দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাত বছরের কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত বৃহস্পতিবার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশকে সামরিক আইনের আওতায় আনার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ভূমিকা রাখার জন্য সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৬১ বছর বয়সী লিকে পুলিশ এবং দমকল সংস্থাগুলোকে মিডিয়া আউটলেটগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে বিদ্রোহে অংশ নেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিচারক বলেন, ইউনের অভিশংসন কার্যক্রমের সময় তিনি এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছিলেন বলে অস্বীকার করে তিনি মিথ্যা শপথও করেছেন।

বিচারক রিউ কিউং-জিন বলেছেন, ‘সরকারের সমালোচক গণমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ জনসাধারণের বিদ্রোহবিরোধী মনোভাবকে দুর্বল করে দেয়, ফলে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা আরও সহজ হয়ে পড়ে।’
বিশেষ প্রসিকিউটররা গত মাসে লির বিরুদ্ধে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্রোহকে কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুমোদন করার পর থেকে গত আগস্ট মাস থেকে তিনি হেফাজতে রয়েছেন।

এর আগে জানুয়ারিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সামরিক আইন ঘোষণায় ভূমিকা রাখার অভিযোগে দণ্ডিত ইউনের মন্ত্রিসভার তিনি দ্বিতীয় সদস্য।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারি করেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক–ইওল। বলা হয়, এর মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের সংকটের মুখে ঠেলে দেন ইউন।

তবে তীব্র প্রতিবাদের মুখে সামরিক আইন জারির মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন তিনি।
এ ঘটনার জেরে ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয় এবং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরের বছর ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীকে দিয়ে গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করেন ইউন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। সূত্র : রয়টার্স

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ বাতিল বা পরে উত্থাপনের প্রস্তাবে আমরা মর্মাহত: আখতার হোসেন

» সালাহউদ্দিন ভাই মনে হয় ভালো ছাত্র ছিলেন না: শিশির মনির

» স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিথ্যাকে সত্য হিসেবে চমৎকার পরিবেশন করতে পারেন: বিরোধীদলীয় নেতা

» ইলিয়াস আলীর ‘হত্যাকাণ্ড’ আনপানিস্টড যাবে না: স্পিকার

» পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, গাড়ির সারি মন্ত্রী কি দেখতে পাচ্ছেন না? সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন

» হজ ফ্লাইট শুরু ১৮ এপ্রিল: ধর্মমন্ত্রী

» সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক

» প্রধানমন্ত্রীর আরও দুই বিশেষ সহকারী নিয়োগ

» অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশের প্রতিবেদন সংসদে, বাতিল হচ্ছে ১৬টি

» আমির হামজার দিকে ইঙ্গিত করে সংসদে রুমিন ফারহানার ক্ষোভ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাত বছরের কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত বৃহস্পতিবার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশকে সামরিক আইনের আওতায় আনার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ভূমিকা রাখার জন্য সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৬১ বছর বয়সী লিকে পুলিশ এবং দমকল সংস্থাগুলোকে মিডিয়া আউটলেটগুলিতে বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে বিদ্রোহে অংশ নেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিচারক বলেন, ইউনের অভিশংসন কার্যক্রমের সময় তিনি এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছিলেন বলে অস্বীকার করে তিনি মিথ্যা শপথও করেছেন।

বিচারক রিউ কিউং-জিন বলেছেন, ‘সরকারের সমালোচক গণমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ জনসাধারণের বিদ্রোহবিরোধী মনোভাবকে দুর্বল করে দেয়, ফলে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা আরও সহজ হয়ে পড়ে।’
বিশেষ প্রসিকিউটররা গত মাসে লির বিরুদ্ধে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্রোহকে কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুমোদন করার পর থেকে গত আগস্ট মাস থেকে তিনি হেফাজতে রয়েছেন।

এর আগে জানুয়ারিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সামরিক আইন ঘোষণায় ভূমিকা রাখার অভিযোগে দণ্ডিত ইউনের মন্ত্রিসভার তিনি দ্বিতীয় সদস্য।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারি করেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক–ইওল। বলা হয়, এর মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের সংকটের মুখে ঠেলে দেন ইউন।

তবে তীব্র প্রতিবাদের মুখে সামরিক আইন জারির মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন তিনি।
এ ঘটনার জেরে ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয় এবং প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরের বছর ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীকে দিয়ে গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করেন ইউন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। সূত্র : রয়টার্স

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com