পদ্মায় বদলাবে দক্ষিণাঞ্চল

জানা গেছে, পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী পায়রা সেতু থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কের আশপাশে দেশের ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা জমি কিনতে শুরু করেছেন। মহাসড়কে গড়ে উঠেছে অটোরাইস মিল। ইতোমধ্যে জমি কিনেছেন বহু শিল্পমালিক। পায়রা বন্দর এলাকার আশপাশে জমি কিনেছে মদিনা গ্রুপ ও এমএম বিল্ডার্স নামের প্রতিষ্ঠান। 

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে শতাধিক হোটেল-মোটেল। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা, খাজুরা, গঙ্গামতী, কাউয়ার চর ও এর আশপাশে জমি কিনেছে সিকদার গ্রুপ, ইউএস বাংলা, সেঞ্চুরি, বসুধা, ওয়েস্টার্নসহ অন্তত ১৫টি ভারী শিল্পমালিক। এসব স্থানে কোম্পানিগুলো নির্মাণ করবে বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কলকারখানা ও বহুতল ভবন। কুয়াকাটায় নির্মাণের অপেক্ষায় রয়েছে ১৭ তলা ভবনের ওয়াচ টাওয়ার। মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় হবে আধুনিক পর্যটন এলাকা কুয়াকাটা। থাকবে এয়ারপোর্ট, স্টেডিয়ামসহ বহু স্থাপনা।

 

জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পায়রা থেকে কুয়াকাটার বিস্তৃত এলাকা ঘিরে পর্যটনভিত্তিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করতে যাচ্ছে সরকার, যার মনিটরিং করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। মাস্টারপ্ল্যানে থাকছে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আধুনিক পর্যটন স্থাপনা, শিল্পভিত্তিক বন্দরনগরী, পরিকল্পিত নগরায়ণ, যোগাযোগ, অর্থনীতি ও কৃষি খাতে উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও দুর্যোগঝুঁকিসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাভিত্তিক কার্যক্রম। আগামী ২০ বছরে এ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে। ২০১২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার এমবি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় রাঙ্গাবালীর সোনার চরে বিদেশি পর্যটকদের জন্য এক্সক্লুসিভ পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার এবং কুয়াকাটা, বরগুনার তালতলী ও পাথরঘাটা উপজেলার সমন্বয়ে পর্যটন জোন স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ২০১৬ সালে পায়রা-কুয়াকাটা ঘিরে মহাউন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে ২৭ সদস্যের সমন্বয় কমিটি করা হয় বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পাশাপাশি পায়রা-কুয়াকাটা নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি খসড়া আইন করা হয়েছে। আইনটি অনুমোদনের জন্য ক্যাবিনেটে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলে কর্তৃপক্ষ গঠনের গেজেট জারি করা হবে। আগামী ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা নিয়ে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে। যে সাত উপজেলা নিয়ে নগর উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার উপজেলাগুলো হলো, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, কলাপাড়া এবং বরগুনা সদর, তালতলী, আমতলী ও পাথরঘাটা। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, পায়রা সেতু চালু হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হলে সারা দেশের পর্যটকরা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় কুয়াকাটায় পৌঁছতে পারবেন। ফলে মানুষ ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় ব্যয় করে কক্সবাজার না গিয়ে স্বল্প সময়ে কুয়াকাটায় আসতে উৎসাহিত হবে। পর্যটন এলাকায় বিনিয়োগকারীরা তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটাবেন। একদিকে কর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে ব্যবসার প্রসার ঘটবে। সব মিলিয়ে দক্ষিণাঞ্চল হবে পর্যটনকেন্দ্রিক বড় জোন।

 

পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘পায়রা সেতু চালু হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলে ফেরিবিহীন যোগাযোগ শুরু হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হলে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সঙ্গে ঢাকাসহ সারা দেশের ফেরিবিহীন যোগাযোগ শুরু হবে। পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুরু হবে নতুন অধ্যায়। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রসার ঘটবে। তিনি জানান, কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দর ঘিরে ইতোমধ্যে দেশের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা বিভিন্ন এলাকায় বিনিয়োগ করার জন্য জমি কিনেছেন। আবার কেউ কেউ কেনার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এখানে স্থাপিত হবে ইপিজেড। গোটা পটুয়াখালীতে বিভিন্ন ধরনের ভারী শিল্প-কলকারখানা স্থাপনের চিন্তা করছেন ব্যবসায়ীরা। এসব কারণে লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কুয়াকাটায় বহু কোম্পানি জমি কিনে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। উন্নয়নের ফলে অন্যান্য শিল্পমালিকরা উৎসাহিত হয়ে দক্ষিণাঞ্চলে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবেন বলে আমার বিশ্বাস। সবকিছু মিলিয়ে ভবিষ্যতে দক্ষিণাঞ্চল হবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।’ পটুয়াখালী তথা দক্ষিণাঞ্চল দেশের অর্থনীতি সচলে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী।

সূএ:বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ৭৫ বছরের আওয়ামী লীগের চ্যালেঞ্জ সাম্প্রদায়িক শক্তি : কাদের

» আগামিকাল থেকে চলবে মৈত্রী এক্সপ্রেস

» দিল্লিতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শেখ হাসিনা ও মোদি

» মুসলিম অধ্যুষিত তাজিকিস্তানে নিষিদ্ধ হচ্ছে হিজাব!

» ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের যত কর্মসূচি

» বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিমে দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট

» বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অপরাধে ৮ জন গ্রেপ্তার

» গাছে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে নারী কণ্ঠ, কেন হচ্ছে এমন?

» এক ডিভাইসে ২টি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালাবেন

» কেন প্রভাসে মুগ্ধ দীপিকা?

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। (দপ্তর সম্পাদক)  
উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা
 সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,
ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু,
নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

পদ্মায় বদলাবে দক্ষিণাঞ্চল

জানা গেছে, পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী পায়রা সেতু থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কের আশপাশে দেশের ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা জমি কিনতে শুরু করেছেন। মহাসড়কে গড়ে উঠেছে অটোরাইস মিল। ইতোমধ্যে জমি কিনেছেন বহু শিল্পমালিক। পায়রা বন্দর এলাকার আশপাশে জমি কিনেছে মদিনা গ্রুপ ও এমএম বিল্ডার্স নামের প্রতিষ্ঠান। 

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে শতাধিক হোটেল-মোটেল। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা, খাজুরা, গঙ্গামতী, কাউয়ার চর ও এর আশপাশে জমি কিনেছে সিকদার গ্রুপ, ইউএস বাংলা, সেঞ্চুরি, বসুধা, ওয়েস্টার্নসহ অন্তত ১৫টি ভারী শিল্পমালিক। এসব স্থানে কোম্পানিগুলো নির্মাণ করবে বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কলকারখানা ও বহুতল ভবন। কুয়াকাটায় নির্মাণের অপেক্ষায় রয়েছে ১৭ তলা ভবনের ওয়াচ টাওয়ার। মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় হবে আধুনিক পর্যটন এলাকা কুয়াকাটা। থাকবে এয়ারপোর্ট, স্টেডিয়ামসহ বহু স্থাপনা।

 

জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পায়রা থেকে কুয়াকাটার বিস্তৃত এলাকা ঘিরে পর্যটনভিত্তিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করতে যাচ্ছে সরকার, যার মনিটরিং করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। মাস্টারপ্ল্যানে থাকছে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আধুনিক পর্যটন স্থাপনা, শিল্পভিত্তিক বন্দরনগরী, পরিকল্পিত নগরায়ণ, যোগাযোগ, অর্থনীতি ও কৃষি খাতে উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও দুর্যোগঝুঁকিসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাভিত্তিক কার্যক্রম। আগামী ২০ বছরে এ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে। ২০১২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার এমবি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় রাঙ্গাবালীর সোনার চরে বিদেশি পর্যটকদের জন্য এক্সক্লুসিভ পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার এবং কুয়াকাটা, বরগুনার তালতলী ও পাথরঘাটা উপজেলার সমন্বয়ে পর্যটন জোন স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ২০১৬ সালে পায়রা-কুয়াকাটা ঘিরে মহাউন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে ২৭ সদস্যের সমন্বয় কমিটি করা হয় বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পাশাপাশি পায়রা-কুয়াকাটা নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি খসড়া আইন করা হয়েছে। আইনটি অনুমোদনের জন্য ক্যাবিনেটে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলে কর্তৃপক্ষ গঠনের গেজেট জারি করা হবে। আগামী ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা নিয়ে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে। যে সাত উপজেলা নিয়ে নগর উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার উপজেলাগুলো হলো, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, কলাপাড়া এবং বরগুনা সদর, তালতলী, আমতলী ও পাথরঘাটা। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, পায়রা সেতু চালু হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হলে সারা দেশের পর্যটকরা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় কুয়াকাটায় পৌঁছতে পারবেন। ফলে মানুষ ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় ব্যয় করে কক্সবাজার না গিয়ে স্বল্প সময়ে কুয়াকাটায় আসতে উৎসাহিত হবে। পর্যটন এলাকায় বিনিয়োগকারীরা তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটাবেন। একদিকে কর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে ব্যবসার প্রসার ঘটবে। সব মিলিয়ে দক্ষিণাঞ্চল হবে পর্যটনকেন্দ্রিক বড় জোন।

 

পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘পায়রা সেতু চালু হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলে ফেরিবিহীন যোগাযোগ শুরু হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হলে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সঙ্গে ঢাকাসহ সারা দেশের ফেরিবিহীন যোগাযোগ শুরু হবে। পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুরু হবে নতুন অধ্যায়। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রসার ঘটবে। তিনি জানান, কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দর ঘিরে ইতোমধ্যে দেশের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা বিভিন্ন এলাকায় বিনিয়োগ করার জন্য জমি কিনেছেন। আবার কেউ কেউ কেনার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এখানে স্থাপিত হবে ইপিজেড। গোটা পটুয়াখালীতে বিভিন্ন ধরনের ভারী শিল্প-কলকারখানা স্থাপনের চিন্তা করছেন ব্যবসায়ীরা। এসব কারণে লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কুয়াকাটায় বহু কোম্পানি জমি কিনে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। উন্নয়নের ফলে অন্যান্য শিল্পমালিকরা উৎসাহিত হয়ে দক্ষিণাঞ্চলে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবেন বলে আমার বিশ্বাস। সবকিছু মিলিয়ে ভবিষ্যতে দক্ষিণাঞ্চল হবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।’ পটুয়াখালী তথা দক্ষিণাঞ্চল দেশের অর্থনীতি সচলে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী।

সূএ:বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। (দপ্তর সম্পাদক)  
উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা
 সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,
ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু,
নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com