বাংলাদেশের উন্নয়ন তাক লাগানোর মতো: হানিফ

বাংলাদেশের উন্নয়ন অনেক দেশের কাছে তাক লাগানোর মতো। অথচ বিএনপি এটাও স্বীকার করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

 

তিনি বলেন, বিএনপি আজ সত্য স্বীকার করতে চায় না। দেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বিশ্বের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমরা ২০৩১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার ধারায় আছি। আর বিএনপি নেতারা প্রতিদিন মিথ্যাচার করছেন। গত ১২টা বাজেটের পর তারা বলেছেন, ‘এটা গরিব মারার বাজেট’।

আজ (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্র।

 

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ভূতের মুখে রাম নাম। তাদের নেতা তারেক রহমান হাওয়া ভবন বানিয়ে কমিশন বাণিজ্য করেছেন। তাকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে কানাডা, সিঙ্গাপুরের আদালত রায় দিয়েছে। তারা এতটাই দুর্নীতিবাজ, দুর্নীতিতে অভিযুক্তরা দলে পদ পাবে না তাই গঠনতন্ত্র থেকে সেই ধারা তুলে দিয়েছে। আজ সেই দলের নেতারা দুর্নীতি, চুরির কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, বিএনপি গোটা দলটাই দুর্নীতিবাজ। দুর্নীতির কারণে মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, আজ তারা আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। অথচ আজ তারাই দুর্নীতির কথা বলে।

 

আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে অসৎ, নীতি-নৈতিকতাহীন বানানোর কাজ শুরু করেছিলেন। ছাত্রদের হাতে অস্ত্র, অর্থ তুলে দিয়েছিলেন। স্বেচ্ছায় খাল কাটা কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। ১৯৮১ সালে উনি (জিয়াউর রহমান) মারা যাওয়ার পর সরকারি প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে দেখা যায় সরকার কাজটি করলে ব্যয় হতো ৫ কোটি টাকা। তিনি খাল কাটা কর্মসূচি করায় খরচ হয়েছে ৮৫ কোটি টাকা। সেই সময়ে থেকে মানুষকে নীতি-নৈতিকতাহীন করা শুরু হয়েছিল।

শেখ হাসিনা দক্ষ মানবসম্পদে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা বলেন, ডেভেলপমেন্ট সাসটেইনেবেল করতে হলে দক্ষ মানবসম্পদ গুরুত্বপূর্ণ। জেলা পর্যায়ে কারিগরি বিদ্যালয় করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা দক্ষ মানবসম্পদ হলে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে এবং দেশের বাইরে থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে।

 

তিনি বলেন, বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমিকরা ৭০০ রিয়াল পান, অন্যদিকে ভারতীয়রা পান ১৬০০ রিয়াল। কারণ তারা দক্ষ, প্রশিক্ষিত, স্কিল লেবার এবং তাদের কমিউনিকেশন স্কিল ভালো। বিদেশে বেশি বেতন পেতে হলে দক্ষতার বিকল্প নেই। আর এজন্য (দক্ষতা উন্নয়নে) সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

 

সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ একমাত্র মূলমন্ত্র নয় উল্লেখ করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, নীতি-নৈতিকতা, সততা, দেশপ্রেমের মূল্যবোধ না থাকলে আউটপুট আসবে না। বর্তমান বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা সততা, নীতি-নৈতিকতা না থাকা। যতক্ষণ আমরা নীতি-নৈতিকতা, সততায় ডেভেলপ করতে না পারবো, ততক্ষণ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট হবে না।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা একজনই। তিনি তার শ্রম, বিচক্ষণতা এবং রাজনৈতিক উচ্চতা দিয়ে দেশকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় আছেন, তার নেতৃত্ব থাকায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

 

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেছিলেন, আজ সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবতা। তিনি ১৪ বছরে যোগাযোগ, রেল, বিদ্যুৎ, কৃষি, পাওয়ার, শিক্ষাসহ একেকটি খাতকে এক অনন্য জায়গায় নিয়ে গেছেন।

 

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের উপ-উপাচার্য প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. আবদুল জব্বার খান। এসময় তিনি ১৯৭২ সালের সঙ্গে বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও মানবসম্পদ নিয়ে তুলনামূলক আলোচন করেন। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৯৪ মার্কিন ডলার। বর্তমান মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৭০০ ডলার। ৮ বিলিয়ন জিডিপির বাংলাদেশে বর্তমানে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের দেশ।

 

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, আইইবি ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন শীবলু। সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মো. আবুল হোসেন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» প্রথমার্ধে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে জাপান

» পাকিস্তানি কন্যা আয়েশার স্টাইলে মাধুরীর নাচ, ভিডিও ভাইরাল

» ১০ ডিসেম্বর বিএনপি-জামায়াতকে খুঁজে পাওয়া যাবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

» রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, দাবি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর

