন প্রশংসা করে থাকেন বা সুবিধা নিয়ে থাকেন, সেটার আলাদা বিচার হতে পারে। কিন্তু তাই বলে তাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দেওয়া যায়?
ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সরকারের সময়ের প্রসঙ্গ টেনে খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, আমি তাদের মুক্তি চাই— মানে এই যে, অভিযোগ থাকলে বিচার করুন। কিন্তু বছরের পর বছর জামিন না দিয়ে খুনের আসামি করে রাখা অন্যায়।’

তিনি আরো বলেছেন, কারো বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অপরাধ থাকলে তার দায় নির্ধারণ করতে হবে।

যদি শেখ হাসিনা কোনো হত্যার নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেটি তার ব্যক্তিগত অপরাধ। সাংবাদিকরা শুধু প্রশংসা করেছেন এই অভিযোগে তাদের জেলে রাখা কি ন্যায্য?
খালেদ মুহিউদ্দীন অভিযোগ করেন, অনেকেই বছরের পর বছর কারাগারে আছেন, জামিন পাচ্ছেন না। অন্তর্বর্তী সরকারকে একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও এ বিষয়ে পরিবর্তন আসেনি। বর্তমান সরকারের প্রতিও তিনি আহ্বান জানাচ্ছি- মামলার পর মামলা দিয়ে আটকে রাখার কৌশল বন্ধ করুন।

আমরা ন্যায়বিচার আশা করি।’
খালেদ মুহিউদ্দীন আরো বলেছেন, ড. ইউনূস একসময় বলেছিলেন মন খুলে সমালোচনা করতে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সেই সমালোচনার পরিণতি কী? আনিস আলমগীর এখনো জেলে কেন? এর জবাব তো কাউকে দিতে হবে।

নিজের অবস্থান নিয়ে খালেদ মহিউদ্দিন বলেছেন, গত সতেরো মাস আমি নাকি ড. ইউনূসের সমালোচনা করেননি এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আমি সমালোচনা শুরু করেছি তখন থেকেই, যখন দেখেছি সমালোচনার মতো কাজ হচ্ছে অর্থাৎ তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্য থেকেই।

এ জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। নিউ ইয়র্কে অন্তত দুটি পত্রিকায় আমাকে বর্জনের আহ্বান জানিয়ে লিড স্টোরি হয়েছে।
তিনি আরো বলেছেন, আমি শুধু বলেছিলাম নোবেল শান্তি পুরস্কার আর শান্তি এক জিনিস নয়। আর ড. ইউনূসের কাছেও কোনো জাদুর কাঠি নেই যে তিনি এক দিনে সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবেন।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

Design & Developed BY ThemesBazar.Com