ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমরা যখন এই উদ্যোগ পোস্টাল ব্যালটের নেই, তখন জানতাম এর মধ্যে বহু ঝামেলা ও চ্যালেঞ্জ আসবে। আমরা একটা অজানা এরিয়াতে ঢুকে পড়েছিলাম। কিন্তু, আমাদের শপথ ছিল এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে রাজনৈতিক দলগুলোকে পোস্টাল ভোটিং সিস্টেম নিয়ে বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, বিশ্বের ১২২টি দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা সফল হলে বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। এর আগে দেশে এই ধরণের সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ কেউ নেয়নি। অনেক উন্নত দেশও যা পারেনি, বাংলাদেশ তা করে দেখাচ্ছে।
তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে বারোটা বাজায়ে দিতো। এই ইনিশিয়েটিভে আপনারা আছেন বলেই আপনাদের কাছ থেকে মানুষ সঠিক তথ্যটা পায়। কিন্তু, আমরা এই প্রক্রিয়াটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছি। যে কোনও একটা নতুন উদ্যোগে কিছু হয়তোবা ভুল ত্রুটি হতে পারে, মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং হতে পারে। আমি ভুল হয়েছে বলব না অনেক সময় আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা ক্লিয়ার হয়ে গেলে, কনফিউশনটা ক্লিয়ার হয়ে গেলে দেখবেন যে এখানে আসলে কোনও অন্যকোনো মোটিভ কাজ করেনি।
নাসির উদ্দিন বলেন, বিদেশি কূটনীতিকরা যখন আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন, তারা বলেন যদি বাংলাদেশ এই পোস্টাল ব্যালট সফল করতে পারে, তবে তা বিশ্ব ইতিহাসে স্থান পাবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোও এভাবে সফল হতে পারেনি। প্রথম বছর হিসেবে আমরা এখন পর্যন্ত যা করেছি, তা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে আছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে প্রথমবারের মতো প্রবাসে থাকা ভোটার ও ভোটের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে আগামী ২১ জানুয়ারির পর থেকে ভোট দেবেন নিবন্ধিত ভোটাররা।








