এখন দেশজুড়ে বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাব-এর ৪ হাজারেরও বেশি পার্টনার আউটলেট

[ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] নিজেদের অরেঞ্জ ক্লাব লয়্যালটি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে বাংলালিংক। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে ৪ হাজারের বেশি পার্টনারের মাইলফলক অর্জন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় এ উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটরটি। পার্টনার নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির ফলে অরেঞ্জ ক্লাব এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ লাইফস্টাইল সুবিধাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অরেঞ্জ ক্লাবের মত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথাগত মোবাইল সংযোগের বাইরে গিয়ে কোটি গ্রাহকের জন্য বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করছে বাংলালিংক।

বাংলালিংকের অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যরা রিটেইল, স্বাস্থ্যসেবা, ভ্রমণ, ডাইনিং, ইলেকট্রনিকস ও শিক্ষাসহ তাদের জীবনযাত্রার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় ও বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারেন। গ্রাহক সেবায় নিজেদের মূলনীতি ‘ডিও ১৪৪০’ -এর সাথে মিল রেখেই পার্টনার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে বাংলালিংক।

অপারেটরটির লক্ষ্য গ্রাহকদের প্রতিদিনের অর্থাৎ ১,৪৪০ মিনিটের প্রতিটি মুহূর্তে নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করা। ক্রমবর্ধমান পার্টনারদের মাধ্যমে বাংলালিংক গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে ডিজিটাল সেবাকে যুক্ত করেছে; এর ফলে, গ্রাহকেরা যেখানেই থাকুন না কেন, সহজেই অর্থবহ সেবা ও সুবিধা উপভোগ করতে পারছেন।

বাংলালিংকের পার্টনার নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে ওয়ালটন, স্বপ্ন, স্যামসাং ইলেক্ট্রা, যমুনা ইলেকট্রনিকস, বার্জার পেইন্টস, ল্যাবএইড, ব্র্যাক হেলথকেয়ার ও বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের মত শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড। পাশাপাশি, ডোমিনোজ পিৎজা, সায়মান বিচ রিসোর্ট, রামাদা বাই উইন্ডহ্যাম, পাঠাও, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, রকমারি ও শেয়ারট্রিপের মত ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল পার্টনারেরা অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যদের জন্য সুবিধাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

এ বিষয়ে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “আমাদের কাছে
একটি পিপল-ফার্স্ট ব্র্যান্ড হওয়ার মানে হলো—গ্রাহকদের প্রতিদিনের জীবনে বাস্তব ও
ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। সেই বিশ্বাস থেকেই অরেঞ্জ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়েছিলো। নানা
ধরনের ছাড়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের উপর আর্থিক চাপ কমানো এবং বিশেষ অফারের মাধ্যমে
তাদের দৈনন্দিন জীবনে আনন্দের মুহূর্ত তৈরি করাই এর লক্ষ্য। ৪ হাজার অংশীদার
আউটলেটের মাইলফলক আমাদের কাছে শুধু একটি সংখ্যা নয়—এটি আমাদের গ্রাহকদের
জীবনের সঙ্গে আরও যুক্ত থাকার, তাঁদের দৈনন্দিন কেনাকাটা ও সংযোগের প্রতিটি মুহূর্তে
পাশে থাকার আরেকটি ধাপ।”

বাংলালিংকের ক্রমবর্ধমান এ পার্টনার ইকোসিস্টেম, গ্রাহকদের অগ্রাধিকার প্রদানে ও
অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে
বাংলালিংকের লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালী করছে। মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও
অর্থবহ রিওয়ার্ড প্রদান করে বাংলালিংক ডিজিটাল উদ্ভাবনে নেতৃত্বদায়ক অবস্থান বজায়
রাখছে এবং দেশজুড়ে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিসহ গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়
করছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

» সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক, ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে

» আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ

» সদাচরণের চেয়ে উত্তম কোনো আমল আছে কি?

