জ্বালানি সংকটে থাইল্যান্ডে লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহারের নির্দেশ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় শক্তি সাশ্রয়ে একাধিক জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে থাইল্যান্ড সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সরকারি কর্মকর্তাদের জ্বালানি ব্যবহারে সংযম দেখাতে এবং অফিস কার্যক্রমে নতুন কিছু বিধিনিষেধ মানতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সরকারের এক মুখপাত্র জানান, অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর আপাতত স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের লিফট ব্যবহার কমিয়ে সিঁড়ি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। অধিকাংশ সরকারি কর্মচারীকে বাসা থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, তবে যারা সরাসরি জনসেবা দেন- যেমন হাসপাতাল বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, তাদের জন্য এ নির্দেশ প্রযোজ্য হবে না।

সরকারি দপ্তরগুলোতে বিদ্যুৎ খরচ কমাতে আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অফিসে অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখা এবং এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করা। কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক পোশাকের বদলে হালকা পোশাক পরারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ওপর চাপ কমে।

থাইল্যান্ডের জ্বালানি মন্ত্রী আত্তাপোল রের্কপিবুন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশটির কাছে প্রায় ৯৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকার যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে অতিরিক্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে।

দেশটির এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৮ শতাংশ পূরণ হয় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। এর একটি বড় অংশ আসে থাইল্যান্ড উপসাগরে দেশের নিজস্ব উৎপাদন থেকে, আর অবশিষ্ট গ্যাসের উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানি করা হয়-যার মধ্যে প্রায় ১৩ শতাংশ আসে প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। থাইল্যান্ড সরকারও চাহিদা কমিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

তথ্য সূত্র – আনাদলু এজেন্সি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মৃগী রোগ নিয়ে কিছু কথা

» ১৪০০ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ ৪জন আটক

» আফগানি চিকেন কাবাব মালাইকারি তৈরির রেসিপি

» সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট

» বিদেশ সফরে গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

» হরমুজ খোলা নিয়ে যা বলা হচ্ছে, বাস্তবতা কি একেবারেই ভিন্ন

» কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

» টয়লেটের বাইরে ‘WC’ লেখা থাকে, এর অর্থ কী?

» ৪ অনভিষিক্তকে নিয়ে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান

» মৃতের দাফন-কাফনে কি জাকাতের টাকা দেওয়া যাবে?

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

জ্বালানি সংকটে থাইল্যান্ডে লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহারের নির্দেশ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় শক্তি সাশ্রয়ে একাধিক জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে থাইল্যান্ড সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সরকারি কর্মকর্তাদের জ্বালানি ব্যবহারে সংযম দেখাতে এবং অফিস কার্যক্রমে নতুন কিছু বিধিনিষেধ মানতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সরকারের এক মুখপাত্র জানান, অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর আপাতত স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের লিফট ব্যবহার কমিয়ে সিঁড়ি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। অধিকাংশ সরকারি কর্মচারীকে বাসা থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, তবে যারা সরাসরি জনসেবা দেন- যেমন হাসপাতাল বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, তাদের জন্য এ নির্দেশ প্রযোজ্য হবে না।

সরকারি দপ্তরগুলোতে বিদ্যুৎ খরচ কমাতে আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অফিসে অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখা এবং এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করা। কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক পোশাকের বদলে হালকা পোশাক পরারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ওপর চাপ কমে।

থাইল্যান্ডের জ্বালানি মন্ত্রী আত্তাপোল রের্কপিবুন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশটির কাছে প্রায় ৯৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকার যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে অতিরিক্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে।

দেশটির এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৮ শতাংশ পূরণ হয় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। এর একটি বড় অংশ আসে থাইল্যান্ড উপসাগরে দেশের নিজস্ব উৎপাদন থেকে, আর অবশিষ্ট গ্যাসের উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানি করা হয়-যার মধ্যে প্রায় ১৩ শতাংশ আসে প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। থাইল্যান্ড সরকারও চাহিদা কমিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

তথ্য সূত্র – আনাদলু এজেন্সি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com