১২৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পি‌ছিয়েছে।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।

এদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে নতুন দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছাল।

সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের আদেশ দেন হাইকোর্ট। বর্তমানে পিবিআই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অপর আসামিরা হলেন-বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ রুদ্র জামিনে আছেন। বাকিরা এখনো কারাগারে।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরে বাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।

এর দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না: মঞ্জু

» গণরায় বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে দেশ চালাচ্ছে সরকার: গোলাম পরওয়ার

» গণভোটের রায় পূর্ণ বাস্তবায়নে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মামুনুল হক

» প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

» সরকারি ও বিরোধী দল উভয়ের প্রতি ন্যায় বিচারের চেষ্টা করি : স্পিকার

» অন্তর্বর্তী সরকার হামের টিকা দেশে না আনায় অনেক শিশু মারা গেছে: স্পিকার

» দেশের স্বার্থ বিরোধী চক্র কিন্তু এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

» রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট

» নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সব ম্যাচ সরাসরি দেখুন টফিতে

» হজযাত্রীদের জন্য প্রথম ফাইভ–জি রোমিং আনল বাংলালিংক

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

১২৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পি‌ছিয়েছে।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।

এদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে নতুন দিন ধার্য করেন।

এ নিয়ে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছাল।

সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের আদেশ দেন হাইকোর্ট। বর্তমানে পিবিআই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অপর আসামিরা হলেন-বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ রুদ্র জামিনে আছেন। বাকিরা এখনো কারাগারে।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরে বাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।

এর দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com