হুন্ডিতে পরিশোধ হয় জাল রুপির দাম

পাকিস্তান থেকে নিয়ে আসা জাল রুপির মূল্য পরিশোধ হতো হুন্ডিতে। পাকিস্তানে অবস্থানরত আন্তর্জাতিক মাফিয়াদের কাছে নির্বিঘ্নে চলে যেত তাদের লভ্যাংশ। আমদানিকৃত পণ্যের আড়ালে গত এক যুগ ধরে নিয়মিত আসা জাল রুপির চালানের খবরে রীতিমতো বিস্মিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তবে এরই মধ্যে তারা জানতে পেরেছেন, এসব জাল সুপার রুপি ভারতে পাচারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো দুই দেশেরই সীমান্তবর্তী   চোরাকারবারিদের। সীমান্তবর্তী এজেন্টরা প্রতি লাখ জাল রুপি বিক্রি করে পেতেন ২ হাজার টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তে নাম আসা পাকিস্তানি এবং ভারতীয় নাগরিকদের সম্পর্কে আরও বিস্তারিত খোঁজ নিতে পুলিশ সদর দফতরের মাধ্যমে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, জাল রুপি পাচারে বাংলাদেশের মাটি যাতে মাফিয়ারা ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিচ্ছি। তবে এর আগেও আমি ভারতীয় জাল                 রুপিসহ পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেফতার করেছিলাম। এবারও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় জাল মুদ্রা তৈরি এবং বাজারজাতকরণে জড়িত কেবলমাত্র একটি আন্তর্জাতিক চক্র শনাক্ত হলেও এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছেন কি না তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক ফজলু ওরফে ফরিদ এবং পাকিস্তানি নাগরিক শফি এবং তার ছেলে সুলতান করাচিতে আটকে পড়া বাংলাদেশি অসহায় নাগরিকদের আমদানিকৃত পণ্যের আড়ালে জাল রুপি বাংলাদেশে পাঠানোর কাজে ব্যবহার করেন। পাকিস্তানি নাগরিক শফি এক সময় জাল রুপির কারখানায় কাজ করতেন। একপর্যায়ে নিজেই ভারতীয় জাল রুপির সুপার নোট তৈরি শুরু করেন। বর্তমানে তার ছেলে সুলতানই পুরো সিন্ডিকেটের দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের প্রধান সহযোগী পাকিস্তানি নাগরিক দানেশ ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক ফজলু ওরফে ফরিদ।

 

গত ২৭ নভেম্বর খিলক্ষেতে উদ্ধারকৃত ৭ কোটি ৩৫ লাখ ভারতীয় জাল রুপিসহ ফাতেমা আক্তার অপি ও আবু তালেবকে গ্রেফতারের পর গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, কেবল এ চালান গ্রহণ করে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাদের ২০ লাখ বাংলাদেশি টাকা পুরস্কার হিসেবে পাওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই পুরো জাল রুপিসহ গ্রেফতার হন। ওই ঘটনার সূত্র ধরে গত সোমবার ও মঙ্গলবার ধারাবাহিক অভিযানে রাজধানীর ডেমরা ও হাজারীবাগ এলাকা থেকে ভারতীয় জাল নোট তৈরির আন্তর্জাতিক চক্রের আমান উল্লাহ ভূঁইয়া, তার স্ত্রী কাজল রেখা, ইয়াসিন আরাফাত কেরামত ও নোমানুর রহমান খানকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতীয় জাল রুপির অর্ডার নেওয়া, আমদানি পণ্যের আড়ালে বাংলাদেশে পাঠানো এবং পাচারের পর টাকা সংগ্রহ করার সামগ্রিক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেন মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা গ্রেফতারকৃত নোমানুর রহমানের ভাই পাকিস্তানি নাগরিক ফজলু। বাংলাদেশে অবস্থানরত ফজলুর অন্য ভাইয়েরাও এ জাল রুপির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এরা কখনো শুঁটকি মাছ, কখনো মোজাইক পাথর ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রীর বস্তার মধ্যে সমুদ্রপথে জাল রুপি বাংলাদেশ নিয়ে আসেন। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থানরত সাইদুর জাল রুপি ব্যবসার হিসাব রাখতেন। ব্যবসার লভ্যাংশ পাকিস্তানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতেন তিনি। এক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করেন হুন্ডি ব্যবসায়ী শাহজাহান ও আরাফাত। সূত্র মতে, ঢাকা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিলারদের মধ্যে রয়েছেন কেরামত, কাজল রেখা, মহিউদ্দীন, আয়নাল, আরাফাত, ইমাদুল, শারমীন, বাশার, ফিরোজ, শরফুদ্দীন, এফাজ, হাবিব মেম্বার, মস্তোফা, কামাল, হাবিল, একরাম, নেলসন, সোনা মিয়া এবং মাসুদ। এদের মধ্যে  কাজল রেখা ও নোমানুরের পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য জাল রুপির কারবারের সঙ্গে জড়িত।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঊর্ধ্বতন এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা  বলেন, ডিবি পুলিশের কাছে গ্রেফতার হওয়া এ চক্রের বাইরেও আরও অন্তত তিন-চারটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। তাদের শনাক্ত করতে কাজও শুরু করেছেন। এসব সুপার জাল রুপি সাধারণত সীমান্তে মাদক এবং স্মাগলিংয়ে ব্যবহার করা হয়। এগুলো এতটাই নিখুঁত যে তা খালি চোখে ধরাও মুশকিল। সূত্র বলছেন, ভারতে পাচারের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ও শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা, হুদমা, শিয়ালমারা এলাকার সীমান্ত ভীষণ পছন্দ এ চক্রের। গ্রেফতার কাজল রেখার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হওয়া তার অন্যতম কারণ। তবে আমদানিকারক পরিচয়ে জাল রুপির অন্যতম এজেন্ট আবু তালেবের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। জাল রুপি পাচারে আখাউড়া কিংবা কুমিল্লা সীমান্তও ব্যবহার করা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ পাচার চক্রে অন্তত ৪০ জনের নাম জানতে পেরেছেন তারা। ডিবি গুলশান বিভাগের এডিসি মো. কামরুজ্জামান সরদার বলেন, এ চক্রটি ২০০৮ সাল থেকে এ দেশে কাজ করছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান এজেন্ট গ্রেফতার সাইদুর। চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় তার দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেন হতো। সাইদুরসহ বাকিদের ব্যাংক হিসাব আমরা খতিয়ে দেখব। নোমানুরের পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য পাকিস্তানেও অবস্থান করেছেন বিভিন্ন সময়। এ চক্রের অন্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।

