স্টেম ফিল্ডে বাংলাদেশী নারীদের অংশগ্রহণ বিষয়ক ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিম্পোজিয়াম

[ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩] ঢাকার ফুলার রোডে অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিলে স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) ফিল্ডের সাথে জড়িত বাংলাদেশী নারীদের জন্য গত ৫ ডিসেম্বর একটি সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়। স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) ফিল্ডে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করার ল্েয এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

 

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি জেন্ডার অ্যাসেসমেন্ট ২০২১ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সকল স্টেম পেশাজীবীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ১৪ শতাংশ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুসারে, আগামী দুই দশকের মধ্যে স্টেম বিষয়ক দতার প্রয়োজন নেই নারীদের জন্য এমন চাকরি ঝুঁকির মধ্যে পড়বে৷ যদিও নারী শিার্থীরা প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক উভয় পর্যায়ে পুরুষ শিার্থীদের তুলনায় ভাল করছে, উচ্চশিায় নারী শিার্থীদের অংশগ্রহণ অনেক কম। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, সরকারী শিাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র ৩৮ শতাংশ এবং বেসরকারি শিাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র ৪৫ শতাংশ নারী শিার্থী স্টেম বিষয়ে পড়ালেখা করেন।

 

বাংলাদেশের সামনে এখন অর্থনৈতিক স্থবিরতা থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক মহামারী ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্য সহ বিভিন্ন কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে। এসকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার েেত্র এই প্রযুক্তি-নির্ভর বিশ্বে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি দেশের উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চার মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এবং স্টেম সংক্রান্ত পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

 

স্বাগত বক্তব্যে ব্রিটিশ কাউন্সিলের দণি এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক অ্যাড্রিয়ান চ্যাডউইক বলেন, “স্টেম ফিল্ডে লিঙ্গবৈষম্য একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। আমরা নারীদের কর্মজীবনের তিনটি মূল ধাপে (সুযোগ, অগ্রগতি এবং নেতৃত্ব) পরিবর্তন নিয়ে আসার ল্েয কাজ করছি। যথেষ্ট সুযোগের অভাব (অ্যাক্সেস) স্টেম ফিল্ডে নারীদের তুলনামূলক কম প্রতিনিধিত্বের অন্তরায়। ২০১৮ সাল থেকে আমরা যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টেম বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভে দণি এশিয়ার ১০০ জন নারীকে সহায়তা করেছি৷ অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আমরা দণি এশিয়ার সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে অংশীদারিত্বে কাজ করছি এবং স্টেম ফিল্ডের নারীদের পেশাদার উন্নয়নে সহায়ক হবে এমন নীতি বাস্তবায়নে সাহায্য করছি। নেতৃত্বে বিকাশের জন্য আমরা মূল বাধাগুলো শনাক্ত করে নারীর মতায়ন ত্বরান্বিত করার উপায় বের করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিশেষ করে নিজ নিজ েেত্র বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে দণি এশিয়ার এমন ১০০ জন নারীর পথচলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছি আমরা।”

 

সিম্পোজিয়ামে প্যানেল আলোচনা এবং একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। গোলটেবিল বৈঠক থেকে প্রাপ্ত ফলাফল গবেষণায় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, স্টেম ফিল্ডের সাথে জড়িত যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন শিার্থীরা তাদের পরবর্তী বছরের কার্যক্রম পরিচালনা করার েেত্র দিক নির্দেশনা পাবেন।

 

ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার এবং ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর ম্যাট ক্যানেল বলেন, “স্টেম ফিল্ডের সাথে যুক্ত বাংলাদেশী নারীদের জন্য আয়োজিত এই সিম্পোজিয়ামে সম্ভাবনাময় পেশাজীবীদের মতামত ও ভাবনা জানতে পেরে আমি আনন্দিত। যুক্তরাজ্যের নতুন শ্বেতপত্র (হোয়াইট পেপার) অনুযায়ী, উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। আমরা জানি যে, নারীরা প্রযুক্তি-ভিত্তিক বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং সবার জন্য সমতাভিত্তিক টেকসই ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য নারীদের প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি বাস্তবায়নে একসাথে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। এই নীতি নারী ও মেয়েদের তাদের পরিপূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের জন্য মতায়ন করবে। আসুন সবাই মিলে ব্যবধান ঘোচাতে কাজ করি এবং এমন একটি ভবিষ্যত তৈরি করি যেখানে লিঙ্গ-বৈষম্য সাফল্যের পথে কোন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।”

 

প্যানেল আলোচনায় বক্তা হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক হাসিনা খান; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোঃ আব্দুস ছামাদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ওয়াইল্ড টিমের বোর্ড সদস্য ডাঃ আলিফা বিনথা হক।

 

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি, টেকস্টার স্যাটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও টেকনো গ্রীন-কার্বন লিমিটেডের চেয়ারপার্সন আনিকা আলী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগ ডঃ মুস্তাক ইবনে আইয়ুব সিম্পোজিয়ামটি পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিাবিদ ও মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রোজার আগেই ভার‌ত থে‌কে দে‌শে পেঁয়াজ ঢুক‌বে : ড. হাছান মাহমুদ

» ‘ভূমি জোনিং ও সুরক্ষা আইন, ২০২৪’-এর খসড়া মতামতের জন্য উন্মুক্ত

» আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের সুবিধা সংবলিত বাংলাদেশ গড়তে চান শেখ হাসিনা – ধর্মমন্ত্রী

» এসএমই লিডার্স কনফারেন্স ২০২৪ আয়োজন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক

