সরকারি হাসপাতাল ঘিরে কেন এত দালাল?

সরকারি হাসপাতালগুলোতে দালালের দৌরাত্ম্য বাড়ছেই। রোগী ভাগিয়ে নেয়া থেকে শুরু করে সিট বাণিজ্য, পরীক্ষা, আইসিইউ, সর্বত্রই দালাল। দালালদের কারণে অতিষ্ঠ রোগীরা। নতুন রোগী হাসপাতালে প্রবেশ করলেই দালালরা ঘিরে ধরে। তাদের পাল্লায় পড়ে রোগীদের সরকারি সুবিধা নিতেও গুনতে হচ্ছে টাকা। এ ছাড়া দালালরা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার খারাপ চিত্র তুলে ধরে রোগীদের ভাগিয়ে নিচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসকরা রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিলে সেগুলোও তারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে করাচ্ছে। যদিও এসব দালালদের নিয়ন্ত্রণ করেন খোদ হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।  

 

মাঠ পর্যায়ের এসব দালালদের নিয়ন্ত্রণ করতে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি একযোগে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও একাধিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে অসাধু দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫শ’ জনকে আটক করেছে। তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। কিন্তু এসব অভিযানেও হাসপাতাল থেকে দালাল দূর করা সম্ভব হয় না। কারণ তারা জামিনে মুক্তি নিয়ে ফের একই কাজ শুরু করে।

সরকারি হাসপাতালগুলোতে কেন এত দালাল, কেনইবা তাদের নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না? এসব বিষয় নিয়ে  থেকে জনস্বাস্থ্যবিদ, হাসপাতালের পরিচালকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তারা অনেকেই হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কিছু সিস্টেমকে এজন্য দায়ী করেছেন। দালালদের দৌরাত্ম্যের পেছনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্বায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে দালালদের নির্মূল করা সম্ভব বলে তারা জানিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, দালাল কোথায় নেই? সুশাসনের অভাবে মূলত এগুলো হচ্ছে। দালালরা এককভাবেতো এটা করতে পারে না, যদি সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ তাদের সমর্থন না থাকে। তাহলে কি তারা থাকতে পারে? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কারাদণ্ড দিয়েছে। জেল থেকে বেড়িয়ে তারা পুনরায় একইভাবে সক্রিয় হবে। এই জনস্বাস্থ্যবিদ বলেন, এক্ষেত্রে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের চিহ্নিত করা উচিত সরকারি হাসপাতালের এই পরীক্ষা কীভাবে বাইরে গেল। চিকিৎসক এবং হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা যদি তাদের এই দায়িত্বটা ঠিকমতো পালন না করে শুধু দালালদের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয় তাহলেতো হবে না। মূলকথা হলো, সরকারি হাসপাতালে দালালরা এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজ করতে পারে না যদি সেখানকার চিকিৎসকসহ অন্যরা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না হয়। এভাবে সকলেই যদি এর সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে দালালচক্রকে নির্মূল করা কখনোই সম্ভব নয়।
চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কিছুতো দায়বদ্ধতা থাকেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখন এককভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে তখনই আইনশৃঙ্খখলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে পারলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের প্রয়োজন হয় না।
ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, অভিযানগুলো খুবই দরকার। এটা না করলে দালালের দৌরত্ম্য দিনদিন বেড়েই চলবে। তিনি বলেন, হাসপাতালে যারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এক্ষেত্রে তাদের একটি প্রভাব সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে হাসপাতালের স্টাফ, নার্সসহ অন্যান্য কর্মচারী তাদের বিভিন্ন সংগঠন সব মিলিয়ে তারা নিজেরাও কিছুটা সম্পৃক্ত হয়ে যায়। তাদের মধ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার একটি তৎপরতাতো থাকেই। সেগুলো রোধ করার বিষয়টি তখন একটি চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে যায়। হাসপাতালের তৃত্বীয় শ্রেণি, চতুর্থ শ্রেণিসহ কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন রয়েছে যারা হাসপাতালের পরিস্থিতি নাজুক করার জন্য নানাভাবে তৎপরতা চালায় প্রশাসনের উপর। এক্ষেত্রে সার্বিক বিষয়গুলো যখন আমরা এক করি তখন দেখা যায় পুরো ব্যবস্থাপনার মধ্যে অনেক জটিলতা রয়ে গেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে দালালদের একটি চক্র কাজ করছে এটা ব্যক্তিগতভাবে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এক্ষেত্রে হাসপাতাল প্রশাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকতে হবে সাধারণ রোগীদেরকে বিভিন্নভাবে সচেতন করা। তারপরেও দুঃখজনকভাবে সাধারণ রোগীরা এই দালালদের বিভিন্ন প্রলোভনে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যেমন দায় রয়েছে একইভাবে আমাদের সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি এর সঙ্গে হাসপাতালের কারও সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনলে এদের সংখ্যা কমে আসবে বলে জানান তিনি।

সূএ:মানবজমিন

Facebook Comments Box
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» টাখনুর নিচে কাপড় পরা হারাম কেন?

» বেড়ে ওঠা শৈশবের হৃদয়

» নুডলস পাকোড়া বানানোর সহজ রেসিপি

» রানি ক্লিওপেট্রা কেন পানির নিচে রাজপ্রাসাদ গড়েছিলেন?