» বাসচাপায় খানকার খাদেম নিহত

» কমেছে সোনার দাম

» আমি বিশ্বাস করি, আমাদের কষ্ট বৃথা যাবে না : আসিফ নজরুল

» কেমন চলছে বাংলাদেশ

» যুবককে কুপিয়ে হত্যা

» ইরানে মার্কিন ক্রু উদ্ধার অভিযানে ইসরায়েলের সহায়তা ছিল: নেতানিয়াহু

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

এখন দেশজুড়ে বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাব-এর ৪ হাজারেরও বেশি পার্টনার আউটলেট

[ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] নিজেদের অরেঞ্জ ক্লাব লয়্যালটি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে বাংলালিংক। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে ৪ হাজারের বেশি পার্টনারের মাইলফলক অর্জন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় এ উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটরটি। পার্টনার নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির ফলে অরেঞ্জ ক্লাব এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ লাইফস্টাইল সুবিধাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অরেঞ্জ ক্লাবের মত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথাগত মোবাইল সংযোগের বাইরে গিয়ে কোটি গ্রাহকের জন্য বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করছে বাংলালিংক।

বাংলালিংকের অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যরা রিটেইল, স্বাস্থ্যসেবা, ভ্রমণ, ডাইনিং, ইলেকট্রনিকস ও শিক্ষাসহ তাদের জীবনযাত্রার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় ও বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারেন। গ্রাহক সেবায় নিজেদের মূলনীতি ‘ডিও ১৪৪০’ -এর সাথে মিল রেখেই পার্টনার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে বাংলালিংক।

অপারেটরটির লক্ষ্য গ্রাহকদের প্রতিদিনের অর্থাৎ ১,৪৪০ মিনিটের প্রতিটি মুহূর্তে নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করা। ক্রমবর্ধমান পার্টনারদের মাধ্যমে বাংলালিংক গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে ডিজিটাল সেবাকে যুক্ত করেছে; এর ফলে, গ্রাহকেরা যেখানেই থাকুন না কেন, সহজেই অর্থবহ সেবা ও সুবিধা উপভোগ করতে পারছেন।

বাংলালিংকের পার্টনার নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে ওয়ালটন, স্বপ্ন, স্যামসাং ইলেক্ট্রা, যমুনা ইলেকট্রনিকস, বার্জার পেইন্টস, ল্যাবএইড, ব্র্যাক হেলথকেয়ার ও বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের মত শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড। পাশাপাশি, ডোমিনোজ পিৎজা, সায়মান বিচ রিসোর্ট, রামাদা বাই উইন্ডহ্যাম, পাঠাও, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, রকমারি ও শেয়ারট্রিপের মত ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল পার্টনারেরা অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যদের জন্য সুবিধাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

এ বিষয়ে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “আমাদের কাছে
একটি পিপল-ফার্স্ট ব্র্যান্ড হওয়ার মানে হলো—গ্রাহকদের প্রতিদিনের জীবনে বাস্তব ও
ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। সেই বিশ্বাস থেকেই অরেঞ্জ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়েছিলো। নানা
ধরনের ছাড়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের উপর আর্থিক চাপ কমানো এবং বিশেষ অফারের মাধ্যমে
তাদের দৈনন্দিন জীবনে আনন্দের মুহূর্ত তৈরি করাই এর লক্ষ্য। ৪ হাজার অংশীদার
আউটলেটের মাইলফলক আমাদের কাছে শুধু একটি সংখ্যা নয়—এটি আমাদের গ্রাহকদের
জীবনের সঙ্গে আরও যুক্ত থাকার, তাঁদের দৈনন্দিন কেনাকাটা ও সংযোগের প্রতিটি মুহূর্তে
পাশে থাকার আরেকটি ধাপ।”

বাংলালিংকের ক্রমবর্ধমান এ পার্টনার ইকোসিস্টেম, গ্রাহকদের অগ্রাধিকার প্রদানে ও
অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে
বাংলালিংকের লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালী করছে। মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও
অর্থবহ রিওয়ার্ড প্রদান করে বাংলালিংক ডিজিটাল উদ্ভাবনে নেতৃত্বদায়ক অবস্থান বজায়
রাখছে এবং দেশজুড়ে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিসহ গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়
করছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com