তা সত্ত্বেও কেন এয়োস্ত্রীর যাবতীয় চিহ্ন গায়ে রেখেছেন? নেটিজেনদের প্রশ্নের মুখে পড়ে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় স্বস্তিকা জানালেন তার বিয়ের সত্যিটা। জানিয়ে দিলেন, স্বামীর সঙ্গে তথাকথিত সংসার না করা হলেও তিনি যে আজও বিবাহিত।
১৯৯৮ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে শিল্পী প্রমিত সেনের সঙ্গে বিয়ে হয় স্বস্তিকার। ভালোবাসার বিয়ে ছিল না। বাড়ি থেকে দেখাশোনা করেই হয় বিয়ে।
বিয়ের বছর খানেকের মাথায় মা হন স্বস্তিকা। তবে তারও এক বছর পর সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় সংসার ছেড়ে চলে আসেন অভিনেত্রী। না, আর ফিরে যাননি। বিচ্ছেদও নেওয়া হয়নি। এই দীর্ঘ ২৫ বছর নানা সম্পর্কে জড়ালেও আর বিয়ে করেননি স্বস্তিকা।
প্রমিত সেন রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সাগর সেনের ছেলে। তার সঙ্গে যোগাযোগই নেই স্বস্তিকার। পরবর্তীতে আর একসঙ্গে দেখাও যায়নি। কিন্তু বিয়ে তো মিথ্যা নয়! তাই অভিনেত্রীর শাঁখা-পলা পরিহিতা পোস্ট দেখে কটাক্ষকারী যখন একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন, ঠিক তখনই স্বস্তিকা বললেন, ‘শ্যুটিং বলে একটা কাজ আমি করি এবং আমি বিবাহিত।’
বিবাহিত না হওয়া সত্ত্বেও মাঝেমধ্যেই সিঁদুর পরতেন লতা মঙ্গেশকর। রেখার সিঁথিতে আজও দেখা যায় সিঁদুরের ছোঁয়া। আমজনতার চোখে রেখা ‘বিধবা’।
ওদিকে লতার কথা সঙ্গীতের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তার এই সিঁদুর পরা। কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের দিদি দেবশ্রী বিবাহ বিচ্ছিন্না হওয়া সত্ত্বেও সিঁদুর পরেছিলেন। জানিয়েছিলেন, প্রসাধনীর অঙ্গ হিসেবেই তার ওই সিঁদুর পরা।
তবে স্বস্তিকা সাফ জানালেন, তিনি বিবাহিত, তাই সিঁদুর পরায় শৃঙ্খল নেই অভিনেত্রীর।