» ঢাবি ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, প্রতি আসনে লড়েছে ৩৬ জন

» ‘স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে সরকার নিরন্তর প্রয়াস চালাচ্ছে’

» আমরা লোভ লালসা থেকে দূরে থাকতে পারি না: জি এম কাদের

» কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

» ঢাকায় আসছেন বিশ্বব্যাংকের এমডি

» বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বালকের মৃত্যু

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। (দপ্তর সম্পাদক)  
উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা
 সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,
ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু,
নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

স্টেম ফিল্ডে বাংলাদেশী নারীদের অংশগ্রহণ বিষয়ক ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিম্পোজিয়াম

[ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩] ঢাকার ফুলার রোডে অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিলে স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) ফিল্ডের সাথে জড়িত বাংলাদেশী নারীদের জন্য গত ৫ ডিসেম্বর একটি সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়। স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) ফিল্ডে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করার ল্েয এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

 

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি জেন্ডার অ্যাসেসমেন্ট ২০২১ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সকল স্টেম পেশাজীবীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ১৪ শতাংশ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুসারে, আগামী দুই দশকের মধ্যে স্টেম বিষয়ক দতার প্রয়োজন নেই নারীদের জন্য এমন চাকরি ঝুঁকির মধ্যে পড়বে৷ যদিও নারী শিার্থীরা প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক উভয় পর্যায়ে পুরুষ শিার্থীদের তুলনায় ভাল করছে, উচ্চশিায় নারী শিার্থীদের অংশগ্রহণ অনেক কম। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, সরকারী শিাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র ৩৮ শতাংশ এবং বেসরকারি শিাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র ৪৫ শতাংশ নারী শিার্থী স্টেম বিষয়ে পড়ালেখা করেন।

 

বাংলাদেশের সামনে এখন অর্থনৈতিক স্থবিরতা থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক মহামারী ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্য সহ বিভিন্ন কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে। এসকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার েেত্র এই প্রযুক্তি-নির্ভর বিশ্বে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি দেশের উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চার মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এবং স্টেম সংক্রান্ত পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

 

স্বাগত বক্তব্যে ব্রিটিশ কাউন্সিলের দণি এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক অ্যাড্রিয়ান চ্যাডউইক বলেন, “স্টেম ফিল্ডে লিঙ্গবৈষম্য একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। আমরা নারীদের কর্মজীবনের তিনটি মূল ধাপে (সুযোগ, অগ্রগতি এবং নেতৃত্ব) পরিবর্তন নিয়ে আসার ল্েয কাজ করছি। যথেষ্ট সুযোগের অভাব (অ্যাক্সেস) স্টেম ফিল্ডে নারীদের তুলনামূলক কম প্রতিনিধিত্বের অন্তরায়। ২০১৮ সাল থেকে আমরা যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টেম বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভে দণি এশিয়ার ১০০ জন নারীকে সহায়তা করেছি৷ অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আমরা দণি এশিয়ার সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে অংশীদারিত্বে কাজ করছি এবং স্টেম ফিল্ডের নারীদের পেশাদার উন্নয়নে সহায়ক হবে এমন নীতি বাস্তবায়নে সাহায্য করছি। নেতৃত্বে বিকাশের জন্য আমরা মূল বাধাগুলো শনাক্ত করে নারীর মতায়ন ত্বরান্বিত করার উপায় বের করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিশেষ করে নিজ নিজ েেত্র বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে দণি এশিয়ার এমন ১০০ জন নারীর পথচলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছি আমরা।”

 

সিম্পোজিয়ামে প্যানেল আলোচনা এবং একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। গোলটেবিল বৈঠক থেকে প্রাপ্ত ফলাফল গবেষণায় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, স্টেম ফিল্ডের সাথে জড়িত যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন শিার্থীরা তাদের পরবর্তী বছরের কার্যক্রম পরিচালনা করার েেত্র দিক নির্দেশনা পাবেন।

 

ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার এবং ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর ম্যাট ক্যানেল বলেন, “স্টেম ফিল্ডের সাথে যুক্ত বাংলাদেশী নারীদের জন্য আয়োজিত এই সিম্পোজিয়ামে সম্ভাবনাময় পেশাজীবীদের মতামত ও ভাবনা জানতে পেরে আমি আনন্দিত। যুক্তরাজ্যের নতুন শ্বেতপত্র (হোয়াইট পেপার) অনুযায়ী, উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। আমরা জানি যে, নারীরা প্রযুক্তি-ভিত্তিক বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং সবার জন্য সমতাভিত্তিক টেকসই ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য নারীদের প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি বাস্তবায়নে একসাথে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। এই নীতি নারী ও মেয়েদের তাদের পরিপূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের জন্য মতায়ন করবে। আসুন সবাই মিলে ব্যবধান ঘোচাতে কাজ করি এবং এমন একটি ভবিষ্যত তৈরি করি যেখানে লিঙ্গ-বৈষম্য সাফল্যের পথে কোন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।”

 

প্যানেল আলোচনায় বক্তা হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক হাসিনা খান; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোঃ আব্দুস ছামাদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ওয়াইল্ড টিমের বোর্ড সদস্য ডাঃ আলিফা বিনথা হক।

 

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি, টেকস্টার স্যাটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও টেকনো গ্রীন-কার্বন লিমিটেডের চেয়ারপার্সন আনিকা আলী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগ ডঃ মুস্তাক ইবনে আইয়ুব সিম্পোজিয়ামটি পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিাবিদ ও মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। (দপ্তর সম্পাদক)  
উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা
 সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,
ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু,
নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com