ব্যালটের মাধ্যমে লুটপাটের রাজনীতিকে বিদায় জানাতে হবে : মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের মানুষের ভাগ্যে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। শাসকের পরিচয় বদলালেও শোষণ, লুটপাট ও দুর্নীতির রাজনীতি বহাল রয়েছে। সেই রাজনীতির চূড়ান্ত অবসান ঘটাতেই ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য গড়ে উঠেছে। জুলাই বিপ্লবের প্রশ্নে কোনো আপস নয়; ব্যালটের মাধ্যমেই সন্ত্রাস ও লুটপাটের রাজনীতিকে বিদায় জানাতে হবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আমরা কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হইনি। বঞ্চিত, নিপীড়িত ও ভাগ্যাহত ১৮ কোটি মানুষের অধিকার তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই ঐক্য। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর মানুষ বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও জনগণের ভাগ্যে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। শাসকের চেহারা ও ভাষা বদলালেও শোষণের চরিত্র বদলায়নি। মামুনুল হক আরও বলেন, আগে বিদেশি শাসকরা এ দেশ লুট করতো। এখন দেশীয় শাসকরাই জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করছে। যারা বেগমপাড়া গড়ে তুলেছে, তারা দেশের মানুষের সঙ্গে আরও বড় প্রতারণা করেছে। জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। আলিয়া-কওমি মাদরাসা, পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সব বিভেদ ভেঙে তরুণ সমাজ রাজপথে নেমে এসেছিল।

তিনি বলেন, হাজারো মায়ের কোল খালি হয়েছে, দেড় সহস্রাধিক জুলাই যোদ্ধার রক্তে এই মাটি পবিত্র হয়েছে। সেই আত্মত্যাগকে যারা সম্মান জানাতে পারে না, দেশের ভবিষ্যৎ তাদের হাতে নিরাপদ নয়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘ব্যালট বিপ্লব’ আখ্যা দিয়ে মামুনুল হক বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো আপস নয়, কোনো নমনীয়তা নয়। তিনি ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আমি যদি এই আসনের ভোটার হতাম, শাপলা কলি প্রতীকে নাহিদ ইসলামকেই ভোট দিতাম। এটি আপনাদের পবিত্র আমানত। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম। সঞ্চালনা করেন ঢাকা-১১ আসনের নির্বাচন পরিচালক মাওলানা মো. কুতুব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম

» আলোর মশাল

» জাপানে ভোটগ্রহণ চলছে

» আপনার এলাকার নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ-পরামর্শ জানাবেন যে নম্বরে

» অষ্টম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের সময় বেড়েছে

» শিশু পড়ে গেলে কাঁদবে কি না – তা নির্ভর করে আপনার ওপর

» যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি: শুল্ক আরও কমার আশা উপদেষ্টার

» আপনার কি রোজা কাজা আছে? এখনই সময়!

» যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় হাজার রোহিঙ্গা আটক

» যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ককটেল, দা ও লাঠি উদ্ধার

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: ই-মেইল : [email protected],

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ব্যালটের মাধ্যমে লুটপাটের রাজনীতিকে বিদায় জানাতে হবে : মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের মানুষের ভাগ্যে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। শাসকের পরিচয় বদলালেও শোষণ, লুটপাট ও দুর্নীতির রাজনীতি বহাল রয়েছে। সেই রাজনীতির চূড়ান্ত অবসান ঘটাতেই ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য গড়ে উঠেছে। জুলাই বিপ্লবের প্রশ্নে কোনো আপস নয়; ব্যালটের মাধ্যমেই সন্ত্রাস ও লুটপাটের রাজনীতিকে বিদায় জানাতে হবে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আমরা কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হইনি। বঞ্চিত, নিপীড়িত ও ভাগ্যাহত ১৮ কোটি মানুষের অধিকার তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই ঐক্য। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর মানুষ বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও জনগণের ভাগ্যে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। শাসকের চেহারা ও ভাষা বদলালেও শোষণের চরিত্র বদলায়নি। মামুনুল হক আরও বলেন, আগে বিদেশি শাসকরা এ দেশ লুট করতো। এখন দেশীয় শাসকরাই জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করছে। যারা বেগমপাড়া গড়ে তুলেছে, তারা দেশের মানুষের সঙ্গে আরও বড় প্রতারণা করেছে। জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। আলিয়া-কওমি মাদরাসা, পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সব বিভেদ ভেঙে তরুণ সমাজ রাজপথে নেমে এসেছিল।

তিনি বলেন, হাজারো মায়ের কোল খালি হয়েছে, দেড় সহস্রাধিক জুলাই যোদ্ধার রক্তে এই মাটি পবিত্র হয়েছে। সেই আত্মত্যাগকে যারা সম্মান জানাতে পারে না, দেশের ভবিষ্যৎ তাদের হাতে নিরাপদ নয়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘ব্যালট বিপ্লব’ আখ্যা দিয়ে মামুনুল হক বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো আপস নয়, কোনো নমনীয়তা নয়। তিনি ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আমি যদি এই আসনের ভোটার হতাম, শাপলা কলি প্রতীকে নাহিদ ইসলামকেই ভোট দিতাম। এটি আপনাদের পবিত্র আমানত। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম। সঞ্চালনা করেন ঢাকা-১১ আসনের নির্বাচন পরিচালক মাওলানা মো. কুতুব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: ই-মেইল : [email protected],

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com