» ‘বাতাসেই দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা’

» কুষ্টিয়ায় সাব রেজিস্ট্রার হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

» সাগরে ফের লঘুচাপ

» বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫২ জন গ্রেফতার

» যেসব রঙ ঘরে শান্তি আনে

» তারাও যেন ঐশ্বরিয়া

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

সরকারি হাসপাতাল ঘিরে কেন এত দালাল?

সরকারি হাসপাতালগুলোতে দালালের দৌরাত্ম্য বাড়ছেই। রোগী ভাগিয়ে নেয়া থেকে শুরু করে সিট বাণিজ্য, পরীক্ষা, আইসিইউ, সর্বত্রই দালাল। দালালদের কারণে অতিষ্ঠ রোগীরা। নতুন রোগী হাসপাতালে প্রবেশ করলেই দালালরা ঘিরে ধরে। তাদের পাল্লায় পড়ে রোগীদের সরকারি সুবিধা নিতেও গুনতে হচ্ছে টাকা। এ ছাড়া দালালরা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার খারাপ চিত্র তুলে ধরে রোগীদের ভাগিয়ে নিচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসকরা রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিলে সেগুলোও তারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে করাচ্ছে। যদিও এসব দালালদের নিয়ন্ত্রণ করেন খোদ হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।  

 

মাঠ পর্যায়ের এসব দালালদের নিয়ন্ত্রণ করতে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি একযোগে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও একাধিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে অসাধু দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫শ’ জনকে আটক করেছে। তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। কিন্তু এসব অভিযানেও হাসপাতাল থেকে দালাল দূর করা সম্ভব হয় না। কারণ তারা জামিনে মুক্তি নিয়ে ফের একই কাজ শুরু করে।

সরকারি হাসপাতালগুলোতে কেন এত দালাল, কেনইবা তাদের নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না? এসব বিষয় নিয়ে  থেকে জনস্বাস্থ্যবিদ, হাসপাতালের পরিচালকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তারা অনেকেই হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কিছু সিস্টেমকে এজন্য দায়ী করেছেন। দালালদের দৌরাত্ম্যের পেছনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্বায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে দালালদের নির্মূল করা সম্ভব বলে তারা জানিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, দালাল কোথায় নেই? সুশাসনের অভাবে মূলত এগুলো হচ্ছে। দালালরা এককভাবেতো এটা করতে পারে না, যদি সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ তাদের সমর্থন না থাকে। তাহলে কি তারা থাকতে পারে? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কারাদণ্ড দিয়েছে। জেল থেকে বেড়িয়ে তারা পুনরায় একইভাবে সক্রিয় হবে। এই জনস্বাস্থ্যবিদ বলেন, এক্ষেত্রে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের চিহ্নিত করা উচিত সরকারি হাসপাতালের এই পরীক্ষা কীভাবে বাইরে গেল। চিকিৎসক এবং হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা যদি তাদের এই দায়িত্বটা ঠিকমতো পালন না করে শুধু দালালদের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয় তাহলেতো হবে না। মূলকথা হলো, সরকারি হাসপাতালে দালালরা এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজ করতে পারে না যদি সেখানকার চিকিৎসকসহ অন্যরা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না হয়। এভাবে সকলেই যদি এর সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে দালালচক্রকে নির্মূল করা কখনোই সম্ভব নয়।
চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কিছুতো দায়বদ্ধতা থাকেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখন এককভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে তখনই আইনশৃঙ্খখলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে পারলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের প্রয়োজন হয় না।
ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, অভিযানগুলো খুবই দরকার। এটা না করলে দালালের দৌরত্ম্য দিনদিন বেড়েই চলবে। তিনি বলেন, হাসপাতালে যারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এক্ষেত্রে তাদের একটি প্রভাব সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে হাসপাতালের স্টাফ, নার্সসহ অন্যান্য কর্মচারী তাদের বিভিন্ন সংগঠন সব মিলিয়ে তারা নিজেরাও কিছুটা সম্পৃক্ত হয়ে যায়। তাদের মধ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার একটি তৎপরতাতো থাকেই। সেগুলো রোধ করার বিষয়টি তখন একটি চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে যায়। হাসপাতালের তৃত্বীয় শ্রেণি, চতুর্থ শ্রেণিসহ কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন রয়েছে যারা হাসপাতালের পরিস্থিতি নাজুক করার জন্য নানাভাবে তৎপরতা চালায় প্রশাসনের উপর। এক্ষেত্রে সার্বিক বিষয়গুলো যখন আমরা এক করি তখন দেখা যায় পুরো ব্যবস্থাপনার মধ্যে অনেক জটিলতা রয়ে গেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে দালালদের একটি চক্র কাজ করছে এটা ব্যক্তিগতভাবে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এক্ষেত্রে হাসপাতাল প্রশাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকতে হবে সাধারণ রোগীদেরকে বিভিন্নভাবে সচেতন করা। তারপরেও দুঃখজনকভাবে সাধারণ রোগীরা এই দালালদের বিভিন্ন প্রলোভনে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যেমন দায় রয়েছে একইভাবে আমাদের সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি এর সঙ্গে হাসপাতালের কারও সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনলে এদের সংখ্যা কমে আসবে বলে জানান তিনি।

সূএ:মানবজমিন

Facebook Comments Box
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com