আবু মুসা মোহন বিশেষ প্রতিনিধি:- খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে কর্মরত অর্থোপেডিক ও ট্রমা বিভাগের চিকিৎসক ডা. নয়ন ময় ত্রিপুরা অল্প সময়েই রোগীদের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সরকারি হাসপাতালের সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও অতিরিক্ত রোগীর চাপের মধ্যেও মানবিক আচরণ, সহজ ভাষায় রোগ ব্যাখ্যা এবং দায়িত্বশীল চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে তিনি স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন।
রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ডা. নয়ন ময় ত্রিপুরা রোগীর সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজনভিত্তিক চিকিৎসা দেন। বিশেষ করে দুর্ঘটনাজনিত আঘাত, হাঁড় ভাঙা, জোড়া ব্যথা ও ট্রমা রোগীদের চিকিৎসায় তিনি নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খাগড়াছড়ির মতো পার্বত্য ও দুর্গম জেলায় অর্থোপেডিক চিকিৎসাসেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ঘটনা ও পাহাড়ি পথে চলাচলের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় ট্রমা রোগীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি। এ প্রেক্ষাপটে ডা. নয়ন ময় ত্রিপুরার ভূমিকা স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয় এক রোগীর স্বজন বলেন, ডাক্তার সাহেব খুব ধৈর্য ধরে কথা বলেন। আমাদের ভয় দূর করে চিকিৎসা বোঝান। সরকারি হাসপাতালে এমন ব্যবহার কমই দেখা যায়।
চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেও তিনি সচেতন বলে জানান সহকর্মীরা। বিভিন্ন সময় অসহায় রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে থাকেন তিনি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের এমন মানবিক ভূমিকা সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খাগড়াছড়ির মতো প্রত্যন্ত এলাকায় এই ধরনের চিকিৎসকরা স্থানীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার অন্যতম ভরসা হয়ে ওঠেন।
সংক্ষেপে বলা যায়, ডা. নয়ন ময় ত্রিপুরা কেবল একজন চিকিৎসক নন, বরং খাগড়াছড়ির মানুষের কাছে তিনি দায়িত্বশীল ও মানবিক চিকিৎসাসেবার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।








