গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য, এই খাবারে মিলবে সমাধান

ছবি সংগৃহীত

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গর্ভবতী নারীদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সাধারণ বিষয়। কখনো কখনো সাধারণ এই সমস্যাই জটিল আকার ধারণ করে। বর্তমান জীবনযাপনে অন্যতম বড় সমস্যা হলো প্রি-টার্ম ডেলিভারি কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসব হওয়া। এই সমস্যা কাটাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ডায়েট।

চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য এবং প্রি-টার্ম ডেলিভারির সমস্যার ঝুঁকি কমাতে পারে প্রোবায়োটিক। অর্থাৎ এই সমস্যা সমাধানে অন্তঃসত্ত্বাকালীন ডায়েটে দই, ইয়োগার্ট বা প্রোবায়োটিক দুধের মতো খাবার রাখতে হবে।

probiotic

অন্তঃসত্ত্বাদের ডায়েট নিয়ে সচেতন থাকা জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিতে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে, আপনি যা খান, তার উপরই নির্ভর করে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা। বিশেষ করে গর্ভস্থ শিশুর বিকাশের ওপর তার অনেকটাই প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে হবু মায়ের শরীরে পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে শোষিত হওয়ার জন্য পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখা জরুরি।

গর্ভাবস্থায় একজন নারীর শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম আর পরিপাকতন্ত্রের পরিবর্তনও। অন্তঃসত্ত্বাদের হরমোনজনিত পরিবর্তন এবং প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে পরিপাকের হার ধীর হয়ে যায়। ফলে পেট ভরা বা ভারি বোধ হওয়া, পেটফাঁপা, বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

probiotic_1

অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যহীনতার ফলে শরীরে পুষ্টির শোষণ কমে যায়, ফলস্বরূপ দেখা দেয় অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টির ঘাটতি, অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি ও অন্তঃসত্ত্বাকালীন ডায়াবেটিস, যা ভ্রূণের বিকাশের উপর প্রভাব ফেলে।

চিকিৎসকের মতে, পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে এবং অন্ত্রের ব্যক্টেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রোবায়োটিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ঘোল, গেঁজানো বা ফারমেন্টেড খাবার, দই এবং প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট ইত্যাদি হলো প্রোবায়োটিকের সাধারণ উৎস।

probiotics

শরীরে পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে শোষিত হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, অন্তঃসত্ত্বাকালীন জটিলতার ঝুঁকি কমে এবং ভ্রূণের বৃদ্ধিও ভালো হয়। তবে প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে অন্তঃসত্ত্বাদের।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» তারেক রহমানের পজিটিভ রাজনীতি সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে চাই: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

» রাজধানীতে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রস্তুতি, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যান কর্মীরা

» অমিতাভ বচ্চনের মেসেজের জবাব দেন না প্রীতি জিনতা

» যুদ্ধ নয়, দর-কষাকষির ময়দানে ফেরার চেষ্টায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

» বিএনপি সরকারের অধীনে স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসা চলবে না : অর্থমন্ত্রী

» আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ : ইসি সচিব

» ৫০তম বিসিএসের ভাইভা প্রার্থীদের জন্য পিএসসির নতুন নির্দেশনা

» জামালপুরে নসিমনের চাপায় সাইকেল আরোহী নিহত

» প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সুবিধা দিতে পিকেএসএফ-এর সাথে ব্র্যাক ব্যাংকের চুক্তি

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য, এই খাবারে মিলবে সমাধান

ছবি সংগৃহীত

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গর্ভবতী নারীদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সাধারণ বিষয়। কখনো কখনো সাধারণ এই সমস্যাই জটিল আকার ধারণ করে। বর্তমান জীবনযাপনে অন্যতম বড় সমস্যা হলো প্রি-টার্ম ডেলিভারি কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসব হওয়া। এই সমস্যা কাটাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ডায়েট।

চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য এবং প্রি-টার্ম ডেলিভারির সমস্যার ঝুঁকি কমাতে পারে প্রোবায়োটিক। অর্থাৎ এই সমস্যা সমাধানে অন্তঃসত্ত্বাকালীন ডায়েটে দই, ইয়োগার্ট বা প্রোবায়োটিক দুধের মতো খাবার রাখতে হবে।

probiotic

অন্তঃসত্ত্বাদের ডায়েট নিয়ে সচেতন থাকা জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিতে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে, আপনি যা খান, তার উপরই নির্ভর করে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা। বিশেষ করে গর্ভস্থ শিশুর বিকাশের ওপর তার অনেকটাই প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে হবু মায়ের শরীরে পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে শোষিত হওয়ার জন্য পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখা জরুরি।

গর্ভাবস্থায় একজন নারীর শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম আর পরিপাকতন্ত্রের পরিবর্তনও। অন্তঃসত্ত্বাদের হরমোনজনিত পরিবর্তন এবং প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে পরিপাকের হার ধীর হয়ে যায়। ফলে পেট ভরা বা ভারি বোধ হওয়া, পেটফাঁপা, বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

probiotic_1

অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যহীনতার ফলে শরীরে পুষ্টির শোষণ কমে যায়, ফলস্বরূপ দেখা দেয় অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টির ঘাটতি, অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি ও অন্তঃসত্ত্বাকালীন ডায়াবেটিস, যা ভ্রূণের বিকাশের উপর প্রভাব ফেলে।

চিকিৎসকের মতে, পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে এবং অন্ত্রের ব্যক্টেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রোবায়োটিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ঘোল, গেঁজানো বা ফারমেন্টেড খাবার, দই এবং প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট ইত্যাদি হলো প্রোবায়োটিকের সাধারণ উৎস।

probiotics

শরীরে পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে শোষিত হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, অন্তঃসত্ত্বাকালীন জটিলতার ঝুঁকি কমে এবং ভ্রূণের বৃদ্ধিও ভালো হয়। তবে প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে অন্তঃসত্ত্বাদের।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com