পর্তুগালে করোনায় দিশেহারা বাংলাদেশি ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসায়ীরা

গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা করে আসছেন। ইউরোপেও এরকম ব্যবসা শুরু করেছেন তারা। এসব উদ্যোগের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা সফলতার মুখ দেখেছেন। তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটক নির্ভর এবং বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানে। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন হাজার হাজার বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবসহ বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশিদের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে হাজারও ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। শুধুমাত্র লিসবনের ডাউনটাউন এলাকায় গড়ে উঠেছে ২ হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যেখানে প্রায় ৩ থেকে ৫ হাজার বাংলাদেশি কর্মরত ছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এসব ব্যবসা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

দুই মাস পুরোপুরি বন্ধ থাকার পর গত ১৮ মে সীমিত আকারে এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এসব প্রতিষ্ঠান একেবারে ক্রেতাশূন্য। বিশেষ করে সুবিনিয়র ও পর্যটন এলাকায় রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। দিন শেষে খালি হাতে ঘরে ফিরছেন সবাই এবং অনেকে এরকম পরিস্থিতি দেখে প্রতিষ্ঠান খুলছেন না। ফলে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীসহ সেসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হাজারও প্রবাসী।

যদিও অনেক প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত লে-অফে আছেন, কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সেই সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। সরকার কর্তৃক এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ বিবেচনায় প্রায় ৪০ শতাংশ লে-অফ আবেদন খারিজ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান এই সুযোগের আওতায় পড়েছেন তাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পর্তুগালের সর্বনিম্ন বেতন পাচ্ছেন। কিন্তু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা তাদের ভাড়া, ইউটিলিটি বিল এবং অনান্য ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অনেকেই ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখোমুখি হয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবে।

এ প্রসঙ্গে লিসবনের সুবিনিয়র পণ্যের পাইকারি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে ব্যবসায় মন্দা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আবার চালু করলেও বিক্রি নেই বললেই চলে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক ব্য় মেটানো নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। তাছাড়া সরকার ঘোষিত প্রণোদনার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ব্যাংক থেকে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এখনো কোনো নিদের্শনা পাওয়া যায়নি।

লিসবনের অন্যতম পর্যটন এলাকার ব্যবসায়ী এ কে রাকিব জানান, জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার পরে দোকান পুনরায় চালু করি, কিন্তু বিক্রি একেবারে নেই। তাই কিছুদিনের মধ্যে আবার বন্ধ করে দিই। এই অবস্থা চলতে থাকলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক মানুষ কাজ হারাবে। আমরা আশাবাদী আগামী মাস থেকে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করবে।

তরুণ রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী কাজী আবদুস সাত্তার বলেন, এখনো পর্যটকের সমাগম না হওয়ার ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছি। পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা সরকার ঘোষিত লে-অফে রয়েছি। আগামী ১ জুলাই থেকে আবার রেস্টুরেন্ট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ব্যবসা আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া নিয়ে সন্দিহান রয়েছি। তাই অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে।

পর্তুগালে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে ১৮ মার্চ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দেশটির সরকার, যা ২ মে পর্যন্ত চলে। জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে বর্তমানে দুর্যোগপূর্ণ রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে। ইতোমধ্যে ২ মে থেকে শর্ত সাপেক্ষে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান এবং ১৮ মে থেকে রেস্টুরেন্টসহ অনন্য প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু করার অনুমতি প্রদান করা হয়।

দেশটিতে করোনাভাইরাসে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৮৯ জন আক্রান্ত হয়েছে, যার মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২৪ হাজার ১০ জন। আর মৃত্যুবরণ করেছে ১৫২৪ জন। জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার পরে লিসবনে সংক্রমণের হার বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।জাগোনিউজ

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কোভিডড-১৯ বাগেরহাটে কোরবানির পশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা

» গণমাধ্যমকর্মীদের বকেয়া পরিশোধের দাবি

» শায়েস্তাগঞ্জে জেলের জালে বিরল প্রজাতির মাছ

» রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান

» রাজধানীর পুরান ঢাকার আলু বাজার একটি বাল্ব কারখানায় আগুন

» পুলিশ হাসপাতালকে সেরা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : আইজিপি

