ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ইফতারের অপরিহার্য পণ্যগুলোর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। প্রতিটি এখন ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে লেবু, বেগুন ও শসা– সবকিছুর দামই এখন শতকের ঘর ছাড়িয়েছে। তবে কাঁচামরিচের দামে দিশেহারা ক্রেতারা। প্রতি কেজি ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি, রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট ঘুরে বাজারের এই চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে গিয়ে দেখা যায়, শীতকালীন সবজির অভাব নেই। আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, দেশি টমেটো ও গাজর কিছুটা কম দামে বিক্রি হলেও রমজানকেন্দ্রিক সবজিগুলোর দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। বাজারে বড় আকারের লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, আর ছোট লেবু মিলছে ১০০ টাকায়। গোল বেগুনের কেজি ১৬০ টাকা এবং লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে। প্রতি কেজি শসা ১২০ টাকা এবং খিরা ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচামরিচ ২২০ টাকা কেজি হলেও কাঁচা-পাকা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের প্রভাবে ইফতারের আইটেমগুলোর দাম কিছুটা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলেই তাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে দাম কমে আসবে বলে আশা করছেন তারা।
বাজারে মানভেদে ফুলকপি প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, লতি ৮০ টাকা এবং ধুন্দুল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ টাকা, শিম ৭০-৮০ টাকা এবং শালগম ৪০-৫০ টাকায় মিলছে। লাউ প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা কেজি এবং ধনেপাতা ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি কিনতে আসা জুলফিকার বলেন, ‘ইফতারের প্রয়োজনীয় বেগুন, শসা ও লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। নিত্যদিনের এসব সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপ তৈরি করছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে মধ্যবিত্তের পক্ষে খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।’
সবজি বিক্রেতা রহমান গাজী বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সবজির দাম কিছুটা কম আছে। দু-তিনটা আইটেমের দাম বেশি। রোজার প্রথম তো, ৩-৪ দিন গেলেই কমে যাবে। সিজনাল সবজির কিন্তু দাম কম।’