» রিজভী ও ইশরাকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

» যেখানে অনুমতি দেওয়া হয়েছে, বিএনপিকে সেখানেই সমাবেশ করতে হবে: হানিফ

» এক অনুষ্ঠানে বিয়ে করলেন ১০১ বর-কনে

» জনগণের ম্যান্ডেটে দেশ চলবে, কারো আস্ফালনে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» বেশি লোক দেখাতেই নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি: কৃষিমন্ত্রী

» বিকল্প ভেন্যু চাইলে প্রস্তাব দেবো, কিন্তু এখন বলবো না: আব্বাস

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

বাংলাদেশের উন্নয়ন তাক লাগানোর মতো: হানিফ

বাংলাদেশের উন্নয়ন অনেক দেশের কাছে তাক লাগানোর মতো। অথচ বিএনপি এটাও স্বীকার করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

 

তিনি বলেন, বিএনপি আজ সত্য স্বীকার করতে চায় না। দেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বিশ্বের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমরা ২০৩১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার ধারায় আছি। আর বিএনপি নেতারা প্রতিদিন মিথ্যাচার করছেন। গত ১২টা বাজেটের পর তারা বলেছেন, ‘এটা গরিব মারার বাজেট’।

আজ (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) ঢাকা কেন্দ্র।

 

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ভূতের মুখে রাম নাম। তাদের নেতা তারেক রহমান হাওয়া ভবন বানিয়ে কমিশন বাণিজ্য করেছেন। তাকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে কানাডা, সিঙ্গাপুরের আদালত রায় দিয়েছে। তারা এতটাই দুর্নীতিবাজ, দুর্নীতিতে অভিযুক্তরা দলে পদ পাবে না তাই গঠনতন্ত্র থেকে সেই ধারা তুলে দিয়েছে। আজ সেই দলের নেতারা দুর্নীতি, চুরির কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, বিএনপি গোটা দলটাই দুর্নীতিবাজ। দুর্নীতির কারণে মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, আজ তারা আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। অথচ আজ তারাই দুর্নীতির কথা বলে।

 

আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে অসৎ, নীতি-নৈতিকতাহীন বানানোর কাজ শুরু করেছিলেন। ছাত্রদের হাতে অস্ত্র, অর্থ তুলে দিয়েছিলেন। স্বেচ্ছায় খাল কাটা কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। ১৯৮১ সালে উনি (জিয়াউর রহমান) মারা যাওয়ার পর সরকারি প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে দেখা যায় সরকার কাজটি করলে ব্যয় হতো ৫ কোটি টাকা। তিনি খাল কাটা কর্মসূচি করায় খরচ হয়েছে ৮৫ কোটি টাকা। সেই সময়ে থেকে মানুষকে নীতি-নৈতিকতাহীন করা শুরু হয়েছিল।

শেখ হাসিনা দক্ষ মানবসম্পদে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা বলেন, ডেভেলপমেন্ট সাসটেইনেবেল করতে হলে দক্ষ মানবসম্পদ গুরুত্বপূর্ণ। জেলা পর্যায়ে কারিগরি বিদ্যালয় করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা দক্ষ মানবসম্পদ হলে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে এবং দেশের বাইরে থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে।

 

তিনি বলেন, বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমিকরা ৭০০ রিয়াল পান, অন্যদিকে ভারতীয়রা পান ১৬০০ রিয়াল। কারণ তারা দক্ষ, প্রশিক্ষিত, স্কিল লেবার এবং তাদের কমিউনিকেশন স্কিল ভালো। বিদেশে বেশি বেতন পেতে হলে দক্ষতার বিকল্প নেই। আর এজন্য (দক্ষতা উন্নয়নে) সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

 

সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ একমাত্র মূলমন্ত্র নয় উল্লেখ করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, নীতি-নৈতিকতা, সততা, দেশপ্রেমের মূল্যবোধ না থাকলে আউটপুট আসবে না। বর্তমান বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা সততা, নীতি-নৈতিকতা না থাকা। যতক্ষণ আমরা নীতি-নৈতিকতা, সততায় ডেভেলপ করতে না পারবো, ততক্ষণ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট হবে না।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা একজনই। তিনি তার শ্রম, বিচক্ষণতা এবং রাজনৈতিক উচ্চতা দিয়ে দেশকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় আছেন, তার নেতৃত্ব থাকায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

 

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেছিলেন, আজ সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবতা। তিনি ১৪ বছরে যোগাযোগ, রেল, বিদ্যুৎ, কৃষি, পাওয়ার, শিক্ষাসহ একেকটি খাতকে এক অনন্য জায়গায় নিয়ে গেছেন।

 

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের উপ-উপাচার্য প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. আবদুল জব্বার খান। এসময় তিনি ১৯৭২ সালের সঙ্গে বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও মানবসম্পদ নিয়ে তুলনামূলক আলোচন করেন। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৯৪ মার্কিন ডলার। বর্তমান মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৭০০ ডলার। ৮ বিলিয়ন জিডিপির বাংলাদেশে বর্তমানে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের দেশ।

 

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, আইইবি ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন শীবলু। সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোল্লা মো. আবুল হোসেন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com