হাসপাতালে বাড়ছে রোগী

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। শনাক্তের হার প্রতিদিন ছাড়াচ্ছে রেকর্ড। আক্রান্ত বাড়ায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। হাসপাতালের সাধারণ শয্যা, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) প্রতিদিন করোনা রোগী ভর্তি বাড়ছে। চাপ সামলাতে ননকভিড ওয়ার্ডে শয্যা কমানো হচ্ছে, চালু হচ্ছে নতুন ওয়ার্ড।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা  বলেন, ‘করোনা শনাক্তের তুলনায় এখনো হাসপাতালে রোগী ভর্তি অনেক কম আছে। তবে হাসপাতালে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। অক্সিজেন সিলিন্ডার, সেন্ট্রাল অক্সিজেন, সাধারণ শয্যা, আইসিইউ, এইচডিইউ সবই রয়েছে। ডিএনসিসি কভিড হাসপাতাল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ফিল্ড হাসপাতাল চালু আছে। করোনা রোগী কমে গেলে আমরা ননকভিড রোগীদের সেবার পরিসর বাড়িয়েছিলাম। করোনা রোগী ভর্তি বাড়লে আবার হাসপাতালগুলো করোনা ডেডিকেটেড হয়ে সেবা দেওয়া শুরু করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় দুই বছর করোনা রোগী ব্যবস্থাপনায় আমাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। অন্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু অনেক কম ছিল। করোনার প্রথম-দ্বিতীয় ঢেউয়ের তুলনায় আমাদের সক্ষমতা এখন কয়েক গুণ বেড়েছে। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা রোগীদের পর্যাপ্ত সেবা নিশ্চিত করতে পারব।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, গতকাল দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৫২৭ জন। ৪৯ হাজার ৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে তাদের শনাক্ত করা হয়। শনাক্তের হার ছিল ৩১ দশমিক ৬৪। দেশে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৪৫ জন। এর মধ্যে রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৪২ আর বেসরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৩৪ জন। দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে করোনা রোগীর জন্য নির্ধারিত শয্যা ১৩ হাজার ৪৪৮টি। গতকাল সারা দেশের হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ২ হাজার ৫২৮ জন। সারা দেশে কভিড রোগীদের জন্য নির্ধারিত আইসিইউ শয্যার ১ হাজার ২৫১টিতে রোগী ভর্তি ছিলেন ৩০৮ জন। গতকাল কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের ৬৪ শয্যায় রোগী ভর্তি ছিলেন ৯৪ জন। শয্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি ছিলেন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ২৪২, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৫৭, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৭, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ১০৮, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ২০, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪ জন রোগী ভর্তি আছেন। এ ছাড়া আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছেন ২৫, আসগর আলী হাসপাতালে ৩০, স্কয়ার হাসপাতালে ৩৮, ইবনে সিনা হাসপাতালে ২৭, ইউনাইটেড হাসপাতালে ৪১, এভারকেয়ার হাসপাতালে ২৬ জন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হুদা খান  বলেন, ‘হাসপাতালে গত মাসেও ২০ জন করোনা আক্রান্ত ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে আছেন ২০০-এর বেশি। সাধারণ শয্যার পাশাপাশি আইসিইউ, এইচডিইউতেও রোগী ভর্তি বাড়ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘টেস্টের সংখ্যা বাড়ায় রোগী শনাক্ত বেড়েছে। করোনা ডেডিকেটেড আউটডোরে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ জন সেবা নিচ্ছেন। করোনা রোগী বাড়ায় হাসপাতালে ১০০ শয্যার নতুন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ননকভিড রোগীর জন্য ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হলেও রোগী বাড়ায় পরিস্থিতি সামলাতে করোনা রোগী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ মঙ্গলবার রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ৯৩১ আর বেসরকারি হাসপাতালে ৩৬৮ জন। সারা দেশের হাসপাতালে ১৩ হাজার ৪১৫ শয্যায় রোগী ভর্তি ছিলেন ২ হাজার ৩৭৫ জন। শনিবার রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ৯৬১ আর বেসরকারি হাসপাতালে ৩২০ জন। শুক্রবার রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ৮৭৮ আর বেসরকারি হাসপাতালে ২৯৭ জন। মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান  বলেন, ‘হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ভর্তি। গত সপ্তাহে ১৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন, এ সপ্তাহে ৫৫ জন। করোনা টেস্টে শনাক্তের হারও ঊর্ধ্বমুখী। তবে আক্রান্তের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি রোগী কম। যারা ভর্তি হচ্ছেন তাদের মধ্যে জটিলতাও কম।’ তিনি আরও বলেন, ‘আউটডোরে করোনা ডেডিকেটেড বুথ চালু করা হয়েছে। সেখানে টেলিমেডিসিনের ব্যবস্থাও আছে। আউটডোরে জ্বর, ঠান্ডা, কাশিসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে রোগী আসছেন। করোনা টেস্ট করে পজিটিভ রিপোর্ট এলে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন। আউটডোরে আসা অনেক রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে আছেন। তারা টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে ফলোআপ সেবা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে যাদের প্রয়োজন তাদের হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।’সূএ:বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» দুর্ভিক্ষের আগে দুর্বৃত্ত সরকারকে বিদায় দিতে হবে: নুর

» কলা হাতে কী বার্তা দিলেন শ্রীলেখা?

