জন্মদিনে বাবাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট ফখরুলকন্যার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭৯তম জন্মদিন আজ। জীবনের আরও একটি বছর পেরিয়ে নতুন বছরে পা রাখলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। জন্মদিন উপলক্ষে তিনি একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দুই মেয়ে। বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। পরবর্তীতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও ১ সদর আসনে বাবার জন্য ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনী গণসংযোগ করছেন তিনি। ছোট মেয়ে সাফারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে রাজধানীর একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

জন্মদিন উপলক্ষে রবিবার রাতে বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাবাকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন। সেখানে তিনি বাবার রাজনৈতিক জীবন পরিবার থেকে দূরে থাকা এবং সংগ্রামের নানা দিক তুলে ধরেন।

পোস্টে শামারুহ মির্জা লেখেন, আমরা দুই বোন যখন ছোট ছিলাম আমার বাবা চাকরি ছেড়ে পুরো পরিবারকে ঢাকায় রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে চলে যান। এক দুইদিন নয় বছরের পর বছর আমরা বড় হয়েছি বাবাকে কাছে না পেয়ে কারণ তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে।

তিনি লেখেন, খুব কঠিন ছিল আমাদের বড় হওয়া। আমরা কষ্ট পেয়েছি বিরক্ত হয়েছি কিন্তু বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি।

শামারুহ মির্জা আরও লেখেন, আমরা ধীরে ধীরে বড় হয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি পিএইচডি করেছি পৃথিবী ঘুরেছি। প্রায়ই ভাবি আমার বাবাও শিক্ষক ছিলেন তার জন্যও এই জীবনটা সম্ভব ছিল। কিন্তু তিনি কঠিনকে ভালোবেসেছিলেন আপনাদের জন্য। সত্যিই বলছি আপনাদের জন্য।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আলমগীর এই বয়সেও হতোদ্যম হননি। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে ১১ বার আওয়ামী হামলায় আহত হয়েছেন তার চরিত্র হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এখন তাকে উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। শরীর ভালো না থাকলেও তিনি মনোবল হারাননি।

শামারুহ মির্জা লেখেন, আমি তার মেয়ে আমার দুশ্চিন্তার কোনো শেষ নেই। বাসায় তিনি আমাদের যেভাবে কথা বলেন আপনাদের সঙ্গেও ঠিক সেভাবেই বলেন মন থেকে বলেন। তার চেহারা একটাই।

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, মির্জা আলমগীর প্রতিশোধের জন্য রাজনীতি করেননি। তিনি সারা জীবন চেয়েছেন গণতন্ত্র আর সাধারণ মানুষের উন্নতির রাজনীতি। হয়তো ক্লিশে শোনাতে পারে কিন্তু অন্তত আমার পুরো জীবনটাই তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য দিয়েছেন। যৌবন দিয়েছেন এই দেশের মানুষের জন্য আর শেষ বয়সে এসে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন দৃঢ় সংকল্পে দাঁড়িয়ে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» স্পিকার হয়ে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মেজর হাফিজ উদ্দিন

» বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, সংসদকে প্রাণবন্ত করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

» আজ থেকে আপনারা কোনো দলের নন, আপনারা এই সংসদের অভিভাবক: স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারকে প্রধানমন্ত্রী

» গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাইলফলক এবারের নির্বাচন : খন্দকার মোশাররফ

» স্পিকারকে অভিনন্দন জানালেন চীনা গণকংগ্রেসের চেয়ারম্যান

» ২ এপ্রিল ঢাকায় আসছেন চীনের ভাইস মিনিস্টার

» সংসদ অধিবেশনে অতিথি হিসেবে আছেন ড. ইউনুস, সেনাপ্রধান, জুবায়দা ও কন্যা জাইমা রহমান

» মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

» হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি দায়বদ্ধ সংসদ পেয়েছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

» পাসওয়ার্ড ছাড়া ওয়াই-ফাই শেয়ারের তিন উপায়

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

জন্মদিনে বাবাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট ফখরুলকন্যার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭৯তম জন্মদিন আজ। জীবনের আরও একটি বছর পেরিয়ে নতুন বছরে পা রাখলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। জন্মদিন উপলক্ষে তিনি একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দুই মেয়ে। বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। পরবর্তীতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও ১ সদর আসনে বাবার জন্য ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনী গণসংযোগ করছেন তিনি। ছোট মেয়ে সাফারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে রাজধানীর একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

জন্মদিন উপলক্ষে রবিবার রাতে বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাবাকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন। সেখানে তিনি বাবার রাজনৈতিক জীবন পরিবার থেকে দূরে থাকা এবং সংগ্রামের নানা দিক তুলে ধরেন।

পোস্টে শামারুহ মির্জা লেখেন, আমরা দুই বোন যখন ছোট ছিলাম আমার বাবা চাকরি ছেড়ে পুরো পরিবারকে ঢাকায় রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে চলে যান। এক দুইদিন নয় বছরের পর বছর আমরা বড় হয়েছি বাবাকে কাছে না পেয়ে কারণ তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে।

তিনি লেখেন, খুব কঠিন ছিল আমাদের বড় হওয়া। আমরা কষ্ট পেয়েছি বিরক্ত হয়েছি কিন্তু বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি।

শামারুহ মির্জা আরও লেখেন, আমরা ধীরে ধীরে বড় হয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি পিএইচডি করেছি পৃথিবী ঘুরেছি। প্রায়ই ভাবি আমার বাবাও শিক্ষক ছিলেন তার জন্যও এই জীবনটা সম্ভব ছিল। কিন্তু তিনি কঠিনকে ভালোবেসেছিলেন আপনাদের জন্য। সত্যিই বলছি আপনাদের জন্য।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আলমগীর এই বয়সেও হতোদ্যম হননি। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে ১১ বার আওয়ামী হামলায় আহত হয়েছেন তার চরিত্র হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এখন তাকে উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। শরীর ভালো না থাকলেও তিনি মনোবল হারাননি।

শামারুহ মির্জা লেখেন, আমি তার মেয়ে আমার দুশ্চিন্তার কোনো শেষ নেই। বাসায় তিনি আমাদের যেভাবে কথা বলেন আপনাদের সঙ্গেও ঠিক সেভাবেই বলেন মন থেকে বলেন। তার চেহারা একটাই।

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, মির্জা আলমগীর প্রতিশোধের জন্য রাজনীতি করেননি। তিনি সারা জীবন চেয়েছেন গণতন্ত্র আর সাধারণ মানুষের উন্নতির রাজনীতি। হয়তো ক্লিশে শোনাতে পারে কিন্তু অন্তত আমার পুরো জীবনটাই তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য দিয়েছেন। যৌবন দিয়েছেন এই দেশের মানুষের জন্য আর শেষ বয়সে এসে গণতন্ত্রের জন্য লড়ছেন দৃঢ় সংকল্পে দাঁড়িয়ে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com