সূএ:বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

» ১৯১টি অনলাইন নিউজ পোর্টালের লিংক বন্ধে চিঠি

» রাষ্ট্রপতির কাছে সাত দেশের দূতের পরিচয়পত্র পেশ

» আন্দোলন সংগ্রামের নামে জ্বালাও-পোড়াও করে মানুষ হত্যা করাই বিএনপির রাজনীতি : আমু

» বিএনপির রাজনীতি ভুলের চোরাগলিতে আটকে গেছে: ওবায়দুল কাদের

» বেড়েই চলছে ইজিবাইক প্রতিনিয়তই দূর্ঘটনার কবলে পথচারীরা

» বাগেরহাটে ঝিলবুনিয়া দরবার শরীফে মাহফিল বৃহস্পতিবার শুরু

» রবীন্দ্রনাথের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করতে জেলায় জেলায় রবীন্দ্র সম্মেলনের আয়োজন করা দরকার -খাদ্যমন্ত্র

» পাটগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

» ১৪৪ রানেই আটকা ঢাকা ডমিনেটর্স

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

হুন্ডিতে পরিশোধ হয় জাল রুপির দাম

পাকিস্তান থেকে নিয়ে আসা জাল রুপির মূল্য পরিশোধ হতো হুন্ডিতে। পাকিস্তানে অবস্থানরত আন্তর্জাতিক মাফিয়াদের কাছে নির্বিঘ্নে চলে যেত তাদের লভ্যাংশ। আমদানিকৃত পণ্যের আড়ালে গত এক যুগ ধরে নিয়মিত আসা জাল রুপির চালানের খবরে রীতিমতো বিস্মিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। তবে এরই মধ্যে তারা জানতে পেরেছেন, এসব জাল সুপার রুপি ভারতে পাচারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো দুই দেশেরই সীমান্তবর্তী   চোরাকারবারিদের। সীমান্তবর্তী এজেন্টরা প্রতি লাখ জাল রুপি বিক্রি করে পেতেন ২ হাজার টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তে নাম আসা পাকিস্তানি এবং ভারতীয় নাগরিকদের সম্পর্কে আরও বিস্তারিত খোঁজ নিতে পুলিশ সদর দফতরের মাধ্যমে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, জাল রুপি পাচারে বাংলাদেশের মাটি যাতে মাফিয়ারা ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিচ্ছি। তবে এর আগেও আমি ভারতীয় জাল                 রুপিসহ পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেফতার করেছিলাম। এবারও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় জাল মুদ্রা তৈরি এবং বাজারজাতকরণে জড়িত কেবলমাত্র একটি আন্তর্জাতিক চক্র শনাক্ত হলেও এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছেন কি না তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক ফজলু ওরফে ফরিদ এবং পাকিস্তানি নাগরিক শফি এবং তার ছেলে সুলতান করাচিতে আটকে পড়া বাংলাদেশি অসহায় নাগরিকদের আমদানিকৃত পণ্যের আড়ালে জাল রুপি বাংলাদেশে পাঠানোর কাজে ব্যবহার করেন। পাকিস্তানি নাগরিক শফি এক সময় জাল রুপির কারখানায় কাজ করতেন। একপর্যায়ে নিজেই ভারতীয় জাল রুপির সুপার নোট তৈরি শুরু করেন। বর্তমানে তার ছেলে সুলতানই পুরো সিন্ডিকেটের দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের প্রধান সহযোগী পাকিস্তানি নাগরিক দানেশ ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক ফজলু ওরফে ফরিদ।

