লাল দানবাক্স

রাজধানীর বনানীর কাকলিতে যানজটের মাঝে ভরদুপুরে এগাড়ি-ওগাড়িতে উঁকি দিচ্ছেন কয়েকজন লোক। মাথায় টুপি, লম্বা পাঞ্জাবি আর রুমাল রয়েছে কাঁধে। তারা মসজিদ-মাদ্রাসার নামে টাকা তুলছেন। কাউকে রিসিট দিচ্ছেন, কাউকে দিচ্ছেন না। সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি তারা টাকা তুলছেন গাড়িতে হাত বাড়িয়ে। সাধারণ মানুষও তাদের হাতে দানের টাকা তুলে দিচ্ছেন। আমাদের দেশে হাটবাজার, ফুটপাথ, বিভিন্ন দোকান, দেওয়ালে ঝুলানো অবস্থায় কিছু বাক্স দেখা যায়। এই বাক্সগুলার সঙ্গে আমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। যার নাম হচ্ছে ‘দানবাক্স’। মসজিদ, মাদ্রাসা, মাজার বা বিভিন্ন পীরের নামে সারা দেশে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ৫০ লাখেরও বেশি এমন দানবাক্স। ফোন নাম্বার দেওয়া থাকলেও সবই থাকে বন্ধ। এসব দানবক্স বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় অবস্থিত মাজার অথবা নানান নামে থাকে। লাল ও কালো রঙের ছোট গোল এবং চৌকোনাবিশিষ্ট এসব দানবাক্সে সারা দেশে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা জমা পড়ে। মসজিদ-মাদ্রাসার নামে কিছু কিছু দানবাক্স থাকলেও মূলত মাজার ও পীরের নামে থাকা দানবাক্সের সংখ্যাই বেশি। কোথায় মসজিদ, কোথায় মাদ্রাসা-কয়জন রাখেন সে খবর? তাই দানের কথা বলে হাত বাড়ালেই তুলে দিচ্ছেন টাকা। বা লাল রঙের গোল সেই দানবাক্স চোখের সামনে পড়লেই টাকা গুঁজে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু পুণ্যের আশায় দান করা ধর্মভীরু এসব মানুষের অনেকেই জানেন না তাদের টাকা আসলে যাচ্ছে কোথায়। ধর্মের অজুহাতে সংগ্রহ করা এসব টাকা আসলে যে সঠিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে না, তা তাদের অজানাই থেকে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে, শক্তিশালী প্রতারক চক্র দানের নামে যে টাকা তুলছে তার বেশিরভাগই লোপাট করে নিচ্ছে। মানুষের সরল অনুভূতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করে জমজমাট ব্যবসা করছে এই চক্র। চক্র ছড়িয়ে আছে সারা বাংলাদেশে।

