ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ০৩,২০২৬: প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও বুয়েট ক্যারিয়ার ক্লাবের যৌথ সহযোগিতায় ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন: এনগেজিং অ্যান্ড ইন্সপায়ারিং ইয়ুথ ইন ব্যাংকিং’ শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে। প্রাইম ব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘প্রাইমএকাডেমিয়া’ এর আওতায় বুয়েট ক্যাম্পাসে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কনজ্যুমার অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং ডিভিশন এম. নাজিম এ. চৌধুরী।
তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডাটানির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যাংকিং খাতকে দ্রুত রূপান্তরের পথে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং উদ্দেশ্যনির্ভর ক্যারিয়ার গঠনের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব লায়াবিলিটি শায়লা আবেদিন তার বক্তব্যে টেকসই আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে নারী নেতৃত্ব, নৈতিক ব্যাংকিং ও মূল্যবোধভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পাশাপাশি তিনি নারী শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে এসে নেতৃত্বের ভূমিকা গ্রহণে উৎসাহিত করেন।
এরপর বক্তব্য রাখেন প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান।
তিনি আর্থিক সাক্ষরতা ও সঠিক অর্থ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সময়োপযোগী ও কাঠামোবদ্ধ ব্যাংকিং জ্ঞান তরুণদের দায়িত্বশীল আর্থিক নাগরিক ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে একাডেমিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন বুয়েটের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফেরদৌস সারওয়ার।
তিনি শিক্ষা ও বাস্তব জীবনের আর্থিক চ্যালেঞ্জের মধ্যকার ব্যবধান কমাতে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
প্রাইমএকাডেমিয়া উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিত আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করে যাচ্ছে।
এর মধ্যে রয়েছে ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং, ডিজিটাল ফি সংগ্রহ ব্যবস্থা, পেরোল সেবা, স্কুল ব্যাংকিং এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত অ্যাকাউন্ট—সবকিছু এক ছাতার নিচে।
সেমিনারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং তরুণ প্রজন্মকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করে।