 

গত ২৭ নভেম্বর খিলক্ষেতে উদ্ধারকৃত ৭ কোটি ৩৫ লাখ ভারতীয় জাল রুপিসহ ফাতেমা আক্তার অপি ও আবু তালেবকে গ্রেফতারের পর গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, কেবল এ চালান গ্রহণ করে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাদের ২০ লাখ বাংলাদেশি টাকা পুরস্কার হিসেবে পাওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই পুরো জাল রুপিসহ গ্রেফতার হন। ওই ঘটনার সূত্র ধরে গত সোমবার ও মঙ্গলবার ধারাবাহিক অভিযানে রাজধানীর ডেমরা ও হাজারীবাগ এলাকা থেকে ভারতীয় জাল নোট তৈরির আন্তর্জাতিক চক্রের আমান উল্লাহ ভূঁইয়া, তার স্ত্রী কাজল রেখা, ইয়াসিন আরাফাত কেরামত ও নোমানুর রহমান খানকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতীয় জাল রুপির অর্ডার নেওয়া, আমদানি পণ্যের আড়ালে বাংলাদেশে পাঠানো এবং পাচারের পর টাকা সংগ্রহ করার সামগ্রিক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেন মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা গ্রেফতারকৃত নোমানুর রহমানের ভাই পাকিস্তানি নাগরিক ফজলু। বাংলাদেশে অবস্থানরত ফজলুর অন্য ভাইয়েরাও এ জাল রুপির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এরা কখনো শুঁটকি মাছ, কখনো মোজাইক পাথর ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রীর বস্তার মধ্যে সমুদ্রপথে জাল রুপি বাংলাদেশ নিয়ে আসেন। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থানরত সাইদুর জাল রুপি ব্যবসার হিসাব রাখতেন। ব্যবসার লভ্যাংশ পাকিস্তানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতেন তিনি। এক্ষেত্রে তাকে সহায়তা করেন হুন্ডি ব্যবসায়ী শাহজাহান ও আরাফাত। সূত্র মতে, ঢাকা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিলারদের মধ্যে রয়েছেন কেরামত, কাজল রেখা, মহিউদ্দীন, আয়নাল, আরাফাত, ইমাদুল, শারমীন, বাশার, ফিরোজ, শরফুদ্দীন, এফাজ, হাবিব মেম্বার, মস্তোফা, কামাল, হাবিল, একরাম, নেলসন, সোনা মিয়া এবং মাসুদ। এদের মধ্যে  কাজল রেখা ও নোমানুরের পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য জাল রুপির কারবারের সঙ্গে জড়িত।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঊর্ধ্বতন এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা  বলেন, ডিবি পুলিশের কাছে গ্রেফতার হওয়া এ চক্রের বাইরেও আরও অন্তত তিন-চারটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। তাদের শনাক্ত করতে কাজও শুরু করেছেন। এসব সুপার জাল রুপি সাধারণত সীমান্তে মাদক এবং স্মাগলিংয়ে ব্যবহার করা হয়। এগুলো এতটাই নিখুঁত যে তা খালি চোখে ধরাও মুশকিল। সূত্র বলছেন, ভারতে পাচারের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ও শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা, হুদমা, শিয়ালমারা এলাকার সীমান্ত ভীষণ পছন্দ এ চক্রের। গ্রেফতার কাজল রেখার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হওয়া তার অন্যতম কারণ। তবে আমদানিকারক পরিচয়ে জাল রুপির অন্যতম এজেন্ট আবু তালেবের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। জাল রুপি পাচারে আখাউড়া কিংবা কুমিল্লা সীমান্তও ব্যবহার করা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ পাচার চক্রে অন্তত ৪০ জনের নাম জানতে পেরেছেন তারা। ডিবি গুলশান বিভাগের এডিসি মো. কামরুজ্জামান সরদার বলেন, এ চক্রটি ২০০৮ সাল থেকে এ দেশে কাজ করছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান এজেন্ট গ্রেফতার সাইদুর। চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় তার দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেন হতো। সাইদুরসহ বাকিদের ব্যাংক হিসাব আমরা খতিয়ে দেখব। নোমানুরের পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য পাকিস্তানেও অবস্থান করেছেন বিভিন্ন সময়। এ চক্রের অন্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।

সূএ:বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com