» সাহেদের সহযোগী রিজেন্ট গ্রুপের এমডি গ্রেফতার

» আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা উত্তরে বসবে ৬টি পশুর হাট

» প্রকল্পে ব্যয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

» যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহীন চাকলাদার বিজয়ী

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মাকসুদা লিসা।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

পর্তুগালে করোনায় দিশেহারা বাংলাদেশি ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসায়ীরা

গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা করে আসছেন। ইউরোপেও এরকম ব্যবসা শুরু করেছেন তারা। এসব উদ্যোগের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা সফলতার মুখ দেখেছেন। তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটক নির্ভর এবং বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানে। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন হাজার হাজার বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবসহ বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশিদের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে হাজারও ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। শুধুমাত্র লিসবনের ডাউনটাউন এলাকায় গড়ে উঠেছে ২ হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যেখানে প্রায় ৩ থেকে ৫ হাজার বাংলাদেশি কর্মরত ছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এসব ব্যবসা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

দুই মাস পুরোপুরি বন্ধ থাকার পর গত ১৮ মে সীমিত আকারে এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এসব প্রতিষ্ঠান একেবারে ক্রেতাশূন্য। বিশেষ করে সুবিনিয়র ও পর্যটন এলাকায় রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। দিন শেষে খালি হাতে ঘরে ফিরছেন সবাই এবং অনেকে এরকম পরিস্থিতি দেখে প্রতিষ্ঠান খুলছেন না। ফলে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীসহ সেসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হাজারও প্রবাসী।

যদিও অনেক প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত লে-অফে আছেন, কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সেই সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। সরকার কর্তৃক এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ বিবেচনায় প্রায় ৪০ শতাংশ লে-অফ আবেদন খারিজ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান এই সুযোগের আওতায় পড়েছেন তাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পর্তুগালের সর্বনিম্ন বেতন পাচ্ছেন। কিন্তু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা তাদের ভাড়া, ইউটিলিটি বিল এবং অনান্য ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অনেকেই ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখোমুখি হয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবে।

এ প্রসঙ্গে লিসবনের সুবিনিয়র পণ্যের পাইকারি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে ব্যবসায় মন্দা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আবার চালু করলেও বিক্রি নেই বললেই চলে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক ব্য় মেটানো নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। তাছাড়া সরকার ঘোষিত প্রণোদনার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ব্যাংক থেকে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এখনো কোনো নিদের্শনা পাওয়া যায়নি।

লিসবনের অন্যতম পর্যটন এলাকার ব্যবসায়ী এ কে রাকিব জানান, জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার পরে দোকান পুনরায় চালু করি, কিন্তু বিক্রি একেবারে নেই। তাই কিছুদিনের মধ্যে আবার বন্ধ করে দিই। এই অবস্থা চলতে থাকলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক মানুষ কাজ হারাবে। আমরা আশাবাদী আগামী মাস থেকে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করবে।

তরুণ রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী কাজী আবদুস সাত্তার বলেন, এখনো পর্যটকের সমাগম না হওয়ার ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছি। পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা সরকার ঘোষিত লে-অফে রয়েছি। আগামী ১ জুলাই থেকে আবার রেস্টুরেন্ট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ব্যবসা আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া নিয়ে সন্দিহান রয়েছি। তাই অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে।

পর্তুগালে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে ১৮ মার্চ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দেশটির সরকার, যা ২ মে পর্যন্ত চলে। জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে বর্তমানে দুর্যোগপূর্ণ রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে। ইতোমধ্যে ২ মে থেকে শর্ত সাপেক্ষে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান এবং ১৮ মে থেকে রেস্টুরেন্টসহ অনন্য প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু করার অনুমতি প্রদান করা হয়।

দেশটিতে করোনাভাইরাসে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৮৯ জন আক্রান্ত হয়েছে, যার মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২৪ হাজার ১০ জন। আর মৃত্যুবরণ করেছে ১৫২৪ জন। জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার পরে লিসবনে সংক্রমণের হার বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।জাগোনিউজ

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মাকসুদা লিসা।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com