কাকলিতে যে দলটি টাকা তুলছে, তাদের কাছে রয়েছে মহাখালী সাততলা বস্তির একটি মসজিদ ও মাদ্রসার রিসিট। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেই মসজিদ কমিটি এমন গ্রুপ রাস্তায় নামিয়েছে টাকা তোলার জন্য। তাদের সঙ্গে চুক্তি তারা প্রতি মাসে মসজিদে ১০ হাজার টাকা জমা দেবে। উপরে যা থাকবে সবই থাকবে দান আদায়কারীর। ৪-৫ জন মিলে তারা সকাল-সন্ধ্যা টাকা তুলছে। প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা তুলছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। মোটা অংকের টাকা তারা মসজিদ-মাদ্রাসার নামে তুললেও জমা দিচ্ছে মাসে ১০ হাজার টাকা। আবার এই মসজিদ কমিটি যে দায়িত্ব দিয়েছে টাকা তোলার জন্য, সে খবরও স্থানীয় মুসল্লিরা জানেন না। কমিটির লোকজনই মূলত এই টাকা গোপনে তুলে লোপাট করে দিচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। হাতিরঝিলে মাইকিং করে টাকা তুলছে একটি গ্রুপ। এই গ্রুপের নেতৃত্বে থাকছে কামাল। মূলত ঢাকায় এভাবে টাকা তোলা গ্রুপগুলোকে যারা নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের মধ্যে এই কামাল অন্যতম। তার অনুমতি ছাড়া কেউ ঢাকার একটি অংশে টাকা তুলতে পারে না। তারা বেগুনবাড়িতে অবস্থিত একটি মাজারের নামে টাকা তুলছেন। তার রয়েছে শতাধিক লোক। প্রতি মাসে প্রতিজনের কাছ থেকে তিনি ২৫০০ টাকা নেন। তিনি প্রতি মাসে কিছু টাকা জমা দিয়ে আসেন সেই মাজারে। এই কামাল নিজেও জানে না সেই পীরের মাজারের আদ্যোপান্ত। শুধু তাই নয়, মাজারের লোকজনও ঠিকমতো বলতে পারেন না পীরের সম্পর্কে। অথচ তারা প্রতি মাসে রাস্তা থেকেই লাখ লাখ টাকা তুলছে। কামাল জানায়, পুলিশ কখনো বাধা দেয় না। সেই সিস্টেম করে রেখেছে তারা। পুলিশকেও তারা মোটা অংকের বখশিশ দিচ্ছে নিয়মিত। যে কারণে পুলিশ তাদের ধরে না। রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি দানবক্স দেখা যায় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ ইয়ার উদ্দিন খলিফার মাজারের। ফুটওভারব্রিজ, রাস্তা, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে লাল ছোট বক্সে উত্তোলন হয় এ মাজারের টাকা। এসব টাকা তোলার জন্য লিজ দেওয়া হয়ে থাকে। শুধু ঢাকাতেই রয়েছে ১০ হাজারের ওপর দানবাক্স। এর মধ্যে দেড়শ দানবাক্স চালান খলিল নামে এক ব্যক্তি। প্রতি ১০০ দানবাক্সের জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে তিনি দানবাক্স চালান। সে হিসাবে তিনি ১৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে জমা দেন। কিন্তু এই দেড়শ দানবাক্সে প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকারও বেশি জমা পড়ে বলে খলিলের লোকজনের কাছ থেকে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম কখনো মাজার সংস্কৃতিকে অনুমোদন করে না, তারপরও ধর্মকে পুঁজি করে আর সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে একশ্রেণির ধর্ম ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষের পকেট থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ঘর থেকে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষ প্রতিদিন বাজার শেষে পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে যে যার মতো করে আল্লাহর ওয়াস্তে দানবাক্সে টাকা ফেলে যান। দানবাক্সে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা উঠলেও এ টাকার সিংহভাগই যায় কথিত প্রতারকদের পকেটে। সারা দেশে এসব দানবাক্স বসিয়ে রীতিমতো বাণিজ্য চলছে। আর এখান থেকেই মাস শেষে আয় হচ্ছে কোটি টাকা। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, মসজিদ-মাদ্রাসা হলো সম্মানিত প্রতিষ্ঠান। আর এই মসজিদের জন্য দান করতে হবে সম্মানিত পদ্ধতিতেই। ভিক্ষাবৃত্তি করে নয়। এক্ষেত্রে মসজিদের সীমানার ভিতরে রাখা দানবাক্স বা সঠিক দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকের হাতেই দান করতে হবে। বিডি প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» লিভার সিরোসিস কখন হয়?

» বয়স ‘কমাবে’ করলা!

» মালয়েশিয়ান তরুণীকে ছুরিকাঘাত, বাংলাদেশির ২০ বছরের জেল

» গাড়িতে গাড়িতে ‘গ্যাস বোমা’

» অভিনয়ে ফিরছেন তমালিকা

» অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে ৪২২ হাসপাতাল

» পাঁচ হাজার ভয়ঙ্কর মৃত্যুকূপ জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পুরান ঢাকায় মানুষের ঘরবসতি ব্যবসা-বাণিজ্য

» নারায়ণগঞ্জে আগুন, হুড়োহুড়িতে আহত ১০

» টেকনাফে শরণার্থী শিবিরে এক রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ

» আশুলিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, এসআইসহ আহত ১০

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

লাল দানবাক্স

রাজধানীর বনানীর কাকলিতে যানজটের মাঝে ভরদুপুরে এগাড়ি-ওগাড়িতে উঁকি দিচ্ছেন কয়েকজন লোক। মাথায় টুপি, লম্বা পাঞ্জাবি আর রুমাল রয়েছে কাঁধে। তারা মসজিদ-মাদ্রাসার নামে টাকা তুলছেন। কাউকে রিসিট দিচ্ছেন, কাউকে দিচ্ছেন না। সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি তারা টাকা তুলছেন গাড়িতে হাত বাড়িয়ে। সাধারণ মানুষও তাদের হাতে দানের টাকা তুলে দিচ্ছেন। আমাদের দেশে হাটবাজার, ফুটপাথ, বিভিন্ন দোকান, দেওয়ালে ঝুলানো অবস্থায় কিছু বাক্স দেখা যায়। এই বাক্সগুলার সঙ্গে আমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। যার নাম হচ্ছে ‘দানবাক্স’। মসজিদ, মাদ্রাসা, মাজার বা বিভিন্ন পীরের নামে সারা দেশে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ৫০ লাখেরও বেশি এমন দানবাক্স। ফোন নাম্বার দেওয়া থাকলেও সবই থাকে বন্ধ। এসব দানবক্স বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় অবস্থিত মাজার অথবা নানান নামে থাকে। লাল ও কালো রঙের ছোট গোল এবং চৌকোনাবিশিষ্ট এসব দানবাক্সে সারা দেশে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা জমা পড়ে। মসজিদ-মাদ্রাসার নামে কিছু কিছু দানবাক্স থাকলেও মূলত মাজার ও পীরের নামে থাকা দানবাক্সের সংখ্যাই বেশি। কোথায় মসজিদ, কোথায় মাদ্রাসা-কয়জন রাখেন সে খবর? তাই দানের কথা বলে হাত বাড়ালেই তুলে দিচ্ছেন টাকা। বা লাল রঙের গোল সেই দানবাক্স চোখের সামনে পড়লেই টাকা গুঁজে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু পুণ্যের আশায় দান করা ধর্মভীরু এসব মানুষের অনেকেই জানেন না তাদের টাকা আসলে যাচ্ছে কোথায়। ধর্মের অজুহাতে সংগ্রহ করা এসব টাকা আসলে যে সঠিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে না, তা তাদের অজানাই থেকে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে, শক্তিশালী প্রতারক চক্র দানের নামে যে টাকা তুলছে তার বেশিরভাগই লোপাট করে নিচ্ছে। মানুষের সরল অনুভূতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করে জমজমাট ব্যবসা করছে এই চক্র। চক্র ছড়িয়ে আছে সারা বাংলাদেশে।

