দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সুবিধা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে
আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহযোগী প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল এবং বাংলাদেশের
সর্ববৃহৎ টেলিকম অপারেটর গ্রামীনফোন-এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা
স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরই মাধ্যমে গ্রামীণফোনের জিপিষ্টার গ্রাহক এবং কর্মী
আন্তর্জাতিক হাসপাতালসমূহে অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। জিপিষ্টার
গ্রাহকরা ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর এবং দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক
চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ভারতে অবস্থিত মনিপাল
হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় বিশেষ সুবিধাও উপভোগ করতে পারবেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হেড অফ
পার্টনারশিপ, মুনিয়া গনি এবং পার্টনারশিপ ম্যানেজার, মুনমুন খান আরো ছিলেন পার্টনারশিপ
ম্যানেজার, নাসের আহমেদ এবং পার্টনারশিপ ম্যানেজার, খন্দকার হাসান শাহরিয়ার। অন্যদিকে
চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অপারেটিং অফিসার মুনতাসির
মাহমুদ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ তানভির মোরশেদ। ভারতের মনিপাল হাসপাতাল, ব্যাংগালোর-
এর সিনিয়র এক্সেকিউটিভ সোয়াতী আগরওয়াল অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মুনিয়া গনি বলেন, “গ্রামীণফোন সবসময়ই তাদের গ্রাহকদের জন্য সর্বোচ্চ মানের সেবা
নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সুবিধা প্রদান সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি
গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা দেশের সীমানা পেরিয়ে উন্নত চিকিৎসা সেবায় গ্রাহকদের প্রবেশাধিকার
নিশ্চিত করবে।”
চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ তানভির মোরশেদ বলেন,
“চিকিৎসা সেবাকে কখনোই কোন দেশের পরিসীমায় আবদ্ধ রাখা যায় না। আমরা বিশ্বাস করি, এই
সমঝোতা স্মারক ‘কেয়ার বেয়োন্ড বাউন্ডারি’—এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং
আন্তর্জাতিক চিকিৎসাকে মানুষের আরও কাছে নিয়ে আসবে।”
এই চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে সোয়াতী আগরওয়াল আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, "দেশের সীমানা
ছাড়িয়ে বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা সবার হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে কাজ করছে মনিপাল হসপিটালস।
আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তি আর দক্ষ ডাক্তারদের সমন্বয়ে রোগীদের সেবা দিতে চাই, যা রোগিদের
জন্য একাধারে দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং দুশ্চিন্তামুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা হবে।"
আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবাকে জিপি-ষ্টার গ্রাহকদের জন্য আরও সহজলভ্য, কার্যকর এবং
সাশ্রয়ী করে তোলার ক্ষেত্রে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে আশা করা
যায়।








