ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেছেন, কাছাকাছি আদর্শ বা একটু ডিফারেন্স আছে, এ ধরনের দলের মধ্যে জোট হতেই পারে। কিন্তু এই ১১ দলীয় যে জোটটা ছিল, এটা কোনো জোট ছিল না। এটা ছিল একটা নির্বাচনী জোট, কোনো আদর্শিক জোট না। এখানে আদর্শের কোনো মিল নেই।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন। মাসুদ কামাল বলেন, ‘এলডিপি আছে এই জোটের মধ্যে—অলি আহমেদ। উনি মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক বলে নিজেদেরকে দাবি করেন এবং জামায়াতবিরোধী। দেখা যাচ্ছে তারা জোট করেছেন জামায়াত ইসলামের সঙ্গে এবং অন্যান্য ইসলামী দলের সঙ্গে।
আদর্শের কোনো মিল নেই।’ মাসুদ বলেন, ‘ইসলামী যে দলগুলো আছে সেগুলোর মধ্যেও যোজন যোজন ডিফারেন্স। জামায়াতে ইসলামের যে রাজনীতি এটা নিয়ে ইসলামী আন্দোলন অনেক আক্রমণাত্মক কথা বলেছেন। জামায়াতে ইসলাম করলে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়ে যেতে পারে এমন কথাও বলেছেন।
যে দল করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে সেই দলের সঙ্গে আবার ইসলামী আন্দোলন জোট করেছে। তার মানে পুরো জোটটা হলো নির্বাচনী জোট। নির্বাচনী জোটের মানে হলো যে, কত বেশি আসন পাওয়া যায়।’ মাসুদ আরো বলেন, ‘নির্বাচনের এই সময়ে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যে বিভিন্ন জোটে একত্রিত হয়েছিল সেই প্রধান একটা জোটে ভাঙনের শব্দ শোনা যাচ্ছে। সেটা হলো ১১ দলীয় জোট।
জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামপন্থী কয়েকটা দল মিলে এই জোটটা গঠন করা হয়েছিল। ভাঙনের শব্দ আদর্শিক কারণে নয়। ভাঙনের শব্দ হলো আসন ভাগাভাগি নিয়ে।’