কাকলিতে যে দলটি টাকা তুলছে, তাদের কাছে রয়েছে মহাখালী সাততলা বস্তির একটি মসজিদ ও মাদ্রসার রিসিট। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেই মসজিদ কমিটি এমন গ্রুপ রাস্তায় নামিয়েছে টাকা তোলার জন্য। তাদের সঙ্গে চুক্তি তারা প্রতি মাসে মসজিদে ১০ হাজার টাকা জমা দেবে। উপরে যা থাকবে সবই থাকবে দান আদায়কারীর। ৪-৫ জন মিলে তারা সকাল-সন্ধ্যা টাকা তুলছে। প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা তুলছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। মোটা অংকের টাকা তারা মসজিদ-মাদ্রাসার নামে তুললেও জমা দিচ্ছে মাসে ১০ হাজার টাকা। আবার এই মসজিদ কমিটি যে দায়িত্ব দিয়েছে টাকা তোলার জন্য, সে খবরও স্থানীয় মুসল্লিরা জানেন না। কমিটির লোকজনই মূলত এই টাকা গোপনে তুলে লোপাট করে দিচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। হাতিরঝিলে মাইকিং করে টাকা তুলছে একটি গ্রুপ। এই গ্রুপের নেতৃত্বে থাকছে কামাল। মূলত ঢাকায় এভাবে টাকা তোলা গ্রুপগুলোকে যারা নিয়ন্ত্রণ করছে, তাদের মধ্যে এই কামাল অন্যতম। তার অনুমতি ছাড়া কেউ ঢাকার একটি অংশে টাকা তুলতে পারে না। তারা বেগুনবাড়িতে অবস্থিত একটি মাজারের নামে টাকা তুলছেন। তার রয়েছে শতাধিক লোক। প্রতি মাসে প্রতিজনের কাছ থেকে তিনি ২৫০০ টাকা নেন। তিনি প্রতি মাসে কিছু টাকা জমা দিয়ে আসেন সেই মাজারে। এই কামাল নিজেও জানে না সেই পীরের মাজারের আদ্যোপান্ত। শুধু তাই নয়, মাজারের লোকজনও ঠিকমতো বলতে পারেন না পীরের সম্পর্কে। অথচ তারা প্রতি মাসে রাস্তা থেকেই লাখ লাখ টাকা তুলছে। কামাল জানায়, পুলিশ কখনো বাধা দেয় না। সেই সিস্টেম করে রেখেছে তারা। পুলিশকেও তারা মোটা অংকের বখশিশ দিচ্ছে নিয়মিত। যে কারণে পুলিশ তাদের ধরে না। রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি দানবক্স দেখা যায় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ ইয়ার উদ্দিন খলিফার মাজারের। ফুটওভারব্রিজ, রাস্তা, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে লাল ছোট বক্সে উত্তোলন হয় এ মাজারের টাকা। এসব টাকা তোলার জন্য লিজ দেওয়া হয়ে থাকে। শুধু ঢাকাতেই রয়েছে ১০ হাজারের ওপর দানবাক্স। এর মধ্যে দেড়শ দানবাক্স চালান খলিল নামে এক ব্যক্তি। প্রতি ১০০ দানবাক্সের জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে তিনি দানবাক্স চালান। সে হিসাবে তিনি ১৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে জমা দেন। কিন্তু এই দেড়শ দানবাক্সে প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকারও বেশি জমা পড়ে বলে খলিলের লোকজনের কাছ থেকে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম কখনো মাজার সংস্কৃতিকে অনুমোদন করে না, তারপরও ধর্মকে পুঁজি করে আর সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে একশ্রেণির ধর্ম ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষের পকেট থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ঘর থেকে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষ প্রতিদিন বাজার শেষে পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে যে যার মতো করে আল্লাহর ওয়াস্তে দানবাক্সে টাকা ফেলে যান। দানবাক্সে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা উঠলেও এ টাকার সিংহভাগই যায় কথিত প্রতারকদের পকেটে। সারা দেশে এসব দানবাক্স বসিয়ে রীতিমতো বাণিজ্য চলছে। আর এখান থেকেই মাস শেষে আয় হচ্ছে কোটি টাকা। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, মসজিদ-মাদ্রাসা হলো সম্মানিত প্রতিষ্ঠান। আর এই মসজিদের জন্য দান করতে হবে সম্মানিত পদ্ধতিতেই। ভিক্ষাবৃত্তি করে নয়। এক্ষেত্রে মসজিদের সীমানার ভিতরে রাখা দানবাক্স বা সঠিক দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকের হাতেই দান করতে হবে। বিডি প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com