পনির খাওয়ার যত উপকারিতা

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : নিরামিষ খাবারের নাম শুনলেই অনেকের ভ্রু কুঁচকে যায়। কিন্তু পনির থাকলেই মন ভালো হয়ে যায়। তাছাড়া, পনির দিয়ে রকমারি পদও রান্না করা যায়। কিন্তু স্বাস্থ্যের দিক দিয়ে কতটা উপযোগী পনির? আদৌ কি শরীরের কোনো লাভ হয় এই খাবার খেলে?

পনিরের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। যারা আমিষ খাবার খান না, তারা পনির খেয়ে দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে পারেন। পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখা থেকে শুরু করে ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং দেহে একাধিক কার্যকারিতা সম্পন্ন করার জন্য প্রোটিন জরুরি। পনিরের প্রোটিনে অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে, যা দেহে নানা ফাংশনের জন্য অপরিহার্য।

প্রোটিনের পাশাপাশি পনিরের মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি রয়েছে। এই দুই পুষ্টিই হাড়ের স্বাস্থ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য ভিটামিন ডি অপরিহার্য। দেহে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি থাকে, সে ক্ষেত্রে অস্টিওপোরসিসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সুতরাং, যে কোনো একটা পুষ্টির ঘাটতি থাকলেই হাড় সম্পর্কিত সমস্যা দেখা দেবে।

ব্রেকফাস্ট হোক কিংবা ডিনার, যে কোনো সময় পনির খাওয়া যায়। ব্রেকফাস্টে পনির খেলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভর্তি থাকবে। এতে মুখরোচক খাবার খাওয়া কিংবা বারবার খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। আরও সহজ হয়ে উঠবে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। এমনকি, ওয়েট লসের ডায়েটেও আপনি পনির রাখতে পারেন।

ডায়াবেটিসের রোগীদের খাওয়া-দাওয়া নিয়ে সচেতন থাকতে হয়। তবে, পনির খাওয়ায় কোনো বারণ নেই। পনিরের মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড সেরোটোনিন উৎপাদনে সহায়তা করে। এটি এক প্রকার নিউরোট্রান্সমিটার, যা দেহে অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি গ্লুকোজ় মেটাবলিজমে সাহায্য করে। এর জেরে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

পনিরের মধ্যে যে ফ্যাট পাওয়া যায়, তা কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পনিরের মধ্যে মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী। এই ফ্যাটগুলো রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

পনিরের মধ্যে জিংক রয়েছে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে মজবুত করতে সাহায্য করে পনির। পনিরের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং শারীরিক প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বৃষ্টিতে মেয়েটির অবাক দৃষ্টি

» আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই: এএসআইয়ের বক্তব্য ভাইরাল

» আলজেরিয়া থেকে এলএনজি ও সার আমদানির উদ্যোগ

» দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

» জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস : প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা

» সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শোক ও দুঃখ প্রকাশ

» আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো পুনর্মিলন নয়, বিচার নিশ্চিত করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার

» ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

» প্রধানমন্ত্রী এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কাজ করছেন: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

» আইআইএমএম-এর প্রধানের কাছে রোহিঙ্গা নির্যাতনের ন্যায়বিচার চাইলেন ত্রাণমন্ত্রী

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

পনির খাওয়ার যত উপকারিতা

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : নিরামিষ খাবারের নাম শুনলেই অনেকের ভ্রু কুঁচকে যায়। কিন্তু পনির থাকলেই মন ভালো হয়ে যায়। তাছাড়া, পনির দিয়ে রকমারি পদও রান্না করা যায়। কিন্তু স্বাস্থ্যের দিক দিয়ে কতটা উপযোগী পনির? আদৌ কি শরীরের কোনো লাভ হয় এই খাবার খেলে?

পনিরের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। যারা আমিষ খাবার খান না, তারা পনির খেয়ে দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে পারেন। পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখা থেকে শুরু করে ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং দেহে একাধিক কার্যকারিতা সম্পন্ন করার জন্য প্রোটিন জরুরি। পনিরের প্রোটিনে অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে, যা দেহে নানা ফাংশনের জন্য অপরিহার্য।

প্রোটিনের পাশাপাশি পনিরের মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি রয়েছে। এই দুই পুষ্টিই হাড়ের স্বাস্থ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য ভিটামিন ডি অপরিহার্য। দেহে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি থাকে, সে ক্ষেত্রে অস্টিওপোরসিসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সুতরাং, যে কোনো একটা পুষ্টির ঘাটতি থাকলেই হাড় সম্পর্কিত সমস্যা দেখা দেবে।

ব্রেকফাস্ট হোক কিংবা ডিনার, যে কোনো সময় পনির খাওয়া যায়। ব্রেকফাস্টে পনির খেলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভর্তি থাকবে। এতে মুখরোচক খাবার খাওয়া কিংবা বারবার খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। আরও সহজ হয়ে উঠবে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। এমনকি, ওয়েট লসের ডায়েটেও আপনি পনির রাখতে পারেন।

ডায়াবেটিসের রোগীদের খাওয়া-দাওয়া নিয়ে সচেতন থাকতে হয়। তবে, পনির খাওয়ায় কোনো বারণ নেই। পনিরের মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড সেরোটোনিন উৎপাদনে সহায়তা করে। এটি এক প্রকার নিউরোট্রান্সমিটার, যা দেহে অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি গ্লুকোজ় মেটাবলিজমে সাহায্য করে। এর জেরে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

পনিরের মধ্যে যে ফ্যাট পাওয়া যায়, তা কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পনিরের মধ্যে মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী। এই ফ্যাটগুলো রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

পনিরের মধ্যে জিংক রয়েছে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে মজবুত করতে সাহায্য করে পনির। পনিরের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং শারীরিক প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com