ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘ভারত এখনো একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের সঙ্গে কিভাবে সম্পর্ক গড়তে হয়, তা পুরোপুরি শিখতে পারেনি। বরং তারা চায় এই সাবকন্টিনেন্টে সবাই তার কলোনি হয়ে থাকুক। আইসিসি বাংলাদেশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল—ভারতেই বিশ্বকাপ খেলতে যেতে হবে, কোনো বিকল্প ভেন্যু দেওয়া হবে না। আইসিসির অবস্থান ছিল, বাংলাদেশ রাজি না হলে তাদের জায়গায় অন্য দল, সম্ভবত স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হবে।’
নিজের ইউটিউব চ্যানেল জাহেদস টেইক-এ এসে এ বিষয়ে তিনি কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি ধারণা করি বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত রাজি হবে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিষয়টি কেবল ক্রিকেট বা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার প্রশ্ন নয়; এটি মূলত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গভীর সংকট এবং সেই সম্পর্কের পুনর্বিন্যাসের বিষয়।’
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতনের পর ভারতের উচিত ছিল বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস করা, নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা।
কিন্তু তার বদলে ভারত ভিসা বন্ধ, আগ্রাসী বক্তব্য ও নানা চাপমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এমনকি শেখ হাসিনাকেও উসকে দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের এই পুনর্বিন্যাসকে সার্জারির সঙ্গে তুলনা করা যায়। সার্জারির পর কিছুদিন কষ্ট হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আরোগ্য বয়ে আনে।
এই সময়টা বাংলাদেশকে কিছুটা কষ্ট সহ্য করতে হতে পারে। তবে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার শক্ত থাকলে এবং জনগণ যদি সরকারকে সমর্থন করে তবে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।’








