ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক : কুড়িগ্রামে পৃথক দুইটি অভিযানে মাদকসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৩ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জানায়, জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শুকুরটারী গ্রামের জনৈক আব্দুল মজিদ উদ্দিনের বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আটক আসামি পালানোর চেষ্টা করলে তার হাতে থাকা বস্তা তল্লাশি করে বস্তার ভেতর থেকে ৫ কেজি ১ গ্রাম অবৈধ গাঁজা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিনকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়। তিনি নাগেশ্বরী উপজেলার দক্ষিণ রামখানা শুকুরটারী এলাকার আব্দুল মজিদ উদ্দিনের পুত্র।
এছাড়া অপর আরেকটি অভিযানে শুক্রবার র্যাব-১৩, রংপুরের একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার ফুলবাড়ী থানার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নন্দিরকুঠি গ্রামের জুমারপাড় বাজারে ফুলবাড়ী-নাগেশ্বরীগামী সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। চেকপোস্টে আসামিদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকি ও সিটের নিচে বিশেষ কায়দায় রাখা ৯৯ বোতল অবৈধ ফেয়ারডিল উদ্ধার করা হয় এবং পরিবহন কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়। এসময় র্যাব তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- লালমনিরহাট জেলার খনিয়া গাছ এলাকার মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে শুভ মিয়া (২১), নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা দিঘিরপাড় এলাকার মৃত নজরুল শেখের ছেলে আলমগীর (৩৫) এবং লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার কালমাটি এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে রমজান আলী (১৯)।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারকৃত আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে নানাবিধ নতুন ও অভিনব কৌশলে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরপূর্বক জব্দকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাব-১৩ রংপুরের সিনিয়র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।








