কোনো পরাশক্তিই দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না : মঈন খান

সংগৃহীত ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রাজনীতি ও গণতন্ত্র মিশে আছে, তাই কোনো শক্তি বা পরাশক্তিই এ দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রয়েছে রাজনীতি, তাদের রক্তে রয়েছে গণতন্ত্র। কাজেই কোনো শক্তি বা পরাশক্তি বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না।

সাবেক এই পরিকল্পনা মন্ত্রী ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনকে ‘সাজানো’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শক্তির সমন্বয়ে সেই নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল। তখন একটি বিশেষ পক্ষ বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল, কিন্তু তারা সফল হয়নি।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণা করে বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, খালেদা জিয়া বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি জনগণের প্রকৃত প্রধানমন্ত্রী। তিনি যতবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, প্রতিটি আসনেই জয়ী হয়েছেন। তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। জনগণের ভালোবাসায় তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী পদ ছেড়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন।

ড. মঈন খান আরও বলেন, যারা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে এবং গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছিল, তাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। গ্রামীণ উন্নয়নের মূল কারিগর হিসেবে খালেদা জিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে তিনি উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছিলেন। তার উন্নয়ন পরিকল্পনা কেবল শহরকেন্দ্রিক ছিল না, বরং তা ছিল গ্রামভিত্তিক।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছিলেন। আমরা বিশ্বাস করি, তার সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষা করবে এবং দেশকে বিশ্বের দরবারে একটি উন্নত ও সম্মানজনক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জাগপা সভাপতি ও জোটের প্রধান সমন্বয়ক খন্দকার লুৎফর রহমান। এ সময় বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জোটের মুখপাত্র এস এম শাহাদাতসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

» বিএনপির সময়ে শেয়ারবাজার লুটের সুযোগ ছিল না, এবারও থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

» জামায়াত অপরাধ স্বীকার না করা পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধ কার্ড’ থাকবে: জাহেদ

» বিশেষ কাউকে সুবিধা দিতেই কি আইনের বয়সসীমা বাতিল: সংসদে আখতারের প্রশ্ন

» নুর সংসদে ভুল বলেছেন, তিনি শুধু গোলের পরিস্থিতি তৈরি করেননি, গোলও করেছেন: রাশেদ খান

» সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমির জামিন

» আবারও গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

» সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৯৩৯৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী

» সাত বিভাগে সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল

» বিজিবির অভিযানে ৭৩১ পিস ভারতীয় কসমেটিক উদ্ধার

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

কোনো পরাশক্তিই দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না : মঈন খান

সংগৃহীত ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রাজনীতি ও গণতন্ত্র মিশে আছে, তাই কোনো শক্তি বা পরাশক্তিই এ দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রয়েছে রাজনীতি, তাদের রক্তে রয়েছে গণতন্ত্র। কাজেই কোনো শক্তি বা পরাশক্তি বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না।

সাবেক এই পরিকল্পনা মন্ত্রী ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনকে ‘সাজানো’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শক্তির সমন্বয়ে সেই নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল। তখন একটি বিশেষ পক্ষ বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল, কিন্তু তারা সফল হয়নি।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণা করে বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, খালেদা জিয়া বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি জনগণের প্রকৃত প্রধানমন্ত্রী। তিনি যতবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, প্রতিটি আসনেই জয়ী হয়েছেন। তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। জনগণের ভালোবাসায় তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী পদ ছেড়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন।

ড. মঈন খান আরও বলেন, যারা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে এবং গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছিল, তাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। গ্রামীণ উন্নয়নের মূল কারিগর হিসেবে খালেদা জিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে তিনি উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছিলেন। তার উন্নয়ন পরিকল্পনা কেবল শহরকেন্দ্রিক ছিল না, বরং তা ছিল গ্রামভিত্তিক।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছিলেন। আমরা বিশ্বাস করি, তার সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষা করবে এবং দেশকে বিশ্বের দরবারে একটি উন্নত ও সম্মানজনক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জাগপা সভাপতি ও জোটের প্রধান সমন্বয়ক খন্দকার লুৎফর রহমান। এ সময় বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জোটের মুখপাত্র এস এম শাহাদাতসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com