ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরামর্শ দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত আমেরিকান আর্মি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স্টিভ অ্যান্ডারসন বলেছেন, এই মুহূর্তে ‘বিজয় ঘোষণা’ করে ফিরে আসাই হবে প্রেসিডেন্টের জন্য সবচেয়ে ‘চৌকস’ সিদ্ধান্ত।
সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধটি বর্তমানে আশানুরূপ দিকে যাচ্ছে না এবং এর ফলে ইরানে আরও চরমপন্থী এক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অ্যান্ডারসনের মতে, যদিও ইরানের বেশ কিছু সামরিক স্থাপনা ও সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে, তবে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মোটেও দুর্বল হয়নি, বরং তারা খুব দ্রুত নিজেদের পুনরায় গুছিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রাখে।
এদিকে যুদ্ধের ভয়াবহ ব্যয় নিয়ে পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের দেওয়া এক তথ্যে জানা গেছে, সংঘাতের প্রথম ছয় দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ১১৩০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। যুদ্ধের কারণে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে আছে।
তবে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়লেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, প্রণালিটি ‘চমৎকার অবস্থায়’ রয়েছে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরানের অধিকাংশ নৌযান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের হাতে বর্তমানে সামান্য কিছু ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে।
ট্রাম্পের এমন দাবির বিপরীতে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বৃহস্পতিবার এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে। আইআরজিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, হামলা না থামলে এই পথ দিয়ে ‘এক লিটার তেলও’ তারা যেতে দেবে না।
একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার দাবি জানিয়ে খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, প্রয়োজন হলে ইরানের আঞ্চলিক সামরিক শক্তিকেও এই যুদ্ধে সক্রিয় করা হবে।
সূত্র: দ্য হিল








