ঢাকা, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রবি আজিয়াটা পিএলসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জিয়াদ সাতারা।
গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে রবির ভূমিকা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। আলোচনায় উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ রয়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসি-তে। প্রতিষ্ঠানটি সংযোগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় কোষাগারে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব অবদান রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল রূপান্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জানানো হয়, রবি আজিয়াটা পিএলসি প্রতিবছর কর, ভ্যাট, শুল্ক, স্পেকট্রাম ফি ও লাইসেন্স ফিসহ বিভিন্ন খাতে জাতীয় রাজস্ব আয়ে অন্যতম বৃহৎ করদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অবদান রেখে চলেছে, যা দেশের সামগ্রিক আর্থ- সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উল্লেখ্য, রবি আজিয়াটার মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ মালয়েশিয়ার একটি গভর্নমেন্ট-লিঙ্কড কোম্পানি (GLC) এবং এর প্রধান শেয়ারহোল্ডার হলো খাজানা ন্যাশনাল বারহাদ—যা মালয়েশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান।
টেলিযোগাযোগ খাতের পাশাপাশি জনশক্তি রপ্তানি, রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিক্ষা খাতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মোট প্রবাসী শ্রমশক্তির ৩৭ শতাংশেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী, যারা বছরে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে প্রেরণ করছেন।
সাক্ষাৎকালে জিয়াদ সাতারা রবি আজিয়াটা পিএলসির প্রতি মালয়েশিয়ান হাইকমিশনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জবাবে হাইকমিশনার রবির প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান বলেন, “রবির মাধ্যমে আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বৃহত্তম বিনিয়োগের প্রতিনিধিত্ব করছে। রবি বছরের পর বছর ধরে শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও ধারাবাহিক অগ্রগতি অর্জন করে আসছে। রবির সাফল্য কেবল দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিফলন নয়, বরং
এটি বাংলাদেশের প্রতি মালয়েশিয়ান বিনিয়োগকারীদের আস্থাও আরও সুদৃঢ় করেছে। আমরা আশা করি, এই ইতিবাচক ধারা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।”