» ‘সুস্থ মানবসম্পদ তৈরির অন্যতম মাধ্যম খেলাধুলা’

» ভোটকেন্দ্র কমিটি করে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন: ফারুক খান

» জনসভায় যাওয়ার চিন্তা থাকলে খালেদা জেলে যাবেন: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

» কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগের নেতৃত্বে কাদের মির্জা-বাদল

» পাড়া উৎস হবে ঢাকা শহরের সব এলাকায় : আতিক

» রাজধানীতে বাবার সঙ্গে অভিমানে ছেলের আত্মহত্যা

» পাঁচবিবিতে মেয়র কাপ মিনি ফুটবল নাইট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

» পাহাড়ের পরিবেশ অশান্ত করেছেন জিয়া: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

হাসপাতালে বাড়ছে রোগী

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। শনাক্তের হার প্রতিদিন ছাড়াচ্ছে রেকর্ড। আক্রান্ত বাড়ায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। হাসপাতালের সাধারণ শয্যা, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) প্রতিদিন করোনা রোগী ভর্তি বাড়ছে। চাপ সামলাতে ননকভিড ওয়ার্ডে শয্যা কমানো হচ্ছে, চালু হচ্ছে নতুন ওয়ার্ড।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা  বলেন, ‘করোনা শনাক্তের তুলনায় এখনো হাসপাতালে রোগী ভর্তি অনেক কম আছে। তবে হাসপাতালে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। অক্সিজেন সিলিন্ডার, সেন্ট্রাল অক্সিজেন, সাধারণ শয্যা, আইসিইউ, এইচডিইউ সবই রয়েছে। ডিএনসিসি কভিড হাসপাতাল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ফিল্ড হাসপাতাল চালু আছে। করোনা রোগী কমে গেলে আমরা ননকভিড রোগীদের সেবার পরিসর বাড়িয়েছিলাম। করোনা রোগী ভর্তি বাড়লে আবার হাসপাতালগুলো করোনা ডেডিকেটেড হয়ে সেবা দেওয়া শুরু করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় দুই বছর করোনা রোগী ব্যবস্থাপনায় আমাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। অন্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু অনেক কম ছিল। করোনার প্রথম-দ্বিতীয় ঢেউয়ের তুলনায় আমাদের সক্ষমতা এখন কয়েক গুণ বেড়েছে। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা রোগীদের পর্যাপ্ত সেবা নিশ্চিত করতে পারব।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, গতকাল দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৫২৭ জন। ৪৯ হাজার ৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে তাদের শনাক্ত করা হয়। শনাক্তের হার ছিল ৩১ দশমিক ৬৪। দেশে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৪৫ জন। এর মধ্যে রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৪২ আর বেসরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৩৪ জন। দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে করোনা রোগীর জন্য নির্ধারিত শয্যা ১৩ হাজার ৪৪৮টি। গতকাল সারা দেশের হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ২ হাজার ৫২৮ জন। সারা দেশে কভিড রোগীদের জন্য নির্ধারিত আইসিইউ শয্যার ১ হাজার ২৫১টিতে রোগী ভর্তি ছিলেন ৩০৮ জন। গতকাল কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের ৬৪ শয্যায় রোগী ভর্তি ছিলেন ৯৪ জন। শয্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি ছিলেন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ২৪২, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৫৭, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৭, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ১০৮, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ২০, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪ জন রোগী ভর্তি আছেন। এ ছাড়া আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছেন ২৫, আসগর আলী হাসপাতালে ৩০, স্কয়ার হাসপাতালে ৩৮, ইবনে সিনা হাসপাতালে ২৭, ইউনাইটেড হাসপাতালে ৪১, এভারকেয়ার হাসপাতালে ২৬ জন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হুদা খান  বলেন, ‘হাসপাতালে গত মাসেও ২০ জন করোনা আক্রান্ত ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে আছেন ২০০-এর বেশি। সাধারণ শয্যার পাশাপাশি আইসিইউ, এইচডিইউতেও রোগী ভর্তি বাড়ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘টেস্টের সংখ্যা বাড়ায় রোগী শনাক্ত বেড়েছে। করোনা ডেডিকেটেড আউটডোরে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ জন সেবা নিচ্ছেন। করোনা রোগী বাড়ায় হাসপাতালে ১০০ শয্যার নতুন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ননকভিড রোগীর জন্য ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হলেও রোগী বাড়ায় পরিস্থিতি সামলাতে করোনা রোগী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ মঙ্গলবার রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ৯৩১ আর বেসরকারি হাসপাতালে ৩৬৮ জন। সারা দেশের হাসপাতালে ১৩ হাজার ৪১৫ শয্যায় রোগী ভর্তি ছিলেন ২ হাজার ৩৭৫ জন। শনিবার রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ৯৬১ আর বেসরকারি হাসপাতালে ৩২০ জন। শুক্রবার রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিলেন ৮৭৮ আর বেসরকারি হাসপাতালে ২৯৭ জন। মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান  বলেন, ‘হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ভর্তি। গত সপ্তাহে ১৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন, এ সপ্তাহে ৫৫ জন। করোনা টেস্টে শনাক্তের হারও ঊর্ধ্বমুখী। তবে আক্রান্তের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি রোগী কম। যারা ভর্তি হচ্ছেন তাদের মধ্যে জটিলতাও কম।’ তিনি আরও বলেন, ‘আউটডোরে করোনা ডেডিকেটেড বুথ চালু করা হয়েছে। সেখানে টেলিমেডিসিনের ব্যবস্থাও আছে। আউটডোরে জ্বর, ঠান্ডা, কাশিসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে রোগী আসছেন। করোনা টেস্ট করে পজিটিভ রিপোর্ট এলে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন। আউটডোরে আসা অনেক রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে আছেন। তারা টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে ফলোআপ সেবা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে যাদের প্রয়োজন তাদের হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।’সূএ:বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com