শিশুর ঘন ঘন পেটে ব্যথা কেন হয়? জেনে নিন প্রতিকার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : মৌসুম পরিবর্তনের সময় তাপমাত্রার ওঠানামা স্বাভাবিকভাবেই শিশুদের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে। এই সময়ে জ্বর, পেটের সমস্যা, বমিভাব, ক্ষুধামান্দ্য কিংবা ডায়রিয়ার মতো উপসর্গে শিশুদের ভুগতে দেখা যায়। তাই এমন পরিস্থিতিতে বাবা–মায়েদের সতর্ক থাকা জরুরি।

শিশু বিশেষজ্ঞরা জানান, শিশুর পেটে বারবার ব্যথা হওয়ার পেছনে শুধু ‘পেট গরম’ নয়, অন্ত্রে ভাইরাল সংক্রমণও বড় কারণ হতে পারে। এই সংক্রমণ থেকেই ঘন ঘন জ্বর ও পেটব্যথা দেখা দেয়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় স্টমাক ফ্লু।

চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, অন্ত্রে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে তাকে বলা হয় ভাইরাল গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস। অনেকেই একে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভেবে ভুল করেন, কিন্তু এটি আলাদা। স্বাভাবিকভাবে অন্ত্রে থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়া খাবার হজমে সাহায্য করে। কিন্তু বাইরে থেকে ক্ষতিকর ভাইরাস ঢুকে পড়লে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। এতে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না, পেটব্যথা, বমি, পেটখারাপ ও জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই শিশুদের খাবার ও পানীয়ের বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

বাবা–মায়েদের যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

  • হোটেল বা রেস্তোরাঁর খাবার যেমন বিরিয়ানি, রোল, প্যাকেটজাত চিপস বা অতিরিক্ত রেড মিট শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এগুলো পেপটিক আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ঘরে তৈরি খাবারই সবচেয়ে নিরাপদ।
  • বাইরের পানি পান করতে দেবেন না। রাস্তার শরবত, কোমল পানীয় বা প্যাকেটজাত ফলের রস এড়িয়ে চলুন।
  • রাস্তার খাবার একেবারেই দেওয়া উচিত নয়, বিশেষ করে রাস্তার আইসক্রিম।
  • রাস্তায় বিক্রি হওয়া কাটা ফল বা দীর্ঘ সময় খোলা রাখা সালাদ খাওয়ানো যাবে না। ফল খাওয়ানোর আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
  • বাড়িতে সহজপাচ্য খাবার যেমন ভাত, ডাল, কম তেলে রান্না করা মাছের ঝোল বা চিকেন স্ট্যু খাওয়ানো ভালো। পাশাপাশি ফুটানো পানি পান করানো সবচেয়ে নিরাপদ।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে শিশুর পেটের সমস্যা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মানবপাচারের অভিযোগে টেক্সাসের আদালতে বাংলাদেশি সাইফুল্লাহ

» রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ৪৮৭ জন গ্রেফতার

» যুদ্ধের মধ্যেই মার্কিন নারীকে মুক্তি, ইরানের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প

» জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

» আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ

» মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সাক্ষাৎ

» জুলাইকে ইতিহাসের পাতায় তুলে ধরার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

» বিবাহবার্ষিকীর দিনে দুই থেকে তিন হওয়ার বার্তা দিলেন সোহিনী

» হামলায় হরমুজে প্রাণ হারানো নাবিকদের বেশিরভাগই ভারতীয়

» বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

শিশুর ঘন ঘন পেটে ব্যথা কেন হয়? জেনে নিন প্রতিকার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : মৌসুম পরিবর্তনের সময় তাপমাত্রার ওঠানামা স্বাভাবিকভাবেই শিশুদের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে। এই সময়ে জ্বর, পেটের সমস্যা, বমিভাব, ক্ষুধামান্দ্য কিংবা ডায়রিয়ার মতো উপসর্গে শিশুদের ভুগতে দেখা যায়। তাই এমন পরিস্থিতিতে বাবা–মায়েদের সতর্ক থাকা জরুরি।

শিশু বিশেষজ্ঞরা জানান, শিশুর পেটে বারবার ব্যথা হওয়ার পেছনে শুধু ‘পেট গরম’ নয়, অন্ত্রে ভাইরাল সংক্রমণও বড় কারণ হতে পারে। এই সংক্রমণ থেকেই ঘন ঘন জ্বর ও পেটব্যথা দেখা দেয়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় স্টমাক ফ্লু।

চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, অন্ত্রে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে তাকে বলা হয় ভাইরাল গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস। অনেকেই একে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভেবে ভুল করেন, কিন্তু এটি আলাদা। স্বাভাবিকভাবে অন্ত্রে থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়া খাবার হজমে সাহায্য করে। কিন্তু বাইরে থেকে ক্ষতিকর ভাইরাস ঢুকে পড়লে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। এতে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না, পেটব্যথা, বমি, পেটখারাপ ও জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই শিশুদের খাবার ও পানীয়ের বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

বাবা–মায়েদের যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

  • হোটেল বা রেস্তোরাঁর খাবার যেমন বিরিয়ানি, রোল, প্যাকেটজাত চিপস বা অতিরিক্ত রেড মিট শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এগুলো পেপটিক আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ঘরে তৈরি খাবারই সবচেয়ে নিরাপদ।
  • বাইরের পানি পান করতে দেবেন না। রাস্তার শরবত, কোমল পানীয় বা প্যাকেটজাত ফলের রস এড়িয়ে চলুন।
  • রাস্তার খাবার একেবারেই দেওয়া উচিত নয়, বিশেষ করে রাস্তার আইসক্রিম।
  • রাস্তায় বিক্রি হওয়া কাটা ফল বা দীর্ঘ সময় খোলা রাখা সালাদ খাওয়ানো যাবে না। ফল খাওয়ানোর আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
  • বাড়িতে সহজপাচ্য খাবার যেমন ভাত, ডাল, কম তেলে রান্না করা মাছের ঝোল বা চিকেন স্ট্যু খাওয়ানো ভালো। পাশাপাশি ফুটানো পানি পান করানো সবচেয়ে নিরাপদ।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে শিশুর পেটের সমস্যা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com