ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : জিতলে অনেকটা নিশ্চিত হতো কোয়ার্টার ফাইনাল। ড্র হলেও বেঁচে থাকত আশা। কিন্তু কোনোটাই করতে পারেনি বাংলাদেশ। সিনিয়র এশিয়ান কাপের মতো অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপেও বিদায় নিতে হয়েছে খালি হাতেই। আজ শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে পিটার বাটলারের দল।
ভিয়েতনাম আগের দুই ম্যাচে চীন ও থাইল্যান্ডের কাছে সেভাবে পাত্তা পায়নি। বাংলাদেশের জন্য তাই বেড়ে যায় সম্ভাবনা। থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে সুযোগও এসেছিল মোসাম্মৎ সাগরিকার সামনে। কিন্তু ভিয়েতনামি রক্ষণ চিরে বক্সে ঢুকে পড়া সাগরিকাকে বাধা দেন গোলরক্ষক লি থি থু। তার যান পায়ের শটটি সরাসরি কিপারের গ্লাভসে জমা হলে হতাশ হতে হয় বাংলাদেশকে। এরপর ভিয়েতনাম একের পর এক আক্রমণ করলেও গোলমুখ খুলতে পারেনি প্রথমার্ধে। ১৮ মিনিটে ভিয়েতনামের এনগুয়েন থি কুই এবং ২১ মিনিটে লু হোয়াং ভ্যানের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। বিরতির ঠিক আগে বাংলাদেশের কোচ জোড়া পরিবর্তন আনেন; সুরভি প্রীতি ও নবিরন খাতুনের বদলে মাঠে নামেন মুনকি আক্তার ও স্বপ্না রানী।
বিরতি থেকে ফিরেই আক্রমণের ধার বাড়ায় ভিয়েতনাম। ৪৯ মিনিটে প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে তা থি হং মিনের ফ্রি কিক চেষ্টা করেও তালুবন্দী করতে পারেননি বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিলি আক্তার। তাই সেট পিস পরিস্থিতিকে বক্সের খুব কাছে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন গুয়েন থি থুই লিন। পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
ম্যাচে আরও গোল খেতে পারত বাংলাদেশ, তবে ডিফেন্ডার সুরমা জান্নাত ও গোলরক্ষক মিলি আক্তারের তৎপরতায় ব্যবধান বাড়েনি। সুরমা জান্নাত বেশ কয়েকবার কর্নারের বিনিময়ে ভিয়েতনামের আক্রমণ নসাৎ করেন। ৫৬ মিনিটে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন পূজা দাস। বাংলাদেশের হয়ে সাগরিকা ও উমহেলা মারমা চেষ্টা চালালেও অফসাইডের ফাঁদে পড়ে বারবার তাদের আক্রমণগুলো খেই হারায়।
ম্যাচের শেষ দিকে ভিয়েতনাম ব্যবধান বাড়ানোর মরিয়া চেষ্টা চালায়। কিন্তু বাংলাদেশের রক্ষণভাগ নিপুণভাবে তা সামাল দেয়। বিশেষ করে সুরমা জান্নাত ৬৮ ও ৬৯ মিনিটে পরপর দুটি আক্রমণ রুখে দেন। শেষ পর্যন্ত ফরোয়ার্ডদের গোলখরা ও সৃজনশীলতার অভাবে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।
এর আগে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডের কাছে ৩-২ গোলে ও চীনের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে। তিন ম্যাচে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে তাই ‘এ’ গ্রুপের তলানিতে থেকে বিদায় নিতে